ঢাকা ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কিশোরকণ্ঠ জাতীয় সায়েন্স ফিকশন লেখা প্রতিযোগিতা ২০২৩-এর পুরস্কার প্রদান কারামুক্ত নেতাদের নিয়ে রাজধানীতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল হস্তান্তর অনুষ্ঠিত আমার নাম শুনলেই প্রধানমন্ত্রী বলেন আমি সুদখোর: ড. মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রের উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিএনপি বৈঠক ‘বঙ্গবন্ধু’-অ্যাপ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিএনপির সময়ে ১৮ ঘণ্টা লোডশেডিং থাকত-ওবায়দুল কাদের আমরা গৃহপালিত দল হয়ে গেছি : জিএম কাদের পিরোজপুরে মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মলীগ সভাপতিকে কুপিয়ে জখম আর কোনো রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া সম্ভব নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

৮৭ রানের লজ্জার হার বাংলাদেশের

৮৭ রানের লজ্জার হার বাংলাদেশের

নেদারল্যান্ডসকে পেয়েও হারের বৃত্ত থেতে বের হতে পারলো না বাংলাদেশ। নিজেদের ষষ্ঠ ম্যাচে ডাচদের বিপক্ষে ৮৭ রানের লজ্জার হার নিয়ে মাঠ ছেড়েছে সাকিব আল হাসানের দল। নেদারল্যান্ডসের দেয়া ২৩০ রানের ‘সহজ’ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৪২ রানেই গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশ। টানা পাঁচ হারে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে চলে গেছে বাংলাদেশ। নিজেদের খেলা ছয় ম্যাচের মধ্যে শুধুমাত্র আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।

শনিবার (২৮ অক্টোবর) কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে ২৩০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দলীয় ১৯ রানেই সাজঘরে ফিরে যান ওপেনার লিটন দাস ও তানজিদ হাসান তামিম। ইনিংসের ৪ দশমিক ২ ওভারে আরিয়ানের শিকার হয়ে ফেরার আগে লিটন করেন ১২ বলে মাত্র ৩ রান। তিনি উইকেটরক্ষক এডওয়ার্সের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন। ব্যাটিংয়ে নেমে ভালো শুরুর আভাস দিয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি আরেক ওপেনার তানজিদ। ১৬ বলে ৩ চারে ১৫ করা তানজিদও ফিরে যান দলের ১৯ রানে। ভ্যান বিকের বলে তিনিও ধরা পড়েন উইকেটরক্ষকের হাতে। প্রথম পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশ তোলে ৩৯ রান। এই ম্যাচে নাজমুল হোসেন শান্তও আশাহত করেছেন দলকে। ১৮ বলে মাত্র ৯ রান করে ম্যাকেরেনের শিকার হয়ে ফেরেন শান্ত। ৪৫ রানেই ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

চলতি আসরে ব্যাট হাসছে না টাইগার দলপতি সাকিবের। তাই নেদারল্যান্ডস ম্যাচের আগে উড়ে এসেছিলেন মিরপুরে। নিজের ব্যাটিং নিয়ে কাজ করেন তার শৈশবের গুরু নাজমূল আবেদীনের অধীনে। তবে এই ম্যাচেও হাসেনি তার ব্যাট। উইকেটরক্ষক এডওয়ার্সের হাতে ম্যাকেরেনের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে সাকিব করেন মাত্র ৫ রান। খেলেন ১৪টি বল। এদিন তিন নম্বরে ব্যাটিং করার সুযোগ পান অলরাউন্ডার মিরাজ। দারুণ শুরুও পেয়েছিলেন তিনি। তবে ব্যক্তিগত ৩৫ রানে ডি লিডের বলে তিনিও উইকেটরক্ষককে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। ৪০ বলের মোকাবিলায় তিনি একটি ছক্কা ও ৫টি চার মারেন। মিরাজের বিদায়ে ৬৯ রানেই ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকের কাঁধে দায়িত্ব পড়ে দলের হার ধরার। তবে তিনিও ব্যর্থ হন ম্যাচে। ম্যাকেরেনের বলে মাত্র ১ রানে বোল্ড হয়ে মুশফিক ফিরলে ৭০ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে অনেকটা পরাজয় স্বীকার করে নেয় বাংলাদেশ।

আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ এবং এ ম্যাচের একাদশে ফেরা মেহেদী হাসানের রানের জুটি পরাজয়ের ব্যবধান কমালেও জয় এনে দিতে পারেনি বাংলাদেশকে। এই জুটিতে আসে ৩৮ রান। মেহেদী ৩৮ বলে ১৭ রান করে ডি লিডের সরাসরি থ্রোতে রানআউট হয়ে ফেরেন। বাংলাদেশ ১০৮ রানেই হারায় ৭ উইকেট। ডি লিডের বলে শর্টে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে মাহমুদউল্লাহ করেন ২০ রান। শেষদিকে মোস্তাফিজের ২০ রানে ব্যবধান আরও কিছুটা কমায় বাংলাদেশ। নেদারল্যান্ডসের পেসার বোলার ম্যাকেরেন ২৩ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। এছাড়া ডি লিড দুইটি এবং আরিয়ান ও ভ্যান বিক একটি করে উইকেট নেন।

এর আগে, টসে হেরে ফিল্ডিংয়ে নামে বাংলাদেশ। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ডাচ ওপেনার বিক্রমজিৎকে সাজঘরে ফেরান তাসকিন। সাকিব আল হাসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে বিক্রমজিৎ করেন ৩ রান। তাকসিনের আঘাতের পরের ওভারের প্রথম বলেই ম্যাক্স ও’ডাউডকে ফেরান শরীফুল। রানের খাতা খোলার আগেই তানজিদ তামিমের ক্যাচে পরিণত হন ও’ডাউড। ৪ রানে ২ উইকেট তুলে নিয়ে ডাচদের চেপে ধরে বাংলাদেশ।

এরপর হাল ধরেন এ ম্যাচের একাদশে জায়গা পাওয়া বারেসি। তাকে সঙ্গ দেন কোলিন অ্যাকারম্যান। পাওয়ার প্লেতে আর কোনো উইকেট না হারিয়ে ৪৭ রান তুলে নেয় নেদারল্যান্ডস। বারেসি-অ্যাকারম্যান জুটি ৬৮ বলে ৫৯ রান তোলে। তবে অর্ধশতকের দিকে আগানো বারেসিকে ব্যক্তিগত ৪১ রানে ফেরান মোস্তাফিজ। সাকিবের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে বারেসি ৪১ বলে ৮টি চার মারে এই রান করেন। পরে ওভারে ডাচ শিবিরে আঘাত হানেন অধিনায়ক সাকিব। তার বলে মোস্তাফিজের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন রানের জন্য ভুগতে থাকা অ্যাকারম্যান। তিনি ৩৩ বলের মোকাবিলায় ১৫ রান করেন। ৬৩ রানে ৪ উইকেট তুলে নিয়ে ডাচদের আবার চেপে ধরেন সাকিব-মোস্তাফিজরা।

নতুন ব্যাটার বাস ডি লিডকে নিয়ে সেই চাপ কিছুটা সামাল দেন অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্স। এই জুটিতে ভর করে ২৫ দশমিক ২ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে দলীয় ১০০ রান পূর্ণ করে ডাচরা। তবে এর পরই ডাচ শিবিরে আবার আঘাত আনেন তাসকিন। তিনি ফেরান ১৭ রান করা ডি লিডকে। উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরা লিডকে প্রথমে আউট দেননি অ্যাম্পায়ার। রিভিউ নিয়ে তাকে ফেরায় বাংলাদেশ। ৪৪ রানের এই জুটি ভাঙ্গায় ১০৭ রানে ৫ উইকেট হারায় নেদারল্যান্ডস।

পরে সাইব্র্যান্ড এনজেলব্রাখকে নিয়ে আবার জুটি গড়েন অধিনায়ক এডওয়ার্স। তিনি একপ্রান্তে দলের হাল ধরে ৭৮ বলে ৩ চারে তুলে নেন অর্ধশতক। এটি চলতি আসরে তার দ্বিতীয় অর্ধশতক। পাশাপাশি ডাচদের হয়ে সর্বোচ্চ ১৫টি অর্ধশতকের রেকর্ডও গড়েন তিনি। নিজের মাইলফক ছোঁয়ার পর দ্রুত রান তুলতে থাকেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৮৯ বলে ৬৮ রান করে মোস্তাফিজের দ্বিতীয় শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। মিরাজের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে সাইব্র্যান্ডের সাথে গড়েন ৭৮ রানের জুটি। ডাচ অধিনায়কের ইনিংসটি সাজানো ছিল ৬টি চারে। পরের ওভারে সেট ব্যাটার সাইব্র্যান্ডকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন শেখ মেহেদী। ফেরার আগে তিনি ৬১ বলে ৩৫ রান করেন।

এরপর শারিজ আহমাদ রান আউট হয়ে ফিরলে ১৯৪ রানেই ৮ উইকেট হারায় নেদারল্যান্ডস। দলীয় ২১২ রানে শরীফুলের দ্বিতীয় শিকার হন আরিয়ান। তবে ইনিংসের শেষ বলে মেহেদীর বলে এলবিডব্লিউয়ে কাটা পড়েন ম্যাকেরেন। অলআউট হয়ে নেদার‍ল্যান্ডস। ভ্যান বিক ১৬ বলে ২৩ রানে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের পক্ষে মোস্তাফিজ-তাসকিন-মেহেদী-শরীফুল দুইটি করে উইকেট শিকার করেন। আর সাকিব নেন এক উইকেট।

