ঢাকা ০৩:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমী আজ

শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমী আজ

আজ সোমবার, শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমী। নবমীর দিন হচ্ছে দেবী দুর্গাকে প্রাণ ভরে দেখে নেওয়ার ক্ষণ। এই দিন অগ্নিকে প্রতীক করে সব দেব-দেবীকে আহুতি দেওয়া হয়। অগ্নি সব দেবতার যজ্ঞভাগ বহন করে যথাস্থানে পৌঁছে দিয়ে থাকেন।

এই দিনই দুর্গাপূজার অন্তিম দিন। পরের দিন কেবল বিজয়া ও বিসর্জনের পর্ব। এর আগে গতকাল রবিবার সকালে ছিল শারদীয় দুর্গোৎসবের মূল আকর্ষণ মহাষ্টমীতে ‘কুমারীপূজা’। রাজধানীর গোপীবাগের রামকৃষ্ণ মঠে এই পূজার আয়োজন করা হয়।

দেশের বিভিন্ন মণ্ডপে ছিল একই ধরনের আয়োজন। কুমারী বালিকার মধ্যে বিশুদ্ধ নারীর রূপ কল্পনা করে তাকে দেবী দুর্গা জ্ঞানে পূজা করে ভক্তরা। আয়োজকরা জানায়, রামকৃষ্ণ মিশনে সকাল ৬টা ১০ মিনিটে অষ্টমী পূজা শুরু হয়ে সাড়ে ১০টায় শেষ হয়। সকাল ১১টায় শুরু হয় কুমারীপূজা।

কুমারীকে ভোরে স্নান করিয়ে নতুন কাপড় পরানো হয়। তাকে সাজিয়ে কপালে সিঁদুর, পায়ে আলতা ও হাতে ফুল দেওয়া হয়।
এরপর কুমারীকে সুসজ্জিত আসনে বসিয়ে ষোড়শোপচারে (ষোলো উপাদান) দেবী জ্ঞানে পূজা করা হয়। এ সময় চারদিকে শঙ্খধ্বনি, ঢাকের বোল, উলুধ্বনি আর দেবী স্তুতিতে মুখর হয়ে ওঠে। পূজা চলাকালে ওই কুমারী ভক্তদের আশীর্বাদ করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মুন্সিগঞ্জের আওয়ামী লীগের দু-পক্ষরে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত ১

শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমী আজ

আপডেট সময় ১১:৩৯:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৩

আজ সোমবার, শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমী। নবমীর দিন হচ্ছে দেবী দুর্গাকে প্রাণ ভরে দেখে নেওয়ার ক্ষণ। এই দিন অগ্নিকে প্রতীক করে সব দেব-দেবীকে আহুতি দেওয়া হয়। অগ্নি সব দেবতার যজ্ঞভাগ বহন করে যথাস্থানে পৌঁছে দিয়ে থাকেন।

এই দিনই দুর্গাপূজার অন্তিম দিন। পরের দিন কেবল বিজয়া ও বিসর্জনের পর্ব। এর আগে গতকাল রবিবার সকালে ছিল শারদীয় দুর্গোৎসবের মূল আকর্ষণ মহাষ্টমীতে ‘কুমারীপূজা’। রাজধানীর গোপীবাগের রামকৃষ্ণ মঠে এই পূজার আয়োজন করা হয়।

দেশের বিভিন্ন মণ্ডপে ছিল একই ধরনের আয়োজন। কুমারী বালিকার মধ্যে বিশুদ্ধ নারীর রূপ কল্পনা করে তাকে দেবী দুর্গা জ্ঞানে পূজা করে ভক্তরা। আয়োজকরা জানায়, রামকৃষ্ণ মিশনে সকাল ৬টা ১০ মিনিটে অষ্টমী পূজা শুরু হয়ে সাড়ে ১০টায় শেষ হয়। সকাল ১১টায় শুরু হয় কুমারীপূজা।

কুমারীকে ভোরে স্নান করিয়ে নতুন কাপড় পরানো হয়। তাকে সাজিয়ে কপালে সিঁদুর, পায়ে আলতা ও হাতে ফুল দেওয়া হয়।
এরপর কুমারীকে সুসজ্জিত আসনে বসিয়ে ষোড়শোপচারে (ষোলো উপাদান) দেবী জ্ঞানে পূজা করা হয়। এ সময় চারদিকে শঙ্খধ্বনি, ঢাকের বোল, উলুধ্বনি আর দেবী স্তুতিতে মুখর হয়ে ওঠে। পূজা চলাকালে ওই কুমারী ভক্তদের আশীর্বাদ করেছে।