ঢাকা ১০:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

‘হামাসের সুড়ঙ্গ’ সাগরের পানি ভরে ধ্বংসের পরিকল্পনা ইসরায়েলের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৩৪:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৩
  • ৯৮ বার পড়া হয়েছে

গাজায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা সুড়ঙ্গগুলো সাগরের পানি ভরে ধ্বংস করার পরিকল্পনা করেছে ইসরায়েল। এসব সুড়ঙ্গ হামাসের যোদ্ধারা ব্যবহার করেন বলে দাবি তাদের। তাই সুড়ঙ্গ ধ্বংসে সীমান্তে বেশ বড় আকারের পাম্প জড়ো করেছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (৩ ডিসেম্বর) ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স। তবে রয়টার্সের পক্ষ থেকে স্বতন্ত্রভাবে তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আল-শাতি শরণার্থীশিবির থেকে মাইলখানেক দূরে অন্তত পাঁচটি পাম্প বসিয়েছে ইসরায়েল। এসব পাম্প ব্যবহার করে প্রতি ঘণ্টায় হাজারো ঘনমিটার পানি সরবরাহ করা সম্ভব। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পাম্প ব্যবহার করে সাগরের পানি টেনে এনে গাজায় সুড়ঙ্গগুলোয় ফেলা হবে।

এ বিষয়ে জানতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ইসরায়েলের পক্ষ থেকে গত মাসে এই পরিকল্পনার কথা যুক্তরাষ্ট্রকে জানানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। তবে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কত দূর এগিয়েছে, সে ব্যাপারে নিশ্চিত নন তারা। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ব্যাপারে ইসরায়েল এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।

গাজা উপত্যকা দীর্ঘদিন ধরে অবরুদ্ধ রয়েছে। সেখানে পণ্য ও ব্যক্তির প্রবেশ কিংবা সেখান থেকে বের হওয়ার জন্য ইসরায়েলের অনুমতি দরকার হয়। এমন পরিস্থিতিতে গাজায় গোপনে পণ্য আনা-নেওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপায় এসব সুড়ঙ্গ।

ট্যাগস :

‘হামাসের সুড়ঙ্গ’ সাগরের পানি ভরে ধ্বংসের পরিকল্পনা ইসরায়েলের

আপডেট সময় ১২:৩৪:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৩

গাজায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা সুড়ঙ্গগুলো সাগরের পানি ভরে ধ্বংস করার পরিকল্পনা করেছে ইসরায়েল। এসব সুড়ঙ্গ হামাসের যোদ্ধারা ব্যবহার করেন বলে দাবি তাদের। তাই সুড়ঙ্গ ধ্বংসে সীমান্তে বেশ বড় আকারের পাম্প জড়ো করেছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (৩ ডিসেম্বর) ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স। তবে রয়টার্সের পক্ষ থেকে স্বতন্ত্রভাবে তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আল-শাতি শরণার্থীশিবির থেকে মাইলখানেক দূরে অন্তত পাঁচটি পাম্প বসিয়েছে ইসরায়েল। এসব পাম্প ব্যবহার করে প্রতি ঘণ্টায় হাজারো ঘনমিটার পানি সরবরাহ করা সম্ভব। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পাম্প ব্যবহার করে সাগরের পানি টেনে এনে গাজায় সুড়ঙ্গগুলোয় ফেলা হবে।

এ বিষয়ে জানতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ইসরায়েলের পক্ষ থেকে গত মাসে এই পরিকল্পনার কথা যুক্তরাষ্ট্রকে জানানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। তবে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কত দূর এগিয়েছে, সে ব্যাপারে নিশ্চিত নন তারা। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ব্যাপারে ইসরায়েল এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।

গাজা উপত্যকা দীর্ঘদিন ধরে অবরুদ্ধ রয়েছে। সেখানে পণ্য ও ব্যক্তির প্রবেশ কিংবা সেখান থেকে বের হওয়ার জন্য ইসরায়েলের অনুমতি দরকার হয়। এমন পরিস্থিতিতে গাজায় গোপনে পণ্য আনা-নেওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপায় এসব সুড়ঙ্গ।