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরকণ্ঠ জাতীয় সায়েন্স ফিকশন লেখা প্রতিযোগিতা ২০২৩-এর পুরস্কার প্রদান

৮৭ রানের লজ্জার হার বাংলাদেশের

আপডেট সময় ১০:০০:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৩

নেদারল্যান্ডসকে পেয়েও হারের বৃত্ত থেতে বের হতে পারলো না বাংলাদেশ। নিজেদের ষষ্ঠ ম্যাচে ডাচদের বিপক্ষে ৮৭ রানের লজ্জার হার নিয়ে মাঠ ছেড়েছে সাকিব আল হাসানের দল। নেদারল্যান্ডসের দেয়া ২৩০ রানের ‘সহজ’ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৪২ রানেই গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশ। টানা পাঁচ হারে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে চলে গেছে বাংলাদেশ। নিজেদের খেলা ছয় ম্যাচের মধ্যে শুধুমাত্র আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।

শনিবার (২৮ অক্টোবর) কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে ২৩০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দলীয় ১৯ রানেই সাজঘরে ফিরে যান ওপেনার লিটন দাস ও তানজিদ হাসান তামিম। ইনিংসের ৪ দশমিক ২ ওভারে আরিয়ানের শিকার হয়ে ফেরার আগে লিটন করেন ১২ বলে মাত্র ৩ রান। তিনি উইকেটরক্ষক এডওয়ার্সের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন। ব্যাটিংয়ে নেমে ভালো শুরুর আভাস দিয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি আরেক ওপেনার তানজিদ। ১৬ বলে ৩ চারে ১৫ করা তানজিদও ফিরে যান দলের ১৯ রানে। ভ্যান বিকের বলে তিনিও ধরা পড়েন উইকেটরক্ষকের হাতে। প্রথম পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশ তোলে ৩৯ রান। এই ম্যাচে নাজমুল হোসেন শান্তও আশাহত করেছেন দলকে। ১৮ বলে মাত্র ৯ রান করে ম্যাকেরেনের শিকার হয়ে ফেরেন শান্ত। ৪৫ রানেই ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

চলতি আসরে ব্যাট হাসছে না টাইগার দলপতি সাকিবের। তাই নেদারল্যান্ডস ম্যাচের আগে উড়ে এসেছিলেন মিরপুরে। নিজের ব্যাটিং নিয়ে কাজ করেন তার শৈশবের গুরু নাজমূল আবেদীনের অধীনে। তবে এই ম্যাচেও হাসেনি তার ব্যাট। উইকেটরক্ষক এডওয়ার্সের হাতে ম্যাকেরেনের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে সাকিব করেন মাত্র ৫ রান। খেলেন ১৪টি বল। এদিন তিন নম্বরে ব্যাটিং করার সুযোগ পান অলরাউন্ডার মিরাজ। দারুণ শুরুও পেয়েছিলেন তিনি। তবে ব্যক্তিগত ৩৫ রানে ডি লিডের বলে তিনিও উইকেটরক্ষককে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। ৪০ বলের মোকাবিলায় তিনি একটি ছক্কা ও ৫টি চার মারেন। মিরাজের বিদায়ে ৬৯ রানেই ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকের কাঁধে দায়িত্ব পড়ে দলের হার ধরার। তবে তিনিও ব্যর্থ হন ম্যাচে। ম্যাকেরেনের বলে মাত্র ১ রানে বোল্ড হয়ে মুশফিক ফিরলে ৭০ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে অনেকটা পরাজয় স্বীকার করে নেয় বাংলাদেশ।

আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ এবং এ ম্যাচের একাদশে ফেরা মেহেদী হাসানের রানের জুটি পরাজয়ের ব্যবধান কমালেও জয় এনে দিতে পারেনি বাংলাদেশকে। এই জুটিতে আসে ৩৮ রান। মেহেদী ৩৮ বলে ১৭ রান করে ডি লিডের সরাসরি থ্রোতে রানআউট হয়ে ফেরেন। বাংলাদেশ ১০৮ রানেই হারায় ৭ উইকেট। ডি লিডের বলে শর্টে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে মাহমুদউল্লাহ করেন ২০ রান। শেষদিকে মোস্তাফিজের ২০ রানে ব্যবধান আরও কিছুটা কমায় বাংলাদেশ। নেদারল্যান্ডসের পেসার বোলার ম্যাকেরেন ২৩ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। এছাড়া ডি লিড দুইটি এবং আরিয়ান ও ভ্যান বিক একটি করে উইকেট নেন।

