ঢাকা ০৩:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মুন্সিগঞ্জে সেপ্টিকট্যাংকে কাজ করতে গিয়ে তিন শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু   Logo আমরা দুইটা ভুল করেছি, একটা স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়ে : ফাতিমা তাসনীম Logo জামায়াতের অমুসলিম শাখায় যোগ দিলেন ১১ হিন্দু ধর্মাবলম্বী Logo আমি যে ছাত্রীসংস্থা নই, এটা প্রমাণে কি ঘন ঘন হিজাব ছাড়া ছবি আপলোড দিতে হবে? Logo চবিতে আবারও উত্তেজনা, দফায় দফায় ধাওয়া-পালটা ধাওয়া চলছে Logo হাসনাতকে উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা Logo সকাল থেকে থমথমে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় Logo রাকসু কোষাধ্যক্ষের কার্যালয়ে ছাত্রদলের ভাঙচুর ও তালা Logo নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সবুজ এখন ছাত্রদল নেতা Logo তা’মীরুল মিল্লাত টঙ্গীতে আন্দোলনের জের: শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ওপর প্রতিশোধের অভিযোগ

অক্টোবরে সড়কে ঝরেছে ৪৭৫ প্রাণ

অক্টোবরে সড়কে ঝরেছে ৪৭৫ প্রাণ

চলতি বছরের অক্টোবর মাসে দেশে ৪৫২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৭৫ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন ৮১৫ জন। শনিবার (২৩ নভেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অক্টোবরে রেলপথে ৬৩টি দুর্ঘটনায় ৭৬ জন নিহতের পাশাপাশি ২৪ জন আহত হয়েছেন। নৌপথে ১৯টি দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত এবং ৩৬ জন আহত হয়েছেন, নিখোঁজ রয়েছেন ৯ জন। এছাড়া এই সময়ে ১৩৮টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৬৩ জন নিহত ও ২৩৯ জন আহত হয়েছেন, যা মোট দুর্ঘটনার ৩০ দশমিক ৫৩ শতাংশ, নিহতের ৩৪ দশমিক ৩১ শতাংশ ও আহতের ২৯ দশমিক ৩২ শতাংশ।

যাত্রী কল্যাণ সমিতি আরও জানায়, সড়ক দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে ১৭ জন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ১৪৯ জন চালক, ১৩৭ জন পথচারী, ৫১ জন পরিবহন শ্রমিক, ৭৩ জন শিক্ষার্থী, ১৮ জন শিক্ষক, ৭৬ জন নারী, ৬২ জন শিশু, ৫ জন চিকিৎসক, ৯ জন সাংবাদিক এবং ১৩ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী বলে পরিচয় মিলেছে। তাদের মধ্যে নিহত হয়েছেন ৬ পুলিশ সদস্য, ৩ সেনা সদস্য, ১ আনসার সদস্য, ১২৪ জন বিভিন্ন পরিবহনের চালক, ১১৭ জন পথচারী, ৫৮ জন নারী, ৫১ জন শিশু, ৪৯ জন শিক্ষার্থী, ৩২ জন পরিবহন শ্রমিক, ১৫ জন শিক্ষক, ৪ জন চিকিৎসক, ৬ জন সাংবাদিক, ১৬ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী।

আর সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৪৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ গাড়িচাপা দেওয়ার ঘটনা, ২৫ দশমিক ২৫ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৪ দশমিক ৭৭ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে, ৯ দশমিক ৫১ শতাংশ বিবিধ কারণে, শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ ট্রেন-যানবাহনে সংঘর্ষ এবং চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণে সেপ্টেম্বর মাসে সড়ক দুর্ঘটনার উল্লেখযোগ্য কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে দেশের সড়ক-মহাসড়কে ট্রাফিক পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশের অনুপস্থিতির সুযোগে আইন লঙ্ঘন করে যানবাহনের অবাধ চলাচল। জাতীয় মহাসড়কে রোড সাইন বা রোড মার্কিং, সড়কবাতি না থাকায় এবং অতি বৃষ্টির কারণে সড়কের মাঝে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় এসব গর্তের কারণে যানবাহন চলাচলে ঝুঁকি বেড়েছে।

