সিলেটে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩৬ রান করে নেদারল্যান্ডস। এতে নির্ধারিত ২০ ওভারে জয়ের জন্য ১৩৭ রানের লক্ষ্য পেয়েছে বাংলাদেশ।
দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৬ রান করেছেন তেজা। বাংলাদেশের হয়ে ২৮ রানে ৪ উইকেট শিকার করে ইনিংসের সেরা বোলার তাসকিন।
ইনিংসের প্রথম ওভারেই স্পিন আক্রমনে যান লিটন দাস। নতুন বল তুলে দেন শেখ মেহেদির হাতে। প্রথম ওভারে ডানহাতি এই অফ স্পিনার বেশ নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন। তবে দ্বিতীয় ওভার করতে এসে তিন বাউন্ডারি হজম করেন শরিফুল ইসলাম। তাই এক ওভার করার পরই শরিফুলকে সরিয়ে তাসকিন আহমেদকে আক্রমণে আনেন লিটন। তাতেই সাফল্যের দেখা পায় বাংলাদেশ।
এক ওভার করার পরই শরিফুলকে সরিয়ে তাসকিন আহমেদকে আক্রমণে আনেন লিটন। তাতেই সাফল্যের দেখা পায় বাংলাদেশ। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে বোলিংয়ে এসে নিজের করা প্রথম বলেই ব্রেকথ্রু এনে দেন তাসকিন।
মিডল-লেগ স্টাম্পের ওপর করা গুড লেংথের বলে শর্ট কভারে জাকের আলির হাতে ক্যাচ দিয়েছেন ম্যাক্স ও’ডাউড। সাজঘরে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে এসেছে ১৫ বলে ২৩ রান। অষ্টম ওভারে বোলিংয়ে ফিরে আবারো প্রথম বলেই উইকেট পেয়েছেন তাসকিন। এবার তার শিকার ভিক্রমজিত সিং। এই পেসারের করা খাটো লেংথের বলে লং অনে ধরা পরেন ভিক্রম।
বল হাতে এদিন চমক দেখান দুই বছর পর দলে জায়গা পাওয়া সাইফ হাসান। প্রথমবার বল হাতে নিয়েই উইকেট শিকার করেন এই অলরাউন্ডার। ইনিংসের ১০তম আর নিজের প্রথম ওভারেই তুলে নেন দুই উইকেট। সাইফ সাজঘরে ফেরান তেজা নিদারামানুরু (২৬ বলে ২৬) ও স্কট এডওয়ার্ডসকে (৭ বলে ১২)। আর শরিজ আহমেদকে (১৪ বলে ১৫) প্যাভিলিয়নে ফেরান মুস্তাফিজ।
৮৬ রানে পঞ্চম উইকেট হারানো ডাচরা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। তাসকিন আহমেদ পান চার উইকেট। এ ছাড়াও সাইফ হাসান ২টি, আর মুস্তাফিজুর রহমান নেন ১ উইকেট।