এর আগে, টসে হেরে ফিল্ডিংয়ে নামে বাংলাদেশ। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ডাচ ওপেনার বিক্রমজিৎকে সাজঘরে ফেরান তাসকিন। সাকিব আল হাসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে বিক্রমজিৎ করেন ৩ রান। তাকসিনের আঘাতের পরের ওভারের প্রথম বলেই ম্যাক্স ও’ডাউডকে ফেরান শরীফুল। রানের খাতা খোলার আগেই তানজিদ তামিমের ক্যাচে পরিণত হন ও’ডাউড। ৪ রানে ২ উইকেট তুলে নিয়ে ডাচদের চেপে ধরে বাংলাদেশ।

এরপর হাল ধরেন এ ম্যাচের একাদশে জায়গা পাওয়া বারেসি। তাকে সঙ্গ দেন কোলিন অ্যাকারম্যান। পাওয়ার প্লেতে আর কোনো উইকেট না হারিয়ে ৪৭ রান তুলে নেয় নেদারল্যান্ডস। বারেসি-অ্যাকারম্যান জুটি ৬৮ বলে ৫৯ রান তোলে। তবে অর্ধশতকের দিকে আগানো বারেসিকে ব্যক্তিগত ৪১ রানে ফেরান মোস্তাফিজ। সাকিবের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে বারেসি ৪১ বলে ৮টি চার মারে এই রান করেন। পরে ওভারে ডাচ শিবিরে আঘাত হানেন অধিনায়ক সাকিব। তার বলে মোস্তাফিজের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন রানের জন্য ভুগতে থাকা অ্যাকারম্যান। তিনি ৩৩ বলের মোকাবিলায় ১৫ রান করেন। ৬৩ রানে ৪ উইকেট তুলে নিয়ে ডাচদের আবার চেপে ধরেন সাকিব-মোস্তাফিজরা।

নতুন ব্যাটার বাস ডি লিডকে নিয়ে সেই চাপ কিছুটা সামাল দেন অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্স। এই জুটিতে ভর করে ২৫ দশমিক ২ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে দলীয় ১০০ রান পূর্ণ করে ডাচরা। তবে এর পরই ডাচ শিবিরে আবার আঘাত আনেন তাসকিন। তিনি ফেরান ১৭ রান করা ডি লিডকে। উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরা লিডকে প্রথমে আউট দেননি অ্যাম্পায়ার। রিভিউ নিয়ে তাকে ফেরায় বাংলাদেশ। ৪৪ রানের এই জুটি ভাঙ্গায় ১০৭ রানে ৫ উইকেট হারায় নেদারল্যান্ডস।

পরে সাইব্র্যান্ড এনজেলব্রাখকে নিয়ে আবার জুটি গড়েন অধিনায়ক এডওয়ার্স। তিনি একপ্রান্তে দলের হাল ধরে ৭৮ বলে ৩ চারে তুলে নেন অর্ধশতক। এটি চলতি আসরে তার দ্বিতীয় অর্ধশতক। পাশাপাশি ডাচদের হয়ে সর্বোচ্চ ১৫টি অর্ধশতকের রেকর্ডও গড়েন তিনি। নিজের মাইলফক ছোঁয়ার পর দ্রুত রান তুলতে থাকেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৮৯ বলে ৬৮ রান করে মোস্তাফিজের দ্বিতীয় শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। মিরাজের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে সাইব্র্যান্ডের সাথে গড়েন ৭৮ রানের জুটি। ডাচ অধিনায়কের ইনিংসটি সাজানো ছিল ৬টি চারে। পরের ওভারে সেট ব্যাটার সাইব্র্যান্ডকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন শেখ মেহেদী। ফেরার আগে তিনি ৬১ বলে ৩৫ রান করেন।

এরপর শারিজ আহমাদ রান আউট হয়ে ফিরলে ১৯৪ রানেই ৮ উইকেট হারায় নেদারল্যান্ডস। দলীয় ২১২ রানে শরীফুলের দ্বিতীয় শিকার হন আরিয়ান। তবে ইনিংসের শেষ বলে মেহেদীর বলে এলবিডব্লিউয়ে কাটা পড়েন ম্যাকেরেন। অলআউট হয়ে নেদার‍ল্যান্ডস। ভ্যান বিক ১৬ বলে ২৩ রানে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের পক্ষে মোস্তাফিজ-তাসকিন-মেহেদী-শরীফুল দুইটি করে উইকেট শিকার করেন। আর সাকিব নেন এক উইকেট।