ঢাকা ১০:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গুজরাটে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ১৮ জনের মৃত্যু Logo চীনে সেভেন সিস্টার্স নিয়ে যা বলেছিলেন ড. ইউনূস? যেজন্য হতভম্ব ভারত Logo জামায়াতের ঈদ উপলক্ষে প্রীতি ভোজের ঘটনায় বিএনপি – যুবলীগের হামলা Logo শহীদ নাসিব হাসান রিহান-এর পরিবারের সদস্যদের সাথে আমীরে জামায়াতের ঈদ কুশল বিনিময় Logo ড. ইউনূসকে শেহবাজের ফোন, পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ Logo মিয়ানমারে ভূমিকম্প: ২ হাজার ছাড়াল নিহতের সংখ্যা Logo গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: খালেদা জিয়া Logo ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের পদত্যাগ Logo ঈদের নামাজ শেষে ‘জয় বাংলা’স্লোগান, বিএনপির সাথে সংঘর্ষ গুলিবিদ্ধ ১ Logo আইপিএলসহ টিভিতে যা দেকবেন আজ

খাগড়াছড়িতে টানা বর্ষণে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:৪৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৪
  • 0 Views

খাগড়াছড়িতে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। উপজেলার হাজারো মানুষ পানিবন্দি। দীঘিনালার সঙ্গে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি এবং লংগদু উপজেলার সরাসরি যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

২১ দিনের মাথায় এ নিয়ে জেলায় তৃতীয়বারের মতো বন্যা দেখা দিল।বুধবার নতুন করে পাহাড়ি ঢলে দীঘিনালার কবাখালী ও মেরুং ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা ডুবে যায়।কবাখালী ও মেরুং ইউনিয়নের প্রায় ২৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুনুর রশীদ বলেছেন, কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন।বর্তমানে উপজেলায় ২৫টি আশ্রয়কেন্দ্র আছে।

অন্যদিকে, চেঙ্গী নদীর পানি কমে যাওয়ায় খাগড়াছড়ি শহরের বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। তবে বন্যায় তলিয়ে গেছে পুকুরের মাছ এবং ফসলি জমি।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান জানায়, বন্যাকবলিত লোকজনের জন্য ৪০০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গুজরাটে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ১৮ জনের মৃত্যু

খাগড়াছড়িতে টানা বর্ষণে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

আপডেট সময় ০৮:৪৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৪

খাগড়াছড়িতে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। উপজেলার হাজারো মানুষ পানিবন্দি। দীঘিনালার সঙ্গে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি এবং লংগদু উপজেলার সরাসরি যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

২১ দিনের মাথায় এ নিয়ে জেলায় তৃতীয়বারের মতো বন্যা দেখা দিল।বুধবার নতুন করে পাহাড়ি ঢলে দীঘিনালার কবাখালী ও মেরুং ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা ডুবে যায়।কবাখালী ও মেরুং ইউনিয়নের প্রায় ২৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুনুর রশীদ বলেছেন, কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন।বর্তমানে উপজেলায় ২৫টি আশ্রয়কেন্দ্র আছে।

অন্যদিকে, চেঙ্গী নদীর পানি কমে যাওয়ায় খাগড়াছড়ি শহরের বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। তবে বন্যায় তলিয়ে গেছে পুকুরের মাছ এবং ফসলি জমি।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান জানায়, বন্যাকবলিত লোকজনের জন্য ৪০০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।