ঢাকা ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গাজায় বোমা হামলা বন্ধ করার আহ্বান ম্যাখোঁর

গাজায় বোমা হামলা বন্ধ করার আহ্বান ম্যাখোঁর

ফরাসী প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ সংবাদ সংস্থা বিবিসিকে বলেছেন, ইসরায়েলকে গাজায় শিশু ও নারী হত্যা বন্ধ করতে হবে। এলিসি প্রাসাদে একান্ত সাক্ষাত্কারে তিনি আরো বলেছেন, বোমা হামলার ‘কোন যুক্তি নেই’ এবং যুদ্ধবিরতি ইসরায়েলের জন্য ভালো হবে।

ম্যাখোঁ বলেন, ‘ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকারকে স্বীকৃতি দেওয়ার সময়, গাজায় এই বোমাবর্ষণ বন্ধ করারও আহ্বান জানাই।’ তবে তিনি জোর দিয়ে এটাও বলেন, ‘ফ্রান্স হামাসের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের স্পষ্টভাবে নিন্দা জানায়।

ইসরায়েল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলোর মতো ফ্রান্সও হামাসকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন বলে মনে করে। ইসরায়েল বলেছে, তারা আন্তর্জাতিক আইনের মেনেই সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করছে এবং বেসামরিকদের হতাহতের সংখ্যা কমাতে পদক্ষেপ নিচ্ছে। যেমন হামলার আগে সতর্কতা জারি করা এবং লোকদের সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো। গাজা যুদ্ধ সম্পর্কে প্যারিসে একটি মানবিক সহায়তা সম্মেলনের পরের দিন বক্তৃতা করতে গিয়ে ম্যাক্রোঁ বলেন, “সেই শীর্ষ সম্মেলনে উপস্থিত সব সরকার ও সংস্থার স্পষ্ট উপসংহার ছিল, প্রথম মানবিক বিরতি ছাড়া অন্য কোনো সমাধান নেই।

যুদ্ধবিরতি যা (আমাদের) রক্ষা করবে…..বেসামরিক নাগরিকদের সন্ত্রাসীদের সঙ্গে কোন সম্পর্ক নেই। কিন্তু বেসামরিক মানুষদের ওপর বোমা হামলা করা হচ্ছে। এই শিশুরা, এই নারীরা, এই বৃদ্ধরা বোমা হামলায় নিহত হয়চ্ছে। এর কোনো কারণ নেই এবং কোন বৈধতা নেই।

তাই আমরা ইসরায়েলকে থামানোর জন্য অনুরোধ করছি।’ তিনি আরো বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গ হয়েছে কিনা তা বিচার করা আমার কাজ নয়।’
সাক্ষাত্কারে ম্যাখোঁ আরো বলেন, ‘আমরা ইসরায়েলের বেদনা ভাগ করে নিতে চাই। তারা সন্ত্রাসবাদ থেকে পরিত্রাণ পেতে চায় আমরাও তাই চাই। ফ্রান্সে সন্ত্রাসবাদ বলতে কী বোঝায় তা আমরা জানি।

তবে গাজায় বেসামরিক নাগরিকদের ওপর চলমান বোমা হামলার কোনো যুক্তি নেই। এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ম্যাক্রোঁর মন্তব্যের দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানিয়েন। তিনি বলেন, ‘দেশগুলোর উচিত হামাসকে নিন্দা করা, ইসরায়েলকে নয়।’ নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আজ গাজায় হামাস যে অপরাধ করছে তা আগামীকাল প্যারিস, নিউইয়র্ক এবং বিশ্বের যেকোনো স্থানে সংঘটিত হতে পারে।’

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজায় বোমা হামলা বন্ধ করার আহ্বান ম্যাখোঁর

আপডেট সময় ১২:১২:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ নভেম্বর ২০২৩

ফরাসী প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ সংবাদ সংস্থা বিবিসিকে বলেছেন, ইসরায়েলকে গাজায় শিশু ও নারী হত্যা বন্ধ করতে হবে। এলিসি প্রাসাদে একান্ত সাক্ষাত্কারে তিনি আরো বলেছেন, বোমা হামলার ‘কোন যুক্তি নেই’ এবং যুদ্ধবিরতি ইসরায়েলের জন্য ভালো হবে।

ম্যাখোঁ বলেন, ‘ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকারকে স্বীকৃতি দেওয়ার সময়, গাজায় এই বোমাবর্ষণ বন্ধ করারও আহ্বান জানাই।’ তবে তিনি জোর দিয়ে এটাও বলেন, ‘ফ্রান্স হামাসের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের স্পষ্টভাবে নিন্দা জানায়।

ইসরায়েল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলোর মতো ফ্রান্সও হামাসকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন বলে মনে করে। ইসরায়েল বলেছে, তারা আন্তর্জাতিক আইনের মেনেই সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করছে এবং বেসামরিকদের হতাহতের সংখ্যা কমাতে পদক্ষেপ নিচ্ছে। যেমন হামলার আগে সতর্কতা জারি করা এবং লোকদের সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো। গাজা যুদ্ধ সম্পর্কে প্যারিসে একটি মানবিক সহায়তা সম্মেলনের পরের দিন বক্তৃতা করতে গিয়ে ম্যাক্রোঁ বলেন, “সেই শীর্ষ সম্মেলনে উপস্থিত সব সরকার ও সংস্থার স্পষ্ট উপসংহার ছিল, প্রথম মানবিক বিরতি ছাড়া অন্য কোনো সমাধান নেই।

যুদ্ধবিরতি যা (আমাদের) রক্ষা করবে…..বেসামরিক নাগরিকদের সন্ত্রাসীদের সঙ্গে কোন সম্পর্ক নেই। কিন্তু বেসামরিক মানুষদের ওপর বোমা হামলা করা হচ্ছে। এই শিশুরা, এই নারীরা, এই বৃদ্ধরা বোমা হামলায় নিহত হয়চ্ছে। এর কোনো কারণ নেই এবং কোন বৈধতা নেই।

তাই আমরা ইসরায়েলকে থামানোর জন্য অনুরোধ করছি।’ তিনি আরো বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গ হয়েছে কিনা তা বিচার করা আমার কাজ নয়।’
সাক্ষাত্কারে ম্যাখোঁ আরো বলেন, ‘আমরা ইসরায়েলের বেদনা ভাগ করে নিতে চাই। তারা সন্ত্রাসবাদ থেকে পরিত্রাণ পেতে চায় আমরাও তাই চাই। ফ্রান্সে সন্ত্রাসবাদ বলতে কী বোঝায় তা আমরা জানি।

তবে গাজায় বেসামরিক নাগরিকদের ওপর চলমান বোমা হামলার কোনো যুক্তি নেই। এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ম্যাক্রোঁর মন্তব্যের দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানিয়েন। তিনি বলেন, ‘দেশগুলোর উচিত হামাসকে নিন্দা করা, ইসরায়েলকে নয়।’ নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আজ গাজায় হামাস যে অপরাধ করছে তা আগামীকাল প্যারিস, নিউইয়র্ক এবং বিশ্বের যেকোনো স্থানে সংঘটিত হতে পারে।’