ঢাকা ০৯:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গুজরাটে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ১৮ জনের মৃত্যু Logo চীনে সেভেন সিস্টার্স নিয়ে যা বলেছিলেন ড. ইউনূস? যেজন্য হতভম্ব ভারত Logo জামায়াতের ঈদ উপলক্ষে প্রীতি ভোজের ঘটনায় বিএনপি – যুবলীগের হামলা Logo শহীদ নাসিব হাসান রিহান-এর পরিবারের সদস্যদের সাথে আমীরে জামায়াতের ঈদ কুশল বিনিময় Logo ড. ইউনূসকে শেহবাজের ফোন, পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ Logo মিয়ানমারে ভূমিকম্প: ২ হাজার ছাড়াল নিহতের সংখ্যা Logo গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: খালেদা জিয়া Logo ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের পদত্যাগ Logo ঈদের নামাজ শেষে ‘জয় বাংলা’স্লোগান, বিএনপির সাথে সংঘর্ষ গুলিবিদ্ধ ১ Logo আইপিএলসহ টিভিতে যা দেকবেন আজ

আইএমএফের কাছে তিন বিলিয়ন ডলার ঋণ চায় বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে আরো তিন বিলিয়ন ডলার ঋণের জন্য আলোচনা চলছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও ব্লুমবার্গে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান।

আহসান এইচ মনসুর ব্লুমবার্গকে বলেছেন, ‘সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে গেছে বাংলাদেশ। তাই ঋণের প্রয়োজন এই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে।

স্থানীয় ব্যাংক থেকেও বকেয়া ঋণ মেটাতে কেনা হচ্ছে ডলার।’
আইএমএফের কাছ থেকে গত বছর বাংলাদেশ চার দশমিক সাত বিলিয়ন ডলার ঋণ পায়। এ অবস্থার মধ্যে বাংলাদেশ আইএমএফের কাছে আবারো ঋণ চাচ্ছে।

এছাড়া, বিশ্বব্যাংকের কাছে অতিরিক্ত দেড় বিলিয়ন ডলার ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এবং জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) কাছে আরো এক বিলিয়ন ডলার করে চাওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের রিজার্ভ বর্তমান সংকটের আগেই চাপে ছিল। গত ৩১ জুলাই পর্যন্ত রিজার্ভের পরিমাণ সাড়ে ২০ বিলিয়ন ডলার ছিল। প্রায় তিন মাসের আমদানি খরচ এটা দিয়ে মেটানো যেতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গুজরাটে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ১৮ জনের মৃত্যু

আইএমএফের কাছে তিন বিলিয়ন ডলার ঋণ চায় বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৮:২৪:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৪

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে আরো তিন বিলিয়ন ডলার ঋণের জন্য আলোচনা চলছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও ব্লুমবার্গে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান।

আহসান এইচ মনসুর ব্লুমবার্গকে বলেছেন, ‘সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে গেছে বাংলাদেশ। তাই ঋণের প্রয়োজন এই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে।

স্থানীয় ব্যাংক থেকেও বকেয়া ঋণ মেটাতে কেনা হচ্ছে ডলার।’
আইএমএফের কাছ থেকে গত বছর বাংলাদেশ চার দশমিক সাত বিলিয়ন ডলার ঋণ পায়। এ অবস্থার মধ্যে বাংলাদেশ আইএমএফের কাছে আবারো ঋণ চাচ্ছে।

এছাড়া, বিশ্বব্যাংকের কাছে অতিরিক্ত দেড় বিলিয়ন ডলার ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এবং জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) কাছে আরো এক বিলিয়ন ডলার করে চাওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের রিজার্ভ বর্তমান সংকটের আগেই চাপে ছিল। গত ৩১ জুলাই পর্যন্ত রিজার্ভের পরিমাণ সাড়ে ২০ বিলিয়ন ডলার ছিল। প্রায় তিন মাসের আমদানি খরচ এটা দিয়ে মেটানো যেতে পারে।