ঢাকা ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গুজরাটে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ১৮ জনের মৃত্যু Logo চীনে সেভেন সিস্টার্স নিয়ে যা বলেছিলেন ড. ইউনূস? যেজন্য হতভম্ব ভারত Logo জামায়াতের ঈদ উপলক্ষে প্রীতি ভোজের ঘটনায় বিএনপি – যুবলীগের হামলা Logo শহীদ নাসিব হাসান রিহান-এর পরিবারের সদস্যদের সাথে আমীরে জামায়াতের ঈদ কুশল বিনিময় Logo ড. ইউনূসকে শেহবাজের ফোন, পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ Logo মিয়ানমারে ভূমিকম্প: ২ হাজার ছাড়াল নিহতের সংখ্যা Logo গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: খালেদা জিয়া Logo ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের পদত্যাগ Logo ঈদের নামাজ শেষে ‘জয় বাংলা’স্লোগান, বিএনপির সাথে সংঘর্ষ গুলিবিদ্ধ ১ Logo আইপিএলসহ টিভিতে যা দেকবেন আজ

টিকটকের কার্যালয় বন্ধ করতে বলল কানাডা সরকার

জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে কানাডায় টিকটকের সকল কার্যালয় বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। তবে এখনই নাগরিকদের টিকটক ব্যবহারে কোন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি কানাডা প্রশাসন।

বুধবার (০৬ নভেম্বর) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা উল্লেখ উল্লেখ চীনভিত্তিক ‘বাইটড্যান্স’-এর মালিকানাধীন টিকটকের সকল কার্যালয় বন্ধের আদেশ জারি করেছে কানাডার সরকার।

কানাডার উদ্ভাবন, বিজ্ঞান ও শিল্পমন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া-ফিলিপ শ্যামপেইন বলেন, টিকটকের মূল কোম্পানি বাইটড্যান্সের কার্যক্রম সম্পর্কিত নির্দিষ্ট জাতীয় নিরাপত্তার ঝুঁকি মোকাবিলা করতে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার। চীনভিত্তিক বাইটড্যান্সের মালিকানাধীন হওয়ায় নজরদারি রয়েছে টিকটকের ওপর। তবে কানাডায় টিকটক ব্যবহারের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হচ্ছে না। কারণ, সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ্লিকেশন বা প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত একটি ব্যক্তিগত পছন্দ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

গত বছর সকল সরকারি ডিভাইস থেকে টিকটক নিষিদ্ধ করে অ্যাপ্লিকেশনটির নিরাপত্তা পর্যালোচনা শুরু করেছিল দেশটির সরকার। শ্যামপেইন বলেন, এই সিদ্ধান্তটি একটি আইন অনুসারে নেওয়া হয়েছে, যা বিদেশি বিনিয়োগগুলোর পর্যালোচনা করার অনুমতি দেয়। কানাডার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে সেসব কোম্পানিকে পর্যালোচনা করে কানাডা।

অবশ্য এই সিদ্ধান্তকে আদালতে চ্যালেঞ্জের দাবি করে টিকটকের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে জানান, টিকটকের কানাডার অফিস বন্ধ করা এবং শত শত কর্মসংস্থান ধ্বংস করা কারোরই জন্য মঙ্গলজনক নয়। কেবল কানাডা নয়, বাইটড্যান্সের মালিকানাধীন থাকলে টিকটককে যুক্তরাষ্ট্রেও নিষিদ্ধ করা হবে। এরই মধ্যে এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে কোম্পানি ফেডারেল আপিল কোর্টে লড়াই করছে টিকটক। এটি বাক স্বাধীনতার অধিকার লঙ্ঘন করে বলে দাবি করছে কোম্পানিটি। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অভিযোগ, টিকটক বেইজিংকে ব্যবহারকারীদের ডেটা সংগ্রহ করতে এবং তাদের ওপর নজরদারি চালাতে অনুমতি দেয়। এমনকি এই অ্যাপটি গুজব ছড়ায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

গুজরাটে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ১৮ জনের মৃত্যু

টিকটকের কার্যালয় বন্ধ করতে বলল কানাডা সরকার

আপডেট সময় ০৭:১৯:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ নভেম্বর ২০২৪

জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে কানাডায় টিকটকের সকল কার্যালয় বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। তবে এখনই নাগরিকদের টিকটক ব্যবহারে কোন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি কানাডা প্রশাসন।

বুধবার (০৬ নভেম্বর) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা উল্লেখ উল্লেখ চীনভিত্তিক ‘বাইটড্যান্স’-এর মালিকানাধীন টিকটকের সকল কার্যালয় বন্ধের আদেশ জারি করেছে কানাডার সরকার।

কানাডার উদ্ভাবন, বিজ্ঞান ও শিল্পমন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া-ফিলিপ শ্যামপেইন বলেন, টিকটকের মূল কোম্পানি বাইটড্যান্সের কার্যক্রম সম্পর্কিত নির্দিষ্ট জাতীয় নিরাপত্তার ঝুঁকি মোকাবিলা করতে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার। চীনভিত্তিক বাইটড্যান্সের মালিকানাধীন হওয়ায় নজরদারি রয়েছে টিকটকের ওপর। তবে কানাডায় টিকটক ব্যবহারের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হচ্ছে না। কারণ, সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ্লিকেশন বা প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত একটি ব্যক্তিগত পছন্দ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

গত বছর সকল সরকারি ডিভাইস থেকে টিকটক নিষিদ্ধ করে অ্যাপ্লিকেশনটির নিরাপত্তা পর্যালোচনা শুরু করেছিল দেশটির সরকার। শ্যামপেইন বলেন, এই সিদ্ধান্তটি একটি আইন অনুসারে নেওয়া হয়েছে, যা বিদেশি বিনিয়োগগুলোর পর্যালোচনা করার অনুমতি দেয়। কানাডার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে সেসব কোম্পানিকে পর্যালোচনা করে কানাডা।

অবশ্য এই সিদ্ধান্তকে আদালতে চ্যালেঞ্জের দাবি করে টিকটকের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে জানান, টিকটকের কানাডার অফিস বন্ধ করা এবং শত শত কর্মসংস্থান ধ্বংস করা কারোরই জন্য মঙ্গলজনক নয়। কেবল কানাডা নয়, বাইটড্যান্সের মালিকানাধীন থাকলে টিকটককে যুক্তরাষ্ট্রেও নিষিদ্ধ করা হবে। এরই মধ্যে এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে কোম্পানি ফেডারেল আপিল কোর্টে লড়াই করছে টিকটক। এটি বাক স্বাধীনতার অধিকার লঙ্ঘন করে বলে দাবি করছে কোম্পানিটি। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অভিযোগ, টিকটক বেইজিংকে ব্যবহারকারীদের ডেটা সংগ্রহ করতে এবং তাদের ওপর নজরদারি চালাতে অনুমতি দেয়। এমনকি এই অ্যাপটি গুজব ছড়ায়।