ঢাকা ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কিশোরকণ্ঠ জাতীয় সায়েন্স ফিকশন লেখা প্রতিযোগিতা ২০২৩-এর পুরস্কার প্রদান কারামুক্ত নেতাদের নিয়ে রাজধানীতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল হস্তান্তর অনুষ্ঠিত আমার নাম শুনলেই প্রধানমন্ত্রী বলেন আমি সুদখোর: ড. মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রের উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিএনপি বৈঠক ‘বঙ্গবন্ধু’-অ্যাপ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিএনপির সময়ে ১৮ ঘণ্টা লোডশেডিং থাকত-ওবায়দুল কাদের আমরা গৃহপালিত দল হয়ে গেছি : জিএম কাদের পিরোজপুরে মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মলীগ সভাপতিকে কুপিয়ে জখম আর কোনো রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া সম্ভব নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জামায়াতের কর্মসূচিতে নিষেধাজ্ঞার আবেদন: শুনানি ৬ নভেম্বর

  • নিজস্ব সংবাদ
  • আপডেট সময় ০৬:৪৯:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৩
  • ১১৪ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা থেকে বিরত রাখতে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে করা আবেদনের ওপর শুনানির জন্য আগামী ৬ নভেম্বর দিন নির্ধারণ করেছেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে আপিল বিভাগ বেঞ্চ আজ এ আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী তানীয়া আমীর। জামায়াতের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট অন-রেকর্ড জয়নুল আবেদীন তুহিন।

ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর বলেন, আমাদের দু’টি আবেদন। একটি নিষেধাজ্ঞার, অপরটির আদালত অবমাননার। আজ আমরা শুনানিতে দাঁড়ানোর আগে একজন আইনজীবী জামায়াতের সিনিয়র আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলীর জন্য আট সপ্তাহের সময় চেয়ে আবেদন করেন। তখন আদালত বলেছেন উনি (এ জে মোহাম্মদ আলী) কী আদালত আছেন ডিজিটাল যুগে আদালতের সামনে স্ক্রিন আছে। সব জানা যায়। আমরা সময় দিতে প্রস্তুত না। তখন আমি বললাম, অগাস্টেও ওনারা সময় চেয়েছেন। এরপর আমরা জামায়াতের বর্তমান নেতাদের বিবাদী করে যে আবেদন করেছিলাম। সেটি উপস্থাপন করি। আদালত সেটি মঞ্জুর করেছেন।

তিনি আরো বলেন, আদালত বলছেন-ওনাদের হাত অনেক লম্বা। আর সময় দেবেন না। এরপর ৬ নভেম্বর শুনানির জন্য দিন রেখেছেন।

তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিব সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরীসহ কয়েকজন আবেদনকারী হয়ে হাইকোর্টে রিটটি করেন। জামায়াতের কর্মকাণ্ডে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিটকারীগন আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করার পর গত ২৬ জুন আপিল বিভাগের চেম্বার কোর্টে উপস্থাপন করা হয়। সেদিন চেম্বার কোর্ট আবেদন দুটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে দেন। সে ধারাবাহিকতায় গত ৩ আগস্ট আবেদন দুটি আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় ওঠে। এর মধ্যে ৪২ ব্যক্তি আবেদন দুটিতে পক্ষভুক্ত হতে আবেদন করেন। এই ৪২ ব্যক্তির মধ্যে আছেন, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা, লেখক, শিক্ষাবিদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, অধিকার কর্মী, আইনজীবী।

ঢাকা ভয়েস/টিআই

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরকণ্ঠ জাতীয় সায়েন্স ফিকশন লেখা প্রতিযোগিতা ২০২৩-এর পুরস্কার প্রদান

জামায়াতের কর্মসূচিতে নিষেধাজ্ঞার আবেদন: শুনানি ৬ নভেম্বর

আপডেট সময় ০৬:৪৯:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৩

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা থেকে বিরত রাখতে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে করা আবেদনের ওপর শুনানির জন্য আগামী ৬ নভেম্বর দিন নির্ধারণ করেছেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে আপিল বিভাগ বেঞ্চ আজ এ আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী তানীয়া আমীর। জামায়াতের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট অন-রেকর্ড জয়নুল আবেদীন তুহিন।

ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর বলেন, আমাদের দু’টি আবেদন। একটি নিষেধাজ্ঞার, অপরটির আদালত অবমাননার। আজ আমরা শুনানিতে দাঁড়ানোর আগে একজন আইনজীবী জামায়াতের সিনিয়র আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলীর জন্য আট সপ্তাহের সময় চেয়ে আবেদন করেন। তখন আদালত বলেছেন উনি (এ জে মোহাম্মদ আলী) কী আদালত আছেন ডিজিটাল যুগে আদালতের সামনে স্ক্রিন আছে। সব জানা যায়। আমরা সময় দিতে প্রস্তুত না। তখন আমি বললাম, অগাস্টেও ওনারা সময় চেয়েছেন। এরপর আমরা জামায়াতের বর্তমান নেতাদের বিবাদী করে যে আবেদন করেছিলাম। সেটি উপস্থাপন করি। আদালত সেটি মঞ্জুর করেছেন।

তিনি আরো বলেন, আদালত বলছেন-ওনাদের হাত অনেক লম্বা। আর সময় দেবেন না। এরপর ৬ নভেম্বর শুনানির জন্য দিন রেখেছেন।

তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিব সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরীসহ কয়েকজন আবেদনকারী হয়ে হাইকোর্টে রিটটি করেন। জামায়াতের কর্মকাণ্ডে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিটকারীগন আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করার পর গত ২৬ জুন আপিল বিভাগের চেম্বার কোর্টে উপস্থাপন করা হয়। সেদিন চেম্বার কোর্ট আবেদন দুটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে দেন। সে ধারাবাহিকতায় গত ৩ আগস্ট আবেদন দুটি আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় ওঠে। এর মধ্যে ৪২ ব্যক্তি আবেদন দুটিতে পক্ষভুক্ত হতে আবেদন করেন। এই ৪২ ব্যক্তির মধ্যে আছেন, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা, লেখক, শিক্ষাবিদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, অধিকার কর্মী, আইনজীবী।

ঢাকা ভয়েস/টিআই