ঢাকা ০৭:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ইউরোতে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে ইংলিশরা

  • ফখরুল ইসলাম
  • আপডেট সময় ০২:০৮:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০২৪
  • 24

ইউরোতে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে ইংলিশরা

আবারও ইউরোর ফাইনালে ইংল্যান্ড। নেদারল্যান্ডসকে ২-১ গোলে হারিয়ে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে উঠে গেছে দলটি। শেষ মুহূর্তে অলি ওয়াটকিনসের গোলে নেদারল্যান্ডসকে কাঁদিয়ে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের টিকেট কাটে বেলিংহাম-হ্যারি কেইনরা। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ দুর্দান্ত ছন্দে থাকা স্পেন। ডর্টমুন্ডের সিগনাল ইদুনা পার্কে বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত একটায় শুরু হয় ইংল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডের মধ্যকার দ্বিতীয় সেমি ফাইনাল।

ম্যাচের শুরু থেকে ডাচদের বিপক্ষ্যে দাপট দেখিয়ে খেলতে থাকে ইংলিশরা। তবে এগিয়ে যায় ডাচরাই। ইংলিশ মিডফিল্ডার ডেকলাইন রাইসের কাছ থেকে বল ছিনিয়ে নিয়ে ডি বক্সের বাইরে থেকে দূরপাল্লার বুলেট গতির শটে নেদারল্যান্ডসকে ১-০ গোলের লিড এনে দেন জাভি সিমন্স। তবে পিছিয়ে পড়েও আক্রমণাত্মক খেলতে থাকে ইংল্যান্ড।

১৬ মিনিটে ডি বক্সে হ্যারি কেইনের শট ঠেকাতে গিয়েই তাঁকে ফাউল করে বসেন নেদারল্যান্ডসের ডেনজিল ডামফ্রিস। ভিএআরে যাচাই করে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। ১৮ মিনিটে স্পট কিক থেকে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান কেইন। সমতা ফিরিয়েও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রাখে ইংল্যান্ড।

২৩ মিনিটে দারুণভাবে ডাচ ডি–বক্সের ভেতর কোবি মাইনুর কাছ থেকে বল পেয়ে নেদারল্যান্ডস গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে গোলের উদ্দেশে বল বাড়ান ফিল ফোডেন। অবিশ্বাস্যভাবে সেই বল ফিরিয়ে দেন ডামফ্রিস। নেদারল্যান্ডসও আক্রমণে যাওয়ার চেষ্টা করে। ৩০ মিনিটে ডামফ্রিসের নেওয়া হেড বারে লেগে ফিরে না আসলে তখনই ব্যবধান বাড়াতে পারত নেদারল্যান্ডস। ৩২ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে ফিল ফোডেনের নেওয়া শট ফিরে আসে পোস্টে লেগে। ১-১ সমতায় থেকেই বিরতিতে যায় দুই দল।

বিরতির পর কোনো দলই বলার মতো সুযোগ তৈরি করতে পারছিল না। ৬৫ মিনিটে ফ্রি–কিক থেকে ভার্জিল ফন ডাইকের শট অবিশ্বাস্য দক্ষতায় ঠেকিয়ে ইংল্যান্ডকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক পিকফোর্ড। ৭৯ মিনিটে লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা করে ইংল্যান্ড। কাইল ওয়াকারের ডানদিকের ক্রস থেকে বল জালে জড়ান বুকোয়া সাকা। কিন্তু অফসাইডের কারণে সে গোল বাতিল করে দেন রেফারি। ৮৪ মিনিটে কাছাকাছি গিয়েও গোল পায়নি নেদারল্যান্ডস। ৮৮ মিনিটে একইভাবে সুযোগ হাতছাড়া করে ইংল্যান্ডও।

ঘড়ির কাঁটা যখন ৯০ মিনিট ছুঁই ছুঁই। এবার ভুল করলেন না ইংল্যান্ডের অলি ওয়াটকিনস। বদলি হিসেবে নামা এই ফরোয়ার্ড নির্ধারিত সময়ের শেষ মুহূর্তে করলেন দুর্দান্ত এক গোল। কোল পালমারের কাছ থেকে বল পেয়ে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ইংল্যান্ডকে ২–১ গোলে এগিয়ে দেন ওয়াটকিনস। ওয়াটকিনসের এই গোলেই নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে ইউরোর টানা দ্বিতীয় ফাইনাল নিশ্চিত করে ‘থ্রি লায়ন্স’রা।

