ঢাকা ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কিশোরকণ্ঠ জাতীয় সায়েন্স ফিকশন লেখা প্রতিযোগিতা ২০২৩-এর পুরস্কার প্রদান কারামুক্ত নেতাদের নিয়ে রাজধানীতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল হস্তান্তর অনুষ্ঠিত আমার নাম শুনলেই প্রধানমন্ত্রী বলেন আমি সুদখোর: ড. মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রের উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিএনপি বৈঠক ‘বঙ্গবন্ধু’-অ্যাপ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিএনপির সময়ে ১৮ ঘণ্টা লোডশেডিং থাকত-ওবায়দুল কাদের আমরা গৃহপালিত দল হয়ে গেছি : জিএম কাদের পিরোজপুরে মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মলীগ সভাপতিকে কুপিয়ে জখম আর কোনো রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া সম্ভব নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পিটার হাসকে পেটানোর প্রকাশ্য হুমকিকে ‘সহিংস বক্তব্য’ আখ্যা মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৫২:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৩
  • ৯৯ বার পড়া হয়েছে

ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসকে পেটানোর প্রকাশ্য হুমকিকে ‘সহিংস বক্তব্য’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। এই বক্তব্যকে তারা অসহযোগিতামূলক আচরণ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

বুধবার (৮ নভেম্বর) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এসব মন্তব্য করেন উপপ্রধান মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর চাম্বল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক মুজিবুল হক চৌধুরী গত সোমবার এক সমাবেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসকে পেটানোর হুমকি দেন। তিনি তাঁর বক্তব্য নিজের ফেসবুক লাইভেও প্রচার করেন।

পিটার হাসকে উদ্দেশ্য করে মুজিবুলের দেওয়া হুমকির বিষয়টি গতকাল মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্রিফিংয়ে ওঠে। ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের জন্য বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখায় ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসকে পেটানোর প্রকাশ্য হুমকি দিয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় এক নেতা। বাংলাদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূতসহ দূতাবাসের কর্মীদের পাওয়া হুমকির মাত্রা ও নিরাপত্তা-সংক্রান্ত উদ্বেগকে তিনি কীভাবে মূল্যায়ন করবেন? বাংলাদেশে কূটনীতিক মিশন ও দূতাবাসকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সুনির্দিষ্ট কী পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন?

জবাবে বেদান্ত প্যাটেল বলেন, বিষয়টিকে তিনি বড় পরিসরে বলতে চান। সেটি হচ্ছে, মার্কিন কূটনীতিক ও দূতাবাসের নিরাপত্তার বিষয়টি তাঁদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি মনে করেন, এই ধরনের সহিংস বক্তব্য খুবই অসহযোগিতামূলক আচরণের বহিঃপ্রকাশ। তাঁরা আশা করেন, যেকোনো স্বাগতিক দেশের সরকার মার্কিন কূটনীতিক ও স্থাপনার নিরাপত্তা বজায় রাখতে সব ধরনের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এ প্রসঙ্গ ভিয়েনা কনভেনশনের বাধ্যবাধকতার কথা স্মরণ করিয়ে দেন বেদান্ত প্যাটেল।

একই সাংবাদিক ২০১৪ ও ২০১৮ সালের মতো ক্ষমতাসীন দলের ‘একতরফা’ নির্বাচনের চেষ্টা এবং বিরোধীদের গ্রেপ্তার নিয়ে আরেকটি প্রশ্ন করেন। জবাবে বেদান্ত প্যাটেল বলেন, তিনি বিষয়টি নিয়ে আলাদা করে কিছু বলবেন না। তবে তাঁরা বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক প্রার্থী বা দলকে সমর্থন করেন না। তাঁদের আশা-আকাঙ্ক্ষা হলো, বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন যেন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়। সে জন্য তাঁরা সরকার, বিরোধী দল, সুশীল সমাজ ও অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরকণ্ঠ জাতীয় সায়েন্স ফিকশন লেখা প্রতিযোগিতা ২০২৩-এর পুরস্কার প্রদান

পিটার হাসকে পেটানোর প্রকাশ্য হুমকিকে ‘সহিংস বক্তব্য’ আখ্যা মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের

আপডেট সময় ১২:৫২:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৩

ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসকে পেটানোর প্রকাশ্য হুমকিকে ‘সহিংস বক্তব্য’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। এই বক্তব্যকে তারা অসহযোগিতামূলক আচরণ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

বুধবার (৮ নভেম্বর) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এসব মন্তব্য করেন উপপ্রধান মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর চাম্বল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক মুজিবুল হক চৌধুরী গত সোমবার এক সমাবেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসকে পেটানোর হুমকি দেন। তিনি তাঁর বক্তব্য নিজের ফেসবুক লাইভেও প্রচার করেন।

পিটার হাসকে উদ্দেশ্য করে মুজিবুলের দেওয়া হুমকির বিষয়টি গতকাল মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্রিফিংয়ে ওঠে। ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের জন্য বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখায় ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসকে পেটানোর প্রকাশ্য হুমকি দিয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় এক নেতা। বাংলাদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূতসহ দূতাবাসের কর্মীদের পাওয়া হুমকির মাত্রা ও নিরাপত্তা-সংক্রান্ত উদ্বেগকে তিনি কীভাবে মূল্যায়ন করবেন? বাংলাদেশে কূটনীতিক মিশন ও দূতাবাসকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সুনির্দিষ্ট কী পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন?

জবাবে বেদান্ত প্যাটেল বলেন, বিষয়টিকে তিনি বড় পরিসরে বলতে চান। সেটি হচ্ছে, মার্কিন কূটনীতিক ও দূতাবাসের নিরাপত্তার বিষয়টি তাঁদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি মনে করেন, এই ধরনের সহিংস বক্তব্য খুবই অসহযোগিতামূলক আচরণের বহিঃপ্রকাশ। তাঁরা আশা করেন, যেকোনো স্বাগতিক দেশের সরকার মার্কিন কূটনীতিক ও স্থাপনার নিরাপত্তা বজায় রাখতে সব ধরনের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এ প্রসঙ্গ ভিয়েনা কনভেনশনের বাধ্যবাধকতার কথা স্মরণ করিয়ে দেন বেদান্ত প্যাটেল।

একই সাংবাদিক ২০১৪ ও ২০১৮ সালের মতো ক্ষমতাসীন দলের ‘একতরফা’ নির্বাচনের চেষ্টা এবং বিরোধীদের গ্রেপ্তার নিয়ে আরেকটি প্রশ্ন করেন। জবাবে বেদান্ত প্যাটেল বলেন, তিনি বিষয়টি নিয়ে আলাদা করে কিছু বলবেন না। তবে তাঁরা বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক প্রার্থী বা দলকে সমর্থন করেন না। তাঁদের আশা-আকাঙ্ক্ষা হলো, বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন যেন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়। সে জন্য তাঁরা সরকার, বিরোধী দল, সুশীল সমাজ ও অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন