ঢাকা ১১:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

“আরেকটু সময় পেলে কিছু আসন বেশি পেতে পারে, তাই তারা নির্বাচন পেছাতে চাচ্ছে”

বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, বিএনপি ছাড়া বেশ কতগুলো রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচনটা যতদূর সম্ভব পেছানো যাক। তারা চাইছে আরেকটু হাতে সময় পেলে হয়তো কিছু আসন বেশি পেতে পারে। এজন্য তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বাহানা নিয়েও হাজির হচ্ছে।

তিনি বলেন, কোন কোন দল এমনও দাবি করছে পিআর পদ্ধতি যদি না হয় তাহলে তারা নির্বাচনেই যাবেন না।

সুতরাং কারা আসলে চাইছে বাংলাদেশে একটা স্টেবল সরকার এই মুহূর্তে না আসুক। কারা চাইছে নির্বাচনটা পিছিয়ে যাক সেটা আমরা কমবেশি সবাই জানি।
সম্প্রতি একটি বেসরকারী টিভি চ্যানেলের এক টক’শো তিনি এসব কথা বলেন।

রুমিন ফারহানা আরো বলেন, প্রধান উপদেষ্টা যখন হঠাৎ করে পাঁচ তারিখে ঘোষণাটি দিলেন যে ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হতে যাচ্ছে।

তখন সরকারের ভেতরে সকলেই কি খুশি হয়েছিল? মনে হয় না। আরেকটি রাজনৈতিক দল বলছে, নির্বাচন হওয়ার আগে অবশ্যই বিচার এবং সংস্কার শেষ করতে হবে। এখন বিচার বলতে, আপনি কি এফআইআর দায়েরকে বোঝাচ্ছেন? আপনি কি চার্জশিট পর্যন্ত নাকি আপনি বলছেন ট্রায়াল কমপ্লিট করে লয়ার কোর্টের সাজা; নাকি আপনি মিন করছেন একেবারে অ্যাপেলের ডিভিশন হয়ে সাজা।

তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে এই সরকার চাইলে প্রশাসনে সংস্কার করতে পারতেন।

পুলিশে করতে পারতেন সংস্কার। জুডিশিয়ারিতে করতে পারতেন। অন্যান্য যে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো আছে বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো আছে সেগুলোতে করতে পারতেন সংস্কার। আমরা কি কোন একটা জায়গায় সংস্কার করতে দেখেছি সরকারকে? আমরা কিন্তু দেখি নাই।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুলিশি প্রোটোকলে কার্যালয় ছাড়লেন জি এম কাদের

“আরেকটু সময় পেলে কিছু আসন বেশি পেতে পারে, তাই তারা নির্বাচন পেছাতে চাচ্ছে”

আপডেট সময় ০৮:৩১:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, বিএনপি ছাড়া বেশ কতগুলো রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচনটা যতদূর সম্ভব পেছানো যাক। তারা চাইছে আরেকটু হাতে সময় পেলে হয়তো কিছু আসন বেশি পেতে পারে। এজন্য তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বাহানা নিয়েও হাজির হচ্ছে।

তিনি বলেন, কোন কোন দল এমনও দাবি করছে পিআর পদ্ধতি যদি না হয় তাহলে তারা নির্বাচনেই যাবেন না।

সুতরাং কারা আসলে চাইছে বাংলাদেশে একটা স্টেবল সরকার এই মুহূর্তে না আসুক। কারা চাইছে নির্বাচনটা পিছিয়ে যাক সেটা আমরা কমবেশি সবাই জানি।
সম্প্রতি একটি বেসরকারী টিভি চ্যানেলের এক টক’শো তিনি এসব কথা বলেন।

রুমিন ফারহানা আরো বলেন, প্রধান উপদেষ্টা যখন হঠাৎ করে পাঁচ তারিখে ঘোষণাটি দিলেন যে ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হতে যাচ্ছে।

তখন সরকারের ভেতরে সকলেই কি খুশি হয়েছিল? মনে হয় না। আরেকটি রাজনৈতিক দল বলছে, নির্বাচন হওয়ার আগে অবশ্যই বিচার এবং সংস্কার শেষ করতে হবে। এখন বিচার বলতে, আপনি কি এফআইআর দায়েরকে বোঝাচ্ছেন? আপনি কি চার্জশিট পর্যন্ত নাকি আপনি বলছেন ট্রায়াল কমপ্লিট করে লয়ার কোর্টের সাজা; নাকি আপনি মিন করছেন একেবারে অ্যাপেলের ডিভিশন হয়ে সাজা।

তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে এই সরকার চাইলে প্রশাসনে সংস্কার করতে পারতেন।

পুলিশে করতে পারতেন সংস্কার। জুডিশিয়ারিতে করতে পারতেন। অন্যান্য যে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো আছে বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো আছে সেগুলোতে করতে পারতেন সংস্কার। আমরা কি কোন একটা জায়গায় সংস্কার করতে দেখেছি সরকারকে? আমরা কিন্তু দেখি নাই।