ঢাকা ১২:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ৮ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২৭১ রানের টার্গেট দিল পাকিস্তান

দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২৭১ রানের টার্গেট দিল পাকিস্তান

দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং লাইনআপ যে গতিতে ছুটছে, পাকিস্তানের ২৭১ রানের লক্ষ্যকে মামুলিই মনে হওয়ার কথা। কিন্তু একটু পার্থক্য আছে। এখন পর্যন্ত যে পাঁচ ম্যাচের চারটিতে প্রোটিয়া ব্যাটাররা প্রতিপক্ষের ওপর ঝড় বইয়ে দিয়েছেন, সব কটিতে তাঁরা আগে ব্যাটিং করেছেন।

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে যে ম্যাচে তাঁরা রান করতে সংগ্রাম করেছেন, সেখানে দক্ষিণ আফ্রিকা ২৪৫ রান তাড়া করতে পারেনি। পাকিস্তানের ২৭০ রানের সংগ্রহকে তাই ছোট করে দেখার একেবারেই সুযোগ নেই। রান তাড়ায় বরাবরই সমস্যা দক্ষিণ আফ্রিকার। পাকিস্তানের সংগ্রহটা এত বেশি হয়েছে ছয়ে নামা সউদ শাকিলের ফিফটির সৌজন্যে। একপর্যায়ে পাকিস্তান ১৪১ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়েছে।

ড্রেসিংরুমে ফিরে যান প্রথম সারির ছয় ব্যাটার। দুই ওপেনার আবদুল্লাহ শফিক আর ইমাম উল হক ফিরে যান ৩৮ রানের মধ্যে। এরপর বাবর আর মোহাম্মদ রিজওয়ানের ৪৮ রানের জুটি। রিজওয়ান ৩১ রানে আউট হলে এই জুটি ভাঙে। বাবরের সঙ্গে ইফতেখার আহমেদের জুটিও আশা জাগিয়ে অল্পতে শেষ হয়। দলীয় ১২৯ রানে ব্যক্তিগত ২১ রানে আউট হন ইফতেখার। ১২ রানের মাথায় ফিফটি পূর্ণ করে ফেরেন বাবরও। এরপর শাদাব খান আর শাকিলের জুটি পাকিস্তান দলের বোলারদের জন্য লড়াইয়ের পুঁজি এনে দিয়েছে। এই দুজনের জুটি থেকে এসেছে ৮৪ রান।

শাদাব ৪৩ রানে আউট হন। এরপর শাকিলও ফিফটি পূর্ণ করে বেশিদূর যেতে পারেননি। ফিরেছেন ৫২ রানে। শেষদিকে মোহাম্মদ নাওয়াজের ২৪ বলে ২৪ রানের ইনিংসে পাকিস্তানের স্কোর ২৭০ স্পর্শ করে। এখন কাজটা বোলারদের।

দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২৭১ রানের টার্গেট দিল পাকিস্তান

আপডেট সময় ০৭:০৫:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৩

দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং লাইনআপ যে গতিতে ছুটছে, পাকিস্তানের ২৭১ রানের লক্ষ্যকে মামুলিই মনে হওয়ার কথা। কিন্তু একটু পার্থক্য আছে। এখন পর্যন্ত যে পাঁচ ম্যাচের চারটিতে প্রোটিয়া ব্যাটাররা প্রতিপক্ষের ওপর ঝড় বইয়ে দিয়েছেন, সব কটিতে তাঁরা আগে ব্যাটিং করেছেন।

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে যে ম্যাচে তাঁরা রান করতে সংগ্রাম করেছেন, সেখানে দক্ষিণ আফ্রিকা ২৪৫ রান তাড়া করতে পারেনি। পাকিস্তানের ২৭০ রানের সংগ্রহকে তাই ছোট করে দেখার একেবারেই সুযোগ নেই। রান তাড়ায় বরাবরই সমস্যা দক্ষিণ আফ্রিকার। পাকিস্তানের সংগ্রহটা এত বেশি হয়েছে ছয়ে নামা সউদ শাকিলের ফিফটির সৌজন্যে। একপর্যায়ে পাকিস্তান ১৪১ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়েছে।

ড্রেসিংরুমে ফিরে যান প্রথম সারির ছয় ব্যাটার। দুই ওপেনার আবদুল্লাহ শফিক আর ইমাম উল হক ফিরে যান ৩৮ রানের মধ্যে। এরপর বাবর আর মোহাম্মদ রিজওয়ানের ৪৮ রানের জুটি। রিজওয়ান ৩১ রানে আউট হলে এই জুটি ভাঙে। বাবরের সঙ্গে ইফতেখার আহমেদের জুটিও আশা জাগিয়ে অল্পতে শেষ হয়। দলীয় ১২৯ রানে ব্যক্তিগত ২১ রানে আউট হন ইফতেখার। ১২ রানের মাথায় ফিফটি পূর্ণ করে ফেরেন বাবরও। এরপর শাদাব খান আর শাকিলের জুটি পাকিস্তান দলের বোলারদের জন্য লড়াইয়ের পুঁজি এনে দিয়েছে। এই দুজনের জুটি থেকে এসেছে ৮৪ রান।

শাদাব ৪৩ রানে আউট হন। এরপর শাকিলও ফিফটি পূর্ণ করে বেশিদূর যেতে পারেননি। ফিরেছেন ৫২ রানে। শেষদিকে মোহাম্মদ নাওয়াজের ২৪ বলে ২৪ রানের ইনিংসে পাকিস্তানের স্কোর ২৭০ স্পর্শ করে। এখন কাজটা বোলারদের।