ঢাকা ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ইফতারকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি ইউনেসকোর

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:০০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৩
  • ১০৭ বার পড়া হয়েছে

রমজানের রোজা ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত। ইসলামের মূল পাঁচ স্তম্ভের একটি। এছাড়া সারা বছর রোজা রাখা নফল বা ঐচ্ছিক সওয়াবের কাজ। মুসলমানরা সারা বছর সুন্নত ও নফল রোজায়ও সেহরি ও ইফতার করে। তবে রমজান মাসে যেহেতু মুসলমানরা ব্যাপকভাবে রোজা রাখে, সূর্যাস্তের পর সম্মিলিতভাবে রোজা ভাঙে, তাই সে সময় ইফতার বিশেষ মাত্রা পায়।

রমজানে মুসলমানদের সূর্যাস্তের পরের এ খাবার বা ইফতারকে বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেসকো।

বুধবার (৬ ডিসেম্বর) নিজেদের ওয়েবসাইটে এ স্বীকৃতির কথা ঘোষণা করেছে ইউনেসকো। ইফতারকে ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতির জন্য যৌথভাবে আবেদন করেছিল ইরান, তুরস্ক, আজারবাইজান ও উজবেকিস্তান।

ইউনেসকো মনে করে, এই ধর্মীয় রীতি পরিবার ও সমাজের বন্ধন দৃঢ় করে। মানুষের পারস্পরিক সৌহার্দ্য, খাবার বিনিময়, দান ইত্যাদি বিষয়গুলো সামনে নিয়ে আসে।

ট্যাগস :

ইফতারকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি ইউনেসকোর

আপডেট সময় ০৭:০০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৩

রমজানের রোজা ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত। ইসলামের মূল পাঁচ স্তম্ভের একটি। এছাড়া সারা বছর রোজা রাখা নফল বা ঐচ্ছিক সওয়াবের কাজ। মুসলমানরা সারা বছর সুন্নত ও নফল রোজায়ও সেহরি ও ইফতার করে। তবে রমজান মাসে যেহেতু মুসলমানরা ব্যাপকভাবে রোজা রাখে, সূর্যাস্তের পর সম্মিলিতভাবে রোজা ভাঙে, তাই সে সময় ইফতার বিশেষ মাত্রা পায়।

রমজানে মুসলমানদের সূর্যাস্তের পরের এ খাবার বা ইফতারকে বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেসকো।

বুধবার (৬ ডিসেম্বর) নিজেদের ওয়েবসাইটে এ স্বীকৃতির কথা ঘোষণা করেছে ইউনেসকো। ইফতারকে ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতির জন্য যৌথভাবে আবেদন করেছিল ইরান, তুরস্ক, আজারবাইজান ও উজবেকিস্তান।

ইউনেসকো মনে করে, এই ধর্মীয় রীতি পরিবার ও সমাজের বন্ধন দৃঢ় করে। মানুষের পারস্পরিক সৌহার্দ্য, খাবার বিনিময়, দান ইত্যাদি বিষয়গুলো সামনে নিয়ে আসে।