ঢাকা ০৮:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

অবরোধের দ্বিতীয় দিনে যাত্রী অভাব, দেরিতে ছাড়ছে লঞ্চ

অবরোধের দ্বিতীয় দিনে যাত্রী অভাব, দেরিতে ছাড়ছে লঞ্চ

বিএনপি-জামায়াতের অবরোধের দ্বিতীয় দিন আজ। এদিন সড়কে যানবাহন চললেও সদরঘাটে ছিল ভিন্ন চিত্র। যাত্রীর অভাবে তিন ঘণ্টা পর পর ছেড়ে যাচ্ছে লঞ্চ। সকালে মাত্র একটি লঞ্চ ছেড়ে গেছে।

বুধবার (১ নভেম্বর) রাজধানীর সদরঘাটে গিয়ে দেখা যায়, যাত্রী কম থাকায় লঞ্চগুলো দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে। বার বার সাইরেন বাজিয়েও যাত্রী মিলছে না। ফলে লঞ্চসংশ্লিষ্টরাসহ সদরঘাটের হকাররাও অলস সময় কাটাচ্ছেন।

বোগদাদিয়া-৭ লঞ্চের ম্যানেজার জহিরুল বলেন, তিন ঘণ্টা পর পর লঞ্চ ছাড়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবুও যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে বিলম্বিত হচ্ছে যাত্রা। এরমধ্যে সকাল ৭টায় একটি লঞ্চ যাওয়ার পর সাড়ে ৯টায় আরেকটি লঞ্চ ছাড়ে। এরপর দুপুর সাড়ে ১২টায় আরেকটি লঞ্চ ছাড়ার কথা রয়েছে। এরপর দুপুর সাড়ে ৩টায় লঞ্চ ছাড়বে।

তিনি বলেন, ঘাটে তিনি ঘণ্টা বসে থেকেও লঞ্চে যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে না। চাঁদপুরগামী ঘাটে কখনো যাত্রীর খরা ছিল না, কিন্ত অবরোধের কারণে যাত্রীই আসে না। লস দিয়ে লঞ্চ চালাতে হচ্ছে।

একই পরিস্থিতি ভোলাগামী ঘাটে। ভোর ৬টা থেকে ৩টি লঞ্চ ছেড়ে যাওয়ার পর বেলা ২টার আগে এ ঘাট থেকে কোনো লঞ্চ ছাড়বে না বলে জানিয়েছেন এমভি ওয়ালিদ লঞ্চের কেবিন বয় তারেক আজিজ। তিনি বলেন, এখন ঘাটে কোনো লঞ্চ নেই। বেলা ২টার পর আবার লঞ্চ ছাড়বে। চাঁদপুরগামী যাত্রী লেয়াকত বলেন, আড়াই ঘণ্টা বসে আছি লঞ্চের জন্য। আগে আধা ঘণ্টা, এক ঘণ্টা পর পর লঞ্চ ছেড়ে যেত। এখন তিন ঘণ্টা পর পর ছাড়ছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতি আপাতত স্থগিত: উপাচার্য

অবরোধের দ্বিতীয় দিনে যাত্রী অভাব, দেরিতে ছাড়ছে লঞ্চ

আপডেট সময় ১১:১৯:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ নভেম্বর ২০২৩

বিএনপি-জামায়াতের অবরোধের দ্বিতীয় দিন আজ। এদিন সড়কে যানবাহন চললেও সদরঘাটে ছিল ভিন্ন চিত্র। যাত্রীর অভাবে তিন ঘণ্টা পর পর ছেড়ে যাচ্ছে লঞ্চ। সকালে মাত্র একটি লঞ্চ ছেড়ে গেছে।

বুধবার (১ নভেম্বর) রাজধানীর সদরঘাটে গিয়ে দেখা যায়, যাত্রী কম থাকায় লঞ্চগুলো দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে। বার বার সাইরেন বাজিয়েও যাত্রী মিলছে না। ফলে লঞ্চসংশ্লিষ্টরাসহ সদরঘাটের হকাররাও অলস সময় কাটাচ্ছেন।

বোগদাদিয়া-৭ লঞ্চের ম্যানেজার জহিরুল বলেন, তিন ঘণ্টা পর পর লঞ্চ ছাড়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবুও যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে বিলম্বিত হচ্ছে যাত্রা। এরমধ্যে সকাল ৭টায় একটি লঞ্চ যাওয়ার পর সাড়ে ৯টায় আরেকটি লঞ্চ ছাড়ে। এরপর দুপুর সাড়ে ১২টায় আরেকটি লঞ্চ ছাড়ার কথা রয়েছে। এরপর দুপুর সাড়ে ৩টায় লঞ্চ ছাড়বে।

তিনি বলেন, ঘাটে তিনি ঘণ্টা বসে থেকেও লঞ্চে যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে না। চাঁদপুরগামী ঘাটে কখনো যাত্রীর খরা ছিল না, কিন্ত অবরোধের কারণে যাত্রীই আসে না। লস দিয়ে লঞ্চ চালাতে হচ্ছে।

একই পরিস্থিতি ভোলাগামী ঘাটে। ভোর ৬টা থেকে ৩টি লঞ্চ ছেড়ে যাওয়ার পর বেলা ২টার আগে এ ঘাট থেকে কোনো লঞ্চ ছাড়বে না বলে জানিয়েছেন এমভি ওয়ালিদ লঞ্চের কেবিন বয় তারেক আজিজ। তিনি বলেন, এখন ঘাটে কোনো লঞ্চ নেই। বেলা ২টার পর আবার লঞ্চ ছাড়বে। চাঁদপুরগামী যাত্রী লেয়াকত বলেন, আড়াই ঘণ্টা বসে আছি লঞ্চের জন্য। আগে আধা ঘণ্টা, এক ঘণ্টা পর পর লঞ্চ ছেড়ে যেত। এখন তিন ঘণ্টা পর পর ছাড়ছে।