ঢাকা ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আওয়ামী লীগ কখনো বিরোধী দল দমনের রাজনীতি করে না: ওবায়দুল কাদের

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগ কখনো বিরোধী দল দমনের রাজনীতি করে না।

বুধবার (৮ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেছেন।

তিনি বলেন, বিএনপি তথাকথিত রাজনৈতিক কর্মসূচি ও অবরোধের নামে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছে। গণতন্ত্রবিরোধী অপশক্তি বিএনপির গণতান্ত্রিক পন্থায় আন্দোলন করার শক্তি ও সামর্থ্য নেই। এ কারণেই তারা বরাবরের মতো অগ্নিসন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে। ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালের মতো অগ্নিসন্ত্রাসের মাধ্যমে নির্দয় আগুনের লেলিহান শিখায় পোড়াচ্ছে সারা দেশ, মেতে উঠেছে নির্বিচার ভাঙচুর ও সহিংসতায়। সরকারের দায়িত্ব হলো জনগণের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। জনগণের সুরক্ষায় সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, সন্ত্রাসী সংগঠন বিএনপির নেতারা ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনের নামে লাগাতার মিথ্যা, অপপ্রচার ও গুজব সৃষ্টি করছেন। তাদের নেতাকর্মীদের সন্ত্রাস সৃষ্টির নির্দেশনা দিচ্ছেন। একই সঙ্গে বিএনপি নেতারা তাদের দলীয় নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও গুমের মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করছেন। বিএনপির সন্ত্রাসী ক্যাডারবাহিনীর যারা যানবাহনে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর, সন্ত্রাস ও নাশকতা চালাচ্ছে, জনগণের জানমালের ওপর হামলা করছে, তারা নিজেরাই গ্রেফতার এড়াতে আত্মগোপনে থাকছে। অথচ বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে বরাবরের মতো গুমের মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রাজনৈতিক নেতাকর্মী বিবেচনায় নয়, কেবল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িতদেরই গ্রেফতার করছে। কোনো সন্ত্রাসী আত্মগোপনে থাকলে, তার দায় সরকারের উপর চাপানো যায় না। আওয়ামী লীগ কখনো গুম, খুন, অগ্নিসন্ত্রাস ও বিরোধী দল দমনের রাজনীতি করে না। গুম, খুন, সন্ত্রাসের রাজনীতি হলো বিএনপির মজ্জাগত আদর্শ। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সামরিক স্বৈরাচার জিয়াউর রহমান এদেশে গুম ও খুনের অপরাজনীতির প্রচলন করেছিল।

জনপ্রিয় সংবাদ

আওয়ামী লীগ কখনো বিরোধী দল দমনের রাজনীতি করে না: ওবায়দুল কাদের

আপডেট সময় ০৫:৩০:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ নভেম্বর ২০২৩

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগ কখনো বিরোধী দল দমনের রাজনীতি করে না।

বুধবার (৮ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেছেন।

তিনি বলেন, বিএনপি তথাকথিত রাজনৈতিক কর্মসূচি ও অবরোধের নামে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছে। গণতন্ত্রবিরোধী অপশক্তি বিএনপির গণতান্ত্রিক পন্থায় আন্দোলন করার শক্তি ও সামর্থ্য নেই। এ কারণেই তারা বরাবরের মতো অগ্নিসন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে। ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালের মতো অগ্নিসন্ত্রাসের মাধ্যমে নির্দয় আগুনের লেলিহান শিখায় পোড়াচ্ছে সারা দেশ, মেতে উঠেছে নির্বিচার ভাঙচুর ও সহিংসতায়। সরকারের দায়িত্ব হলো জনগণের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। জনগণের সুরক্ষায় সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, সন্ত্রাসী সংগঠন বিএনপির নেতারা ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনের নামে লাগাতার মিথ্যা, অপপ্রচার ও গুজব সৃষ্টি করছেন। তাদের নেতাকর্মীদের সন্ত্রাস সৃষ্টির নির্দেশনা দিচ্ছেন। একই সঙ্গে বিএনপি নেতারা তাদের দলীয় নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও গুমের মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করছেন। বিএনপির সন্ত্রাসী ক্যাডারবাহিনীর যারা যানবাহনে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর, সন্ত্রাস ও নাশকতা চালাচ্ছে, জনগণের জানমালের ওপর হামলা করছে, তারা নিজেরাই গ্রেফতার এড়াতে আত্মগোপনে থাকছে। অথচ বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে বরাবরের মতো গুমের মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রাজনৈতিক নেতাকর্মী বিবেচনায় নয়, কেবল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িতদেরই গ্রেফতার করছে। কোনো সন্ত্রাসী আত্মগোপনে থাকলে, তার দায় সরকারের উপর চাপানো যায় না। আওয়ামী লীগ কখনো গুম, খুন, অগ্নিসন্ত্রাস ও বিরোধী দল দমনের রাজনীতি করে না। গুম, খুন, সন্ত্রাসের রাজনীতি হলো বিএনপির মজ্জাগত আদর্শ। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সামরিক স্বৈরাচার জিয়াউর রহমান এদেশে গুম ও খুনের অপরাজনীতির প্রচলন করেছিল।