ঢাকা ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ৯ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তিন দেশের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তিন দেশের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়া, সুইডেন ও সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বাণিজ্য বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত। আর পণ্য বৈচিত্র্যের কারণে সহযোগিতা করতে চায় সুইজারল্যান্ড। আজ বুধবার মন্ত্রণালয়ের অফিস কক্ষে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং সিক (Park Young Sik), সুইডেনের রাষ্ট্রদূত অ্যালেজান্ড্রা বার্গ ভন লিনডে (Alexandra Berg von Linde) এবং সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলি (Reto Renggli) পৃথক পৃথক সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাৎকালে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি রাষ্ট্রদূতদের জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদূরপ্রসারী ও গতিশীল নেতৃত্বে বিগত বছরগুলোতে যোগাযোগ, অবকাঠামো, স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসহ সকল ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। অনেকগুলো মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। এলডিসি থেকে বেরিয়ে উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরিত হয়েছে যা ২০২৬ সাল থেকে কার্যকর হবে। এর ফলে বাংলাদেশ সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার পাশাপাশি কিছু চ্যালেঞ্জ আসবে।

এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার প্রস্তুতি নিচ্ছে উল্লেখ করে বিদেশি বন্ধু রাষ্ট্রকে পাশে থেকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘২০২৬ সালের পর পরবর্তী আরো তিন বছর বাংলাদেশ ডিউটি ফ্রি-কোটা ফ্রি সুবিধা অব্যাহত রাখার বিষয়ে বিশ্ব বাণিজ্য সংগঠন-ডব্লিউটিও ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ নিজেদের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করার জন্য সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় জায়গা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সরকার বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে।

বিভিন্ন সেবা ও পরিসেবা অনুমোদনে ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করা হয়েছে। বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে বিদেশি বিনিয়োগ আসছে।’ এসময় রাষ্ট্রদূতদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সরকার প্রধানদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহবান জানান তিনি। এ সময় দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত উভয় দেশের মধ্যকার বাণিজ্য প্রসারের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বাণিজ্যমন্ত্রীকে আহ্বান জানান।

বৈঠকে সুইডেনের রাষ্ট্রদূত অ্যালেজান্ড্রা বার্গ ভন লিনডে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, ‘বিশ্বের অনেক দেশেই এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে গুরুত্বারোপ করছে।

এক্ষেত্রে সুইডেন সরকার বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে চায়। অন্যদিকে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলির সাথে বৈঠককালে বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের কৃষিখাতসহ অন্যান্য সেক্টরে আরো বেশি বিনিয়োগের জন্য দেশটির প্রতি আহ্বান জানান। এ সময় বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত পণ্য বৈচিত্রকরণে সহযোগিতা ছাড়াও বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হয়ে পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তিন দেশের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

আপডেট সময় ০৪:২৫:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৩

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়া, সুইডেন ও সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বাণিজ্য বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত। আর পণ্য বৈচিত্র্যের কারণে সহযোগিতা করতে চায় সুইজারল্যান্ড। আজ বুধবার মন্ত্রণালয়ের অফিস কক্ষে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং সিক (Park Young Sik), সুইডেনের রাষ্ট্রদূত অ্যালেজান্ড্রা বার্গ ভন লিনডে (Alexandra Berg von Linde) এবং সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলি (Reto Renggli) পৃথক পৃথক সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাৎকালে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি রাষ্ট্রদূতদের জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদূরপ্রসারী ও গতিশীল নেতৃত্বে বিগত বছরগুলোতে যোগাযোগ, অবকাঠামো, স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসহ সকল ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। অনেকগুলো মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। এলডিসি থেকে বেরিয়ে উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরিত হয়েছে যা ২০২৬ সাল থেকে কার্যকর হবে। এর ফলে বাংলাদেশ সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার পাশাপাশি কিছু চ্যালেঞ্জ আসবে।

এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার প্রস্তুতি নিচ্ছে উল্লেখ করে বিদেশি বন্ধু রাষ্ট্রকে পাশে থেকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘২০২৬ সালের পর পরবর্তী আরো তিন বছর বাংলাদেশ ডিউটি ফ্রি-কোটা ফ্রি সুবিধা অব্যাহত রাখার বিষয়ে বিশ্ব বাণিজ্য সংগঠন-ডব্লিউটিও ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ নিজেদের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করার জন্য সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় জায়গা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সরকার বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে।

বিভিন্ন সেবা ও পরিসেবা অনুমোদনে ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করা হয়েছে। বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে বিদেশি বিনিয়োগ আসছে।’ এসময় রাষ্ট্রদূতদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সরকার প্রধানদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহবান জানান তিনি। এ সময় দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত উভয় দেশের মধ্যকার বাণিজ্য প্রসারের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বাণিজ্যমন্ত্রীকে আহ্বান জানান।

বৈঠকে সুইডেনের রাষ্ট্রদূত অ্যালেজান্ড্রা বার্গ ভন লিনডে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, ‘বিশ্বের অনেক দেশেই এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে গুরুত্বারোপ করছে।

এক্ষেত্রে সুইডেন সরকার বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে চায়। অন্যদিকে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলির সাথে বৈঠককালে বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের কৃষিখাতসহ অন্যান্য সেক্টরে আরো বেশি বিনিয়োগের জন্য দেশটির প্রতি আহ্বান জানান। এ সময় বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত পণ্য বৈচিত্রকরণে সহযোগিতা ছাড়াও বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হয়ে পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।