ঢাকা ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাদুড়ের মাংস খেয়ে কঙ্গোতে ৫৩ জনের মৃত্যু

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:২৩:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 0 Views

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে একটি অজ্ঞাত রোগ ছড়িয়ে পড়েছে, যার ফলে গত পাঁচ সপ্তাহে অন্তত ৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) তথ্যের ভিত্তিতে খবরটি প্রকাশ করেছে ওয়াশিংটন পোস্ট।

মঙ্গলবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, ইকুয়াতর প্রদেশের দুটি গ্রামে এই রহস্যময় রোগের কারণে ৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৪১৯ জন।

গত ২১ জানুয়ারি থেকে এই সংক্রমণ শুরু হয় এবং রোগটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে হু। তবে, এখনও রোগটির কারণ এবং কীভাবে এটি ছড়াচ্ছে, সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আফ্রিকা অফিস জানিয়েছে, বোলোকো শহরের তিন শিশুর শরীরে প্রথম এই রোগ শনাক্ত হয়। জানা গেছে, ওই শিশুরা বাদুড়ের মাংস খেয়েছিল। এরপর তাদের মধ্যে তীব্র জ্বর দেখা দেয় এবং ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে একটি শিশু মারা যায়।

আক্রান্তদের ইবোলা ও মারবার্গ ভাইরাসের পরীক্ষা করা হলেও এই রোগগুলির উপস্থিতি শনাক্ত হয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাদুড়ের মাংস খেয়ে কঙ্গোতে ৫৩ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় ০৯:২৩:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে একটি অজ্ঞাত রোগ ছড়িয়ে পড়েছে, যার ফলে গত পাঁচ সপ্তাহে অন্তত ৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) তথ্যের ভিত্তিতে খবরটি প্রকাশ করেছে ওয়াশিংটন পোস্ট।

মঙ্গলবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, ইকুয়াতর প্রদেশের দুটি গ্রামে এই রহস্যময় রোগের কারণে ৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৪১৯ জন।

গত ২১ জানুয়ারি থেকে এই সংক্রমণ শুরু হয় এবং রোগটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে হু। তবে, এখনও রোগটির কারণ এবং কীভাবে এটি ছড়াচ্ছে, সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আফ্রিকা অফিস জানিয়েছে, বোলোকো শহরের তিন শিশুর শরীরে প্রথম এই রোগ শনাক্ত হয়। জানা গেছে, ওই শিশুরা বাদুড়ের মাংস খেয়েছিল। এরপর তাদের মধ্যে তীব্র জ্বর দেখা দেয় এবং ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে একটি শিশু মারা যায়।

আক্রান্তদের ইবোলা ও মারবার্গ ভাইরাসের পরীক্ষা করা হলেও এই রোগগুলির উপস্থিতি শনাক্ত হয়নি।