ইউরোতে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে ইংলিশরা

আপডেট সময় ০২:০৮:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০২৪

আবারও ইউরোর ফাইনালে ইংল্যান্ড। নেদারল্যান্ডসকে ২-১ গোলে হারিয়ে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে উঠে গেছে দলটি। শেষ মুহূর্তে অলি ওয়াটকিনসের গোলে নেদারল্যান্ডসকে কাঁদিয়ে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের টিকেট কাটে বেলিংহাম-হ্যারি কেইনরা। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ দুর্দান্ত ছন্দে থাকা স্পেন। ডর্টমুন্ডের সিগনাল ইদুনা পার্কে বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত একটায় শুরু হয় ইংল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডের মধ্যকার দ্বিতীয় সেমি ফাইনাল।

ম্যাচের শুরু থেকে ডাচদের বিপক্ষ্যে দাপট দেখিয়ে খেলতে থাকে ইংলিশরা। তবে এগিয়ে যায় ডাচরাই। ইংলিশ মিডফিল্ডার ডেকলাইন রাইসের কাছ থেকে বল ছিনিয়ে নিয়ে ডি বক্সের বাইরে থেকে দূরপাল্লার বুলেট গতির শটে নেদারল্যান্ডসকে ১-০ গোলের লিড এনে দেন জাভি সিমন্স। তবে পিছিয়ে পড়েও আক্রমণাত্মক খেলতে থাকে ইংল্যান্ড।

১৬ মিনিটে ডি বক্সে হ্যারি কেইনের শট ঠেকাতে গিয়েই তাঁকে ফাউল করে বসেন নেদারল্যান্ডসের ডেনজিল ডামফ্রিস। ভিএআরে যাচাই করে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। ১৮ মিনিটে স্পট কিক থেকে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান কেইন। সমতা ফিরিয়েও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রাখে ইংল্যান্ড।

২৩ মিনিটে দারুণভাবে ডাচ ডি–বক্সের ভেতর কোবি মাইনুর কাছ থেকে বল পেয়ে নেদারল্যান্ডস গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে গোলের উদ্দেশে বল বাড়ান ফিল ফোডেন। অবিশ্বাস্যভাবে সেই বল ফিরিয়ে দেন ডামফ্রিস। নেদারল্যান্ডসও আক্রমণে যাওয়ার চেষ্টা করে। ৩০ মিনিটে ডামফ্রিসের নেওয়া হেড বারে লেগে ফিরে না আসলে তখনই ব্যবধান বাড়াতে পারত নেদারল্যান্ডস। ৩২ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে ফিল ফোডেনের নেওয়া শট ফিরে আসে পোস্টে লেগে। ১-১ সমতায় থেকেই বিরতিতে যায় দুই দল।

বিরতির পর কোনো দলই বলার মতো সুযোগ তৈরি করতে পারছিল না। ৬৫ মিনিটে ফ্রি–কিক থেকে ভার্জিল ফন ডাইকের শট অবিশ্বাস্য দক্ষতায় ঠেকিয়ে ইংল্যান্ডকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক পিকফোর্ড। ৭৯ মিনিটে লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা করে ইংল্যান্ড। কাইল ওয়াকারের ডানদিকের ক্রস থেকে বল জালে জড়ান বুকোয়া সাকা। কিন্তু অফসাইডের কারণে সে গোল বাতিল করে দেন রেফারি। ৮৪ মিনিটে কাছাকাছি গিয়েও গোল পায়নি নেদারল্যান্ডস। ৮৮ মিনিটে একইভাবে সুযোগ হাতছাড়া করে ইংল্যান্ডও।

ঘড়ির কাঁটা যখন ৯০ মিনিট ছুঁই ছুঁই। এবার ভুল করলেন না ইংল্যান্ডের অলি ওয়াটকিনস। বদলি হিসেবে নামা এই ফরোয়ার্ড নির্ধারিত সময়ের শেষ মুহূর্তে করলেন দুর্দান্ত এক গোল। কোল পালমারের কাছ থেকে বল পেয়ে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ইংল্যান্ডকে ২–১ গোলে এগিয়ে দেন ওয়াটকিনস। ওয়াটকিনসের এই গোলেই নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে ইউরোর টানা দ্বিতীয় ফাইনাল নিশ্চিত করে ‘থ্রি লায়ন্স’রা।