ঢাকা ০৬:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ‘রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করবে বিএনপি’ Logo মতিঝিলে দুই সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা Logo জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল ২০২৫: উদ্বোধনী ম্যাচে জয় পেল মুন্সিগঞ্জ Logo জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবিতে একমত জামায়াত: মোহাম্মদ তাহের Logo চাকসু নির্বাচন: ডোপ টেস্ট পজিটিভ হলেই প্রার্থিতা বাতিল Logo হলুদ হেলমেট পরেছিলেন জাপার মহাসচিব, সংবাদ সম্মেলনে স্বীকারোক্তি Logo ‘আমাদের নির্বাচন চাই না’ লেখা চিরকুট মিললো পাগলা মসজিদের দান বক্সে Logo বাতিল হওয়া এনআইডি সংশোধন আবেদনের সময় বাড়লো Logo পাগলা মসজিদের চিঠি: নির্বাচন চাই না, আমাদের দরকার ইউনুস সরকার Logo জাপাকে বিরোধী দল বানানোর চেষ্টা করছে ডিজিএফআই: রাশেদ খান

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে হিজবুল্লাহ প্রধানের বৈঠক

  • ফখরুল ইসলাম
  • আপডেট সময় ০৮:০৩:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৩
  • 329

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে হিজবুল্লাহ প্রধানের বৈঠক

হিজবুল্লাহর প্রধান হাসান নাসরুল্লাহর সঙ্গে দেখা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির-আব্দুল্লাহিয়ান। লেবানিজ সামরিক গোষ্ঠীটি বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে। গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে গোষ্ঠীটি ইসরায়েলের সঙ্গে মারাত্মক আন্তঃসীমান্ত সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে।

এক বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ বলেছে, আমির-আব্দুল্লাহিয়ান ও নাসরুল্লাহ ‘ফিলিস্তিন, লেবানন ও অঞ্চলের সর্বশেষ অগ্রগতি এবং…গাজা উপত্যকার বিরুদ্ধে ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধের প্রচেষ্টা পর্যালোচনা করেছেন’। ইরানের বার্তা সংস্থা নুর জানিয়েছে, আমির-আব্দুল্লাহিয়ান বুধবার সতর্ক করেছেন, যুদ্ধ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।

এ ছাড়া হিজবুল্লাহ বৃহস্পতিবার সকালে বলেছে, তারা সীমান্ত থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে উত্তর ইসরায়েলের সাফেদ শহরের কাছে এইন জেইটিমে সামরিক ঘাঁটিতে ৪৮টি কাতিউশা রকেট নিক্ষেপ করেছে। সীমান্তের কাছাকাছি ইসরায়েলি অবস্থানগুলোতে কমপক্ষে ১০টি হামলা চালানোর এবং এতে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলেও দাবি করেছে গোষ্ঠীটি। এসব হামলার জবাবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন স্থানে গোলাবর্ষণ করেছে বলে লেবাননের ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে।

হিজবুল্লাহ বলছে, ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ইসরায়েলে হামলা করার পর থেকে তারা গোষ্ঠীটির সমর্থনে কাজ করছে। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা বলেছে, সেই হামলায় প্রায় এক হাজার ২০০ জন নিহত হয়েছে এবং প্রায় ২৪০ জন জিম্মি হয়েছে। হামলার পর ইসরায়েল হামাসকে ধ্বংস করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং গাজা উপত্যকায় প্রতিশোধমূলক বিমান ও স্থল আক্রমণ শুরু করেছে। গাজা শাসনকারী হামাস সরকারের হিসাবে, ইসরায়েলি আক্রমণে ১৪ হাজারেরও বেশি মানুষ হয়েছে, যাদের মধ্যে হাজার হাজার শিশুও রয়েছে।

ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সহিংসতায় লেবাননে কমপক্ষে ১০৮ জন নিহত হয়েছে, যাদের অধিকাংশই হিজবুল্লাহ যোদ্ধা। তবে তিন সাংবাদিকসহ কমপক্ষে ১৪ জন বেসামরিক লোকও মারা গেছে। ইসরায়েলি পক্ষের ছয় সেনা ও তিন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

‘রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করবে বিএনপি’

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে হিজবুল্লাহ প্রধানের বৈঠক

আপডেট সময় ০৮:০৩:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৩

হিজবুল্লাহর প্রধান হাসান নাসরুল্লাহর সঙ্গে দেখা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির-আব্দুল্লাহিয়ান। লেবানিজ সামরিক গোষ্ঠীটি বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে। গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে গোষ্ঠীটি ইসরায়েলের সঙ্গে মারাত্মক আন্তঃসীমান্ত সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে।

এক বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ বলেছে, আমির-আব্দুল্লাহিয়ান ও নাসরুল্লাহ ‘ফিলিস্তিন, লেবানন ও অঞ্চলের সর্বশেষ অগ্রগতি এবং…গাজা উপত্যকার বিরুদ্ধে ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধের প্রচেষ্টা পর্যালোচনা করেছেন’। ইরানের বার্তা সংস্থা নুর জানিয়েছে, আমির-আব্দুল্লাহিয়ান বুধবার সতর্ক করেছেন, যুদ্ধ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।

এ ছাড়া হিজবুল্লাহ বৃহস্পতিবার সকালে বলেছে, তারা সীমান্ত থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে উত্তর ইসরায়েলের সাফেদ শহরের কাছে এইন জেইটিমে সামরিক ঘাঁটিতে ৪৮টি কাতিউশা রকেট নিক্ষেপ করেছে। সীমান্তের কাছাকাছি ইসরায়েলি অবস্থানগুলোতে কমপক্ষে ১০টি হামলা চালানোর এবং এতে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলেও দাবি করেছে গোষ্ঠীটি। এসব হামলার জবাবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন স্থানে গোলাবর্ষণ করেছে বলে লেবাননের ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে।

হিজবুল্লাহ বলছে, ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ইসরায়েলে হামলা করার পর থেকে তারা গোষ্ঠীটির সমর্থনে কাজ করছে। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা বলেছে, সেই হামলায় প্রায় এক হাজার ২০০ জন নিহত হয়েছে এবং প্রায় ২৪০ জন জিম্মি হয়েছে। হামলার পর ইসরায়েল হামাসকে ধ্বংস করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং গাজা উপত্যকায় প্রতিশোধমূলক বিমান ও স্থল আক্রমণ শুরু করেছে। গাজা শাসনকারী হামাস সরকারের হিসাবে, ইসরায়েলি আক্রমণে ১৪ হাজারেরও বেশি মানুষ হয়েছে, যাদের মধ্যে হাজার হাজার শিশুও রয়েছে।

ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সহিংসতায় লেবাননে কমপক্ষে ১০৮ জন নিহত হয়েছে, যাদের অধিকাংশই হিজবুল্লাহ যোদ্ধা। তবে তিন সাংবাদিকসহ কমপক্ষে ১৪ জন বেসামরিক লোকও মারা গেছে। ইসরায়েলি পক্ষের ছয় সেনা ও তিন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।