ঢাকা ০৬:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ দেখে বুকে ব্যথা শুরু হয়েছিল পাপনের

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচ জিতেছিল বাংলাদেশ দল। তবে শ্রীলঙ্কা এবং নেপালের বিপক্ষে জয়টা বেশ কষ্টার্জিত। লো স্কোরিং সেই ম্যাচও ক্রিকেট ভক্তদের মনে বারবার সংশয়ের তৈরি করেছিল। স্নায়ুচাপের ধকল সইতে হয়েছে টিভিসেটের সামনে থাকা দর্শকদের। ব্যতিক্রম নন বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। গতকাল সাংবাদিকদের সরাসরিই বললেন, নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ দেখে বুকে ব্যথা শুরু হয়েছিল তার।

মঙ্গলবার (২ জুলাই) বোর্ড সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে পাপন বলছিলেন, ‘এই টুর্নামেন্টের আগে কেউ চিন্তাই করতে পারেনি পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, শ্রীলঙ্কার মতো দল দ্বিতীয় পর্বে খেলবে না। আমরা চিন্তাই করিনি অস্ট্রেলিয়া সেমিফাইনাল খেলবে না। যেভাবে গ্রুপিং করা আছে তাতে যে কেউ ধরেই নিয়েছে যে, অস্ট্রেলিয়া সেমিফাইনাল খেলবে।’

এরপরেই পাপন শোনালেন গ্রুপপর্বের ফল নিয়ে সন্তুষ্টির কথা, ‘মনের মধ্যে আমাদের সবসময় বাংলাদেশ। কিন্তু মুখে না বললেও এটা ধরাই যায়, এখান থেকে সেমিফাইনাল খেলবে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া। সেই জায়গা থেকে প্রথম পর্বে বাংলাদেশ ভালো খেলেছে।’

বিশ্বকাপের পারফরম্যান্স নিয়ে পাপনের মন্তব্য, ‘শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তো ভালো খেলেছে, সবচেয়ে ভালো খেলেছে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। আমার সবসময় মনে হয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশ জেতার মতো খেলেছে, এই ম্যাচটা কোনোভাবেই হারার কথা না। বরং যে দলটা নিয়ে চিন্তা করার কথাই না, সেই নেপাল আমার বুকের ব্যথা উঠিয়ে দিয়েছিল। নেপালের বিপক্ষের ম্যাচটা দেখতে গিয়ে আমার বুকে ব্যথা শুরু হয়ে গিয়েছিল, আরে কী মুশকিল!’

সবশেষ বিশ্বকাপে টাইগারদের নিয়ে ঝুঁকি নিয়েছিল বিসিবি। দলে ৫ তরুণের সংযুক্তি ঝুঁকির ছিল উল্লেখ করে পাপন বলেন, ‘এবারের বিশ্বকাপটা অন্য যেকোনো বারের থেকে আলাদা ছিল। এবারই প্রথম আমরা বড় ধরনের একটা ঝুঁকি নিয়েছিলাম। ঝুঁকিটা হলো এবারই প্রথম আমরা প্রায় পাঁচজন নতুন ক্রিকেটার পাঠিয়েছি। সেখানে চারজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার পাঠিয়েছি। বিশ্বকাপের মতো একটা টুর্নামেন্ট তাও আবার টি-টোয়েন্টি যেখানে আমরা খুব পিছিয়ে আছি, সেখানে এরকম একটা দলকে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে পাঠিয়েছি যেখানে পাঁচজন নতুন খেলোয়াড়।’

‘আমাদের বিশ্বাস ছিল অভিজ্ঞ যে ক্রিকেটারগুলো পাঠিয়েছি সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত- তারা সবকিছু ম্যানেজ করে নেবে। একটা জিনিস আমরা আগে থেকেই জানতাম, রিশাদকে খেলাবে। আর সে সুযোগ পেয়ে বিশ্বকাপের মতো জায়গায় কী করতে পারবে, এটা কোনো ধারণাই ছিল না।’

ট্যাগস :

নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ দেখে বুকে ব্যথা শুরু হয়েছিল পাপনের

আপডেট সময় ০১:৩১:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুলাই ২০২৪

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচ জিতেছিল বাংলাদেশ দল। তবে শ্রীলঙ্কা এবং নেপালের বিপক্ষে জয়টা বেশ কষ্টার্জিত। লো স্কোরিং সেই ম্যাচও ক্রিকেট ভক্তদের মনে বারবার সংশয়ের তৈরি করেছিল। স্নায়ুচাপের ধকল সইতে হয়েছে টিভিসেটের সামনে থাকা দর্শকদের। ব্যতিক্রম নন বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। গতকাল সাংবাদিকদের সরাসরিই বললেন, নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ দেখে বুকে ব্যথা শুরু হয়েছিল তার।

মঙ্গলবার (২ জুলাই) বোর্ড সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে পাপন বলছিলেন, ‘এই টুর্নামেন্টের আগে কেউ চিন্তাই করতে পারেনি পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, শ্রীলঙ্কার মতো দল দ্বিতীয় পর্বে খেলবে না। আমরা চিন্তