ঢাকা ০৯:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

নাটোর দাড়িয়ে থাকা ৩ বাসে দুর্বৃত্তদের আগুন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:৫৬:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৩
  • ৬৭ বার পড়া হয়েছে

নাটোরে আগুনে পুড়ে গেছে দাড়িয়ে থাকা তিনটি বাস।

রোববার (৩ ডিসেম্বর) রাত ১১টার দিকে নাটোর শহরের বড়হরিশপুর এলাকায় দাড়িয়ে থাকা এসব বাসে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এ ব্যাপারে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

নাটোর সদর থানা ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো গতকাল রাতে বড়হরিশপুর এলাকার গণি পেট্রলপাম্পের সামনে ও ভিআইপি হোটেলের পূর্ব পাশে ২০টি বাস দাড় করানো ছিল। রাত ১১টার দিকে হঠাৎ সামি জনি ও রাজকীয় পরিবহনের দুটি বাসে আগুন জ্বলে ওঠে। পরে সামি জনি পরিবহনের অপর একটি বাসেও আগুন ধরে। প্রথম আগুন লাগা বাস দুটি সম্পূর্ণ এবং পরেরটি আংশিক পুড়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

খবর পেয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসিম আহম্মেদ, নাটোর-২-এর সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম সহ প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় সংসদ সদস্য গণমাধ্যমের কাছে দাবি করেন, বিএনপি-জামায়াতের অবরোধকারীরা নির্বাচন বানচাল করতে বাস-ট্রাক পুড়িয়ে নাশকতা করছে। তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

সদর থানার ওসি নাসিম আহম্মেদ বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরাই বাসগুলোয় আগুন দিয়েছে। তবে দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা যায়নি। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

ট্যাগস :

নাটোর দাড়িয়ে থাকা ৩ বাসে দুর্বৃত্তদের আগুন

আপডেট সময় ১১:৫৬:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৩

নাটোরে আগুনে পুড়ে গেছে দাড়িয়ে থাকা তিনটি বাস।

রোববার (৩ ডিসেম্বর) রাত ১১টার দিকে নাটোর শহরের বড়হরিশপুর এলাকায় দাড়িয়ে থাকা এসব বাসে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এ ব্যাপারে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

নাটোর সদর থানা ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো গতকাল রাতে বড়হরিশপুর এলাকার গণি পেট্রলপাম্পের সামনে ও ভিআইপি হোটেলের পূর্ব পাশে ২০টি বাস দাড় করানো ছিল। রাত ১১টার দিকে হঠাৎ সামি জনি ও রাজকীয় পরিবহনের দুটি বাসে আগুন জ্বলে ওঠে। পরে সামি জনি পরিবহনের অপর একটি বাসেও আগুন ধরে। প্রথম আগুন লাগা বাস দুটি সম্পূর্ণ এবং পরেরটি আংশিক পুড়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

খবর পেয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসিম আহম্মেদ, নাটোর-২-এর সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম সহ প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় সংসদ সদস্য গণমাধ্যমের কাছে দাবি করেন, বিএনপি-জামায়াতের অবরোধকারীরা নির্বাচন বানচাল করতে বাস-ট্রাক পুড়িয়ে নাশকতা করছে। তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

সদর থানার ওসি নাসিম আহম্মেদ বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরাই বাসগুলোয় আগুন দিয়েছে। তবে দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা যায়নি। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।