ঢাকা ০৬:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে দ্রুতই বিদায় জানাব : মাহমুদউল্লাহ

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে দ্রুতই বিদায় জানাব : মাহমুদউল্লাহ

অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলে জায়গা পেয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। বয়সটা ৩৭ পার হয়েছে। এটাই যে শেষ বিশ্বকাপ, সেটি জানিয়ে দিয়েছেন এই অলরাউন্ডার। একই সঙ্গে মনে করিয়ে দিয়েছেন, দ্রুতই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলবেন তিনি।

আজ কলকাতায় নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে আইসিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মাহমুদউল্লাহ বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমি আমার শেষ বিশ্বকাপ খেলছি। আমি বাংলাদেশ দলের পক্ষে আর কত দিন খেলব তা নির্ভর করছে আমার পারফরম্যান্স ও শরীরিক ফিটনেসের ওপর। হয়তো কয়দিন পরে বা দ্রুতই আমি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানাব। ২০০৭ সালে বাংলাদেশের জার্সিতে আন্তর্জাতিক অভিষেক মাহমুদউল্লাহর।

১৬ বছরের পথচলায় অনেক কিছুর সাক্ষী হয়েছেন তিনি। বাদ পড়েছেন, ফিরে সমালোচকদের জবাব দিয়েছেন ব্যাটে। চলতি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ব্যাটারদের একমাত্র শতকটির মালিক মাহমুদ। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ তিনটি সেঞ্চুরি তাঁর।মাহমুদ বলেন, ‘২০০৭ সালে শ্রীলঙ্কায় আমার অভিষেক হয়েছিল। তখন থেকে লম্বা সময় ধরে আমি জাতীয় দলে খেলছি। বিশ্বকাপে এই সেঞ্চুরিগুলো করতে পেরে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি।’

এবার বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পেতে কঠোর পরিশ্রম করেছিলেন বলেও জানালেন মাহমুদ, ‘ক্রিকেট এমনই খেলা, যেখানে আপনাকে বিস্ময়কর ব্যাপার দেখতে হবে। আমি অনেক পরিশ্রম করেছিলাম যেন দলের পক্ষে বিশ্বকাপে খেলতে পারি এবং আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ আমাকে এই সুযোগটি দিয়েছেন। আমি চেষ্টা করছি, দলকে সেরাটা দেওয়ার জন্য।

জনপ্রিয় সংবাদ

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে দ্রুতই বিদায় জানাব : মাহমুদউল্লাহ

আপডেট সময় ০২:১৩:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৩

অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলে জায়গা পেয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। বয়সটা ৩৭ পার হয়েছে। এটাই যে শেষ বিশ্বকাপ, সেটি জানিয়ে দিয়েছেন এই অলরাউন্ডার। একই সঙ্গে মনে করিয়ে দিয়েছেন, দ্রুতই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলবেন তিনি।

আজ কলকাতায় নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে আইসিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মাহমুদউল্লাহ বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমি আমার শেষ বিশ্বকাপ খেলছি। আমি বাংলাদেশ দলের পক্ষে আর কত দিন খেলব তা নির্ভর করছে আমার পারফরম্যান্স ও শরীরিক ফিটনেসের ওপর। হয়তো কয়দিন পরে বা দ্রুতই আমি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানাব। ২০০৭ সালে বাংলাদেশের জার্সিতে আন্তর্জাতিক অভিষেক মাহমুদউল্লাহর।

১৬ বছরের পথচলায় অনেক কিছুর সাক্ষী হয়েছেন তিনি। বাদ পড়েছেন, ফিরে সমালোচকদের জবাব দিয়েছেন ব্যাটে। চলতি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ব্যাটারদের একমাত্র শতকটির মালিক মাহমুদ। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ তিনটি সেঞ্চুরি তাঁর।মাহমুদ বলেন, ‘২০০৭ সালে শ্রীলঙ্কায় আমার অভিষেক হয়েছিল। তখন থেকে লম্বা সময় ধরে আমি জাতীয় দলে খেলছি। বিশ্বকাপে এই সেঞ্চুরিগুলো করতে পেরে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি।’

এবার বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পেতে কঠোর পরিশ্রম করেছিলেন বলেও জানালেন মাহমুদ, ‘ক্রিকেট এমনই খেলা, যেখানে আপনাকে বিস্ময়কর ব্যাপার দেখতে হবে। আমি অনেক পরিশ্রম করেছিলাম যেন দলের পক্ষে বিশ্বকাপে খেলতে পারি এবং আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ আমাকে এই সুযোগটি দিয়েছেন। আমি চেষ্টা করছি, দলকে সেরাটা দেওয়ার জন্য।