ঢাকা ০৪:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিচ্ছে ইউরোপের ২ দেশ, প্রস্তুত নরওয়েও মুন্সিগঞ্জের আওয়ামী লীগের দু-পক্ষরে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত ১ কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় নববধূকে ছাত্রলীগ নেতার অপহরণ ঈদের মাঝেই বাংলাদেশের বুকে ঘটে গেলো নজিরবিহীন একটি ঘটনা পাবনায় তিন দিনব্যাপী ৭০০ বছরের পুরোনো চড়ক পূজা শুরু মধ্যরাতে আড্ডারত ছাত্রলীগের এক গ্রুপের ওপর অপর গ্রুপের হামলা, আহত ৪ একজন মানবিক চেয়ারম্যানের গল্প জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত উদীয়মান সাংবাদিকদের নিয়ে গাজীপুর রাইটার্স ফোরামের ইফতার রমজানে ছিন্নমূল মানুষের জন্য “সচেতন নাগরিক ফরম-সনা‌ফ” এর নানা আয়োজন।

ভৈরবে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ছাত্রশিবির

এ মর্মান্তিক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করার দাবি  করেন শিবির সেক্রেটারি জেনারেল মঞ্জুরুল ইসলাম।

ভৈরবে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনাস্থল পরিদর্শন, নিহত পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ ও আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল মঞ্জুরুল ইসলামসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

২৩ অক্টোবর ভয়াবহ দুর্ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে ছুটে যান ছাত্রশিবিরের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। আজ ২৪ অক্টোবর সেক্রেটারি জেনারেলসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সার্বিক খোঁজখবর নেন। এ সময় সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, “মনে হচ্ছে এখনো রক্তের গন্ধ চতুর্দিকে ছড়িয়ে আছে। দুর্ঘটনায় আহত ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী এ দুর্ঘটনায় কয়েক শ লোক মারা গেছে! এ ঘটনা সরকারের অব্যবস্থাপনা, ব্যর্থতা ও কর্মকর্তাদের দায়িত্ব অবহেলার বিষয়টি স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার হওয়া দরকার।

রেলওয়ের ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপক (পূর্ব) নাজমুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘মালবাহী ট্রেনটি “সিগন্যাল না মানায়” এ সংঘর্ষ হয়েছে।’ বোঝাই যাচ্ছে অদক্ষ লোক দ্বারা রেলের মতো এমন জনগুরুত্বপূর্ণ যান চালানো হচ্ছে। দেশে যোগাযোগব্যবস্থায় একের পর এক নৈরাজ্য ও ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটলেও সরকার জননিরাপত্তার বিষয়টিতে বরাবরই উদাসীনতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে। আমরা এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও নিহতদের পরিবার-পরিজনদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

দুর্ঘটনার শুরু থেকেই ছাত্রশিবিরের সর্বস্তরের জনশক্তি ঘটনাস্থলে উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। আমরা সার্বিক সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে যাব, ইনশাআল্লাহ।
নিহত, আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশেও আমরা থাকব। বিশেষ করে নিহত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সন্তানদের পড়ালেখায় সার্বিক সহযোগিতার হাত প্রসারিত করব, ইনশাআল্লাহ।

নিঃসন্দেহে এটি মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি পরীক্ষা। আমি নিহত ও আহতদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানাচ্ছি। আমরা দুআ করছি, যেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার-পরিজনেরা ধৈর্যধারণ করতে পারেন।”

জনপ্রিয় সংবাদ

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিচ্ছে ইউরোপের ২ দেশ, প্রস্তুত নরওয়েও

ভৈরবে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ছাত্রশিবির

আপডেট সময় ০৮:২৪:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৩

এ মর্মান্তিক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করার দাবি  করেন শিবির সেক্রেটারি জেনারেল মঞ্জুরুল ইসলাম।

ভৈরবে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনাস্থল পরিদর্শন, নিহত পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ ও আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল মঞ্জুরুল ইসলামসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

২৩ অক্টোবর ভয়াবহ দুর্ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে ছুটে যান ছাত্রশিবিরের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। আজ ২৪ অক্টোবর সেক্রেটারি জেনারেলসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সার্বিক খোঁজখবর নেন। এ সময় সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, “মনে হচ্ছে এখনো রক্তের গন্ধ চতুর্দিকে ছড়িয়ে আছে। দুর্ঘটনায় আহত ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী এ দুর্ঘটনায় কয়েক শ লোক মারা গেছে! এ ঘটনা সরকারের অব্যবস্থাপনা, ব্যর্থতা ও কর্মকর্তাদের দায়িত্ব অবহেলার বিষয়টি স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার হওয়া দরকার।

রেলওয়ের ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপক (পূর্ব) নাজমুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘মালবাহী ট্রেনটি “সিগন্যাল না মানায়” এ সংঘর্ষ হয়েছে।’ বোঝাই যাচ্ছে অদক্ষ লোক দ্বারা রেলের মতো এমন জনগুরুত্বপূর্ণ যান চালানো হচ্ছে। দেশে যোগাযোগব্যবস্থায় একের পর এক নৈরাজ্য ও ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটলেও সরকার জননিরাপত্তার বিষয়টিতে বরাবরই উদাসীনতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে। আমরা এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও নিহতদের পরিবার-পরিজনদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

দুর্ঘটনার শুরু থেকেই ছাত্রশিবিরের সর্বস্তরের জনশক্তি ঘটনাস্থলে উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। আমরা সার্বিক সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে যাব, ইনশাআল্লাহ।
নিহত, আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশেও আমরা থাকব। বিশেষ করে নিহত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সন্তানদের পড়ালেখায় সার্বিক সহযোগিতার হাত প্রসারিত করব, ইনশাআল্লাহ।

নিঃসন্দেহে এটি মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি পরীক্ষা। আমি নিহত ও আহতদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানাচ্ছি। আমরা দুআ করছি, যেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার-পরিজনেরা ধৈর্যধারণ করতে পারেন।”