সাতক্ষীরা মহিলা জামায়াতের উদ্যোগে সাতক্ষীরা সদর-২ আসনে জামায়ত মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী জামায়াতের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এর লিফলেট বিতরণের সময় যুবদলের বাঁধা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২৮ আগষ্ট) বিকাল ৪ টার সময় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়ন মহিলা জামায়াতে একটি দল লাবসা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড বিনেরপোতা বিসিক এলাকায় সাতক্ষীরা সদর-২ আসনে জামায়ত মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থীর লিফলেট বিতরণের সময় লাবসা ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহবাহক রফিকুল ইসলাম (ছোট) জামায়াতের দায়িত্বশীলদের কে বাধা প্রধান করে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী জামায়াতের মহিলা দায়িত্বশীলরা।
জামায়াতের মহিলা ইউনিয়ন নেত্রী বলেন, আমরা কয়েকজন জামায়াতের মহিলা কর্মী সাতক্ষীরা সদর-২ আসনে জামায়ত মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থীর লিফলেট বিতরণ করার জন্য রাস্তা দিয়ে যাওয়ার পথে বাঁধা প্রদান করেন লাবসা ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহবাহক রফিকুল ইসলাম ছোট এবং বলেন “এই এলাকায় জামায়াতের কোনো লোক ঢুকবে না”। এসময় মহিলা দায়িত্বশীলরা তাদের বাঁধা পেরিয়ে এলাকায় ঢুকার চেষ্টা করলে রফিকুল ইসলাম ছোট জামায়াতের ইউনিয়ন সভানেত্রী রাকমা বেগমকে ধাক্কা দেয়। এর ঘটনার পরিপেক্ষিতে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হলে সদর থানার এসআই মনিরুজ্জামান পুলিশ ফোর্স নিয়ে উপস্থিত হয়ে পরিবেশ অনুকূলে নিয়ে আসার চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে জামায়াতে ইসলামীর সদর উপজেলা আমির মাওঃ মোশাররফ হোসেন ও সেক্রেটারি মাওঃ হাবিবুর রহমান সহ ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ এবং জেলা বিএনপির সাবেক সেক্রেটারি লাবসা ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম উপস্থিত হয়ে উক্ত ঘটনা মিমাংসা করার চেষ্টা করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত লাবসা ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহবাহক রফিকুল ইসলাম ছোট বলেন আমাদের রাস্তায় যাতায়াতের সমস্যা থাকায় তাদেরকে নিষেধ করা হয়েছিল কিন্তু আমি কোন মহিলার গায়ে ধাক্কা দেয়নি।
অভিযুক্ত লাবসা ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক রফিকুল ইসলাম ছোট ।গত ২৬ আগষ্ট মঙ্গলবার ঐ এলাকায় জামায়াতের মহিলা কর্মীরা সাংগঠনিক কাজে গেলে বিএনপি নেতা অস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখায় এবং প্রান নাসের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।