ঢাকা ০২:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গুজরাটে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ১৮ জনের মৃত্যু Logo চীনে সেভেন সিস্টার্স নিয়ে যা বলেছিলেন ড. ইউনূস? যেজন্য হতভম্ব ভারত Logo জামায়াতের ঈদ উপলক্ষে প্রীতি ভোজের ঘটনায় বিএনপি – যুবলীগের হামলা Logo শহীদ নাসিব হাসান রিহান-এর পরিবারের সদস্যদের সাথে আমীরে জামায়াতের ঈদ কুশল বিনিময় Logo ড. ইউনূসকে শেহবাজের ফোন, পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ Logo মিয়ানমারে ভূমিকম্প: ২ হাজার ছাড়াল নিহতের সংখ্যা Logo গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: খালেদা জিয়া Logo ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের পদত্যাগ Logo ঈদের নামাজ শেষে ‘জয় বাংলা’স্লোগান, বিএনপির সাথে সংঘর্ষ গুলিবিদ্ধ ১ Logo আইপিএলসহ টিভিতে যা দেকবেন আজ

বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে হামলা

ইরাকের রাজধানী বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে হামলার ঘটনা ঘটেছে। সেখানে কমপক্ষে সাতটি মর্টার আঘাত হেনেছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে ওই হামলা চালানো হয়েছে বলে মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা রয়টার্সকে জানিয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, সাম্প্রতিক সময়ে সুরক্ষিত গ্রিন জোনের ভেতরে এটাই সবচেয়ে বড় হামলার ঘটনা।

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অন্য এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওই একই দিনে ইরাক এবং সিরিয়ায় মার্কিন বাহিনীগুলোর অবস্থান লক্ষ্য করেও কমপক্ষে পাঁচটি রকেট ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। সিরিয়ায় মার্কিন বাহিনীর পৃথক ঘাঁটিগুলোতে তিনটি ও ইরাকে বাগদাদের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত আইন আল-আসাদ বিমান ঘাঁটিতে দুই দফা হামলা চালানো হয়।

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের সীমান্তে প্রবেশ করে সেখানে আকস্মিক হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এরপরেই গাজায় পাল্টা আক্রমণ চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। দুপক্ষের মধ্যে সংঘাত এখনও চলছেই।

এদিকে ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যকার সংঘাত শুরুর পর থেকেই সিরিয়া ও ইরাকে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীগুলো বার বার হামলার শিকার হচ্ছে। গাজার যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে সর্বাত্মক সমর্থন দেওয়ার কারণেই এমনটা হচ্ছে বলে ধারণা করা হয়।

এদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শিয়া আল-সুদানিকে ফোন করে এসব হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। এই হামলার জন্য ইরানের মিত্র ইরাকি সশস্ত্র গোষ্ঠী কাতাইব হিজবুল্লাহ এবং হরকত হিজবুল্লাহ আল নুজাবাকে দায়ী করা হয়েছে।

তাদের দুজনের ফোনালাপের বিষয়ে পেন্টাগনের দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, অস্টিন সুদানিকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এসব গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে স্পষ্ট জাবাব দেওয়ার অধিকার রাখে। তবে বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে হামলার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী দায় স্বীকার করেনি।

গত এক বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে বাগদাদের মার্কিন দূতাবাসে এই প্রথম হামলা চালানো হলো। এতে ওই অঞ্চলে মার্কিন অবস্থানগুলোর ওপর হামলা বিস্তৃত হচ্ছে বলে ধারণা পাওয়া যাচ্ছে। এসব হামলা বেড়ে যাওয়ায় ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে চলমান যুদ্ধ আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা আরও বাড়ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গুজরাটে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ১৮ জনের মৃত্যু

বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে হামলা

আপডেট সময় ০৪:১৫:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৩

ইরাকের রাজধানী বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে হামলার ঘটনা ঘটেছে। সেখানে কমপক্ষে সাতটি মর্টার আঘাত হেনেছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে ওই হামলা চালানো হয়েছে বলে মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা রয়টার্সকে জানিয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, সাম্প্রতিক সময়ে সুরক্ষিত গ্রিন জোনের ভেতরে এটাই সবচেয়ে বড় হামলার ঘটনা।

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অন্য এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওই একই দিনে ইরাক এবং সিরিয়ায় মার্কিন বাহিনীগুলোর অবস্থান লক্ষ্য করেও কমপক্ষে পাঁচটি রকেট ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। সিরিয়ায় মার্কিন বাহিনীর পৃথক ঘাঁটিগুলোতে তিনটি ও ইরাকে বাগদাদের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত আইন আল-আসাদ বিমান ঘাঁটিতে দুই দফা হামলা চালানো হয়।

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের সীমান্তে প্রবেশ করে সেখানে আকস্মিক হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এরপরেই গাজায় পাল্টা আক্রমণ চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। দুপক্ষের মধ্যে সংঘাত এখনও চলছেই।

এদিকে ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যকার সংঘাত শুরুর পর থেকেই সিরিয়া ও ইরাকে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীগুলো বার বার হামলার শিকার হচ্ছে। গাজার যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে সর্বাত্মক সমর্থন দেওয়ার কারণেই এমনটা হচ্ছে বলে ধারণা করা হয়।

এদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শিয়া আল-সুদানিকে ফোন করে এসব হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। এই হামলার জন্য ইরানের মিত্র ইরাকি সশস্ত্র গোষ্ঠী কাতাইব হিজবুল্লাহ এবং হরকত হিজবুল্লাহ আল নুজাবাকে দায়ী করা হয়েছে।

তাদের দুজনের ফোনালাপের বিষয়ে পেন্টাগনের দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, অস্টিন সুদানিকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এসব গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে স্পষ্ট জাবাব দেওয়ার অধিকার রাখে। তবে বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে হামলার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী দায় স্বীকার করেনি।

গত এক বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে বাগদাদের মার্কিন দূতাবাসে এই প্রথম হামলা চালানো হলো। এতে ওই অঞ্চলে মার্কিন অবস্থানগুলোর ওপর হামলা বিস্তৃত হচ্ছে বলে ধারণা পাওয়া যাচ্ছে। এসব হামলা বেড়ে যাওয়ায় ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে চলমান যুদ্ধ আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা আরও বাড়ছে।