ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

উখিয়ার রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে দুই সশস্ত্র গোষ্ঠীর গোলাগুলি, নিহত ১

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার মধুরছড়া আশ্রয়শিবিরে (ক্যাম্প-৩) মিয়ানমারের দুটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে গোলাগুলিতে এক রোহিঙ্গা যুবকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত যুবকের নাম সৈয়দ আমিন (৩৪)। তিনি ওই ক্যাম্পের বি ব্লকের শরণার্থী ছিলেন।

গতকাল রোববার (১৯ নভেম্বর) রাত আটটার দিকে আশ্রয়শিবিরের সি ও ডি ব্লকের মাঝামাঝি আরাকান স্যালভেশন আর্মি (আরসা) ও আরাকান রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) মধ্যে গোলাগুলির এ ঘটনা ঘটে।

মধুরছড়া আশ্রয়শিবিরের রোহিঙ্গা নেতা (মাঝি) সাব্বির আহমদ বলেন, মধুরছড়া আশ্রয়শিবিরের ডি ব্লকে গত দুই মাসে অন্তত তিনবার দুই সন্ত্রাসী বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। আশ্রয়শিবিরটি আগে আরসা নিয়ন্ত্রণ করত, এখন সেখানে আরএসও ঢুকে পড়েছে। এ কারণে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। তাতে আশ্রয়শিবিরে থাকা অন্তত ৬৫ হাজার রোহিঙ্গা আতঙ্কে আছে।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হোসেন বলেন, রাতে আশ্রয়শিবিরের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মিয়ানমারের দুটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে থেমে থেমে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। তাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে রোহিঙ্গা সৈয়দ আমিনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই আশ্রয়শিবিরের সাধারণ রোহিঙ্গা। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। সন্ত্রাসীদের ধরতে আশ্রয়শিবিরে অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।

পুলিশ ও রোহিঙ্গা নেতাদের দেওয়া তথ্যমতে, গত সাড়ে ৮ মাসে আশ্রয়শিবিরে ৫৬টি সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় অন্তত ৬৮ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১৭ জন রোহিঙ্গা মাঝি, ২১ জন আরসা সদস্য, ৩ জন আরএসও সদস্য, ১ জন স্বেচ্ছাসেবক ও অন্যরা সাধারণ রোহিঙ্গা।

বেনজীর আহমেদকে আর সময় দেওয়া হবে না: দুদকের আইনজীবী

উখিয়ার রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে দুই সশস্ত্র গোষ্ঠীর গোলাগুলি, নিহত ১

আপডেট সময় ১২:২৬:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ নভেম্বর ২০২৩

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার মধুরছড়া আশ্রয়শিবিরে (ক্যাম্প-৩) মিয়ানমারের দুটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে গোলাগুলিতে এক রোহিঙ্গা যুবকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত যুবকের নাম সৈয়দ আমিন (৩৪)। তিনি ওই ক্যাম্পের বি ব্লকের শরণার্থী ছিলেন।

গতকাল রোববার (১৯ নভেম্বর) রাত আটটার দিকে আশ্রয়শিবিরের সি ও ডি ব্লকের মাঝামাঝি আরাকান স্যালভেশন আর্মি (আরসা) ও আরাকান রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) মধ্যে গোলাগুলির এ ঘটনা ঘটে।

মধুরছড়া আশ্রয়শিবিরের রোহিঙ্গা নেতা (মাঝি) সাব্বির আহমদ বলেন, মধুরছড়া আশ্রয়শিবিরের ডি ব্লকে গত দুই মাসে অন্তত তিনবার দুই সন্ত্রাসী বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। আশ্রয়শিবিরটি আগে আরসা নিয়ন্ত্রণ করত, এখন সেখানে আরএসও ঢুকে পড়েছে। এ কারণে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। তাতে আশ্রয়শিবিরে থাকা অন্তত ৬৫ হাজার রোহিঙ্গা আতঙ্কে আছে।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হোসেন বলেন, রাতে আশ্রয়শিবিরের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মিয়ানমারের দুটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে থেমে থেমে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। তাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে রোহিঙ্গা সৈয়দ আমিনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই আশ্রয়শিবিরের সাধারণ রোহিঙ্গা। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। সন্ত্রাসীদের ধরতে আশ্রয়শিবিরে অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।

পুলিশ ও রোহিঙ্গা নেতাদের দেওয়া তথ্যমতে, গত সাড়ে ৮ মাসে আশ্রয়শিবিরে ৫৬টি সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় অন্তত ৬৮ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১৭ জন রোহিঙ্গা মাঝি, ২১ জন আরসা সদস্য, ৩ জন আরএসও সদস্য, ১ জন স্বেচ্ছাসেবক ও অন্যরা সাধারণ রোহিঙ্গা।