জাতীয়, আঞ্চলিক ও ফিডার রোডে টানিং চিহ্ন না থাকার ফলে নতুন চালকের এসব সড়কে দুর্ঘটনায় পতিত হয়েছে। মহাসড়কের নির্মাণ ত্রুটি, যানবাহনের ত্রুটি, ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতা, উল্টোপথে যানবাহন চালানো, সড়কে চাদাঁবাজি, পণ্যবাহী যানে যাত্রী পরিবহন। অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অতিরিক্ত যাত্রী বহন, বেপরোয়া যানবাহন চালানো এবং একজন চালক অতিরিক্ত সময় ধরে যানবাহন চালানো সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ।

জনপ্রিয় সংবাদ

মুন্সিগঞ্জে সেপ্টিকট্যাংকে কাজ করতে গিয়ে তিন শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু  

অক্টোবরে সড়কে ঝরেছে ৪৭৫ প্রাণ

আপডেট সময় ০৫:২৮:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৪

চলতি বছরের অক্টোবর মাসে দেশে ৪৫২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৭৫ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন ৮১৫ জন। শনিবার (২৩ নভেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অক্টোবরে রেলপথে ৬৩টি দুর্ঘটনায় ৭৬ জন নিহতের পাশাপাশি ২৪ জন আহত হয়েছেন। নৌপথে ১৯টি দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত এবং ৩৬ জন আহত হয়েছেন, নিখোঁজ রয়েছেন ৯ জন। এছাড়া এই সময়ে ১৩৮টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৬৩ জন নিহত ও ২৩৯ জন আহত হয়েছেন, যা মোট দুর্ঘটনার ৩০ দশমিক ৫৩ শতাংশ, নিহতের ৩৪ দশমিক ৩১ শতাংশ ও আহতের ২৯ দশমিক ৩২ শতাংশ।

যাত্রী কল্যাণ সমিতি আরও জানায়, সড়ক দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে ১৭ জন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ১৪৯ জন চালক, ১৩৭ জন পথচারী, ৫১ জন পরিবহন শ্রমিক, ৭৩ জন শিক্ষার্থী, ১৮ জন শিক্ষক, ৭৬ জন নারী, ৬২ জন শিশু, ৫ জন চিকিৎসক, ৯ জন সাংবাদিক এবং ১৩ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী বলে পরিচয় মিলেছে। তাদের মধ্যে নিহত হয়েছেন ৬ পুলিশ সদস্য, ৩ সেনা সদস্য, ১ আনসার সদস্য, ১২৪ জন বিভিন্ন পরিবহনের চালক, ১১৭ জন পথচারী, ৫৮ জন নারী, ৫১ জন শিশু, ৪৯ জন শিক্ষার্থী, ৩২ জন পরিবহন শ্রমিক, ১৫ জন শিক্ষক, ৪ জন চিকিৎসক, ৬ জন সাংবাদিক, ১৬ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী।

আর সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৪৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ গাড়িচাপা দেওয়ার ঘটনা, ২৫ দশমিক ২৫ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৪ দশমিক ৭৭ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে, ৯ দশমিক ৫১ শতাংশ বিবিধ কারণে, শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ ট্রেন-যানবাহনে সংঘর্ষ এবং চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণে সেপ্টেম্বর মাসে সড়ক দুর্ঘটনার উল্লেখযোগ্য কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে দেশের সড়ক-মহাসড়কে ট্রাফিক পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশের অনুপস্থিতির সুযোগে আইন লঙ্ঘন করে যানবাহনের অবাধ চলাচল। জাতীয় মহাসড়কে রোড সাইন বা রোড মার্কিং, সড়কবাতি না থাকায় এবং অতি বৃষ্টির কারণে সড়কের মাঝে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় এসব গর্তের কারণে যানবাহন চলাচলে ঝুঁকি বেড়েছে।

জাতীয়, আঞ্চলিক ও ফিডার রোডে টানিং চিহ্ন না থাকার ফলে নতুন চালকের এসব সড়কে দুর্ঘটনায় পতিত হয়েছে। মহাসড়কের নির্মাণ ত্রুটি, যানবাহনের ত্রুটি, ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতা, উল্টোপথে যানবাহন চালানো, সড়কে চাদাঁবাজি, পণ্যবাহী যানে যাত্রী পরিবহন। অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অতিরিক্ত যাত্রী বহন, বেপরোয়া যানবাহন চালানো এবং একজন চালক অতিরিক্ত সময় ধরে যানবাহন চালানো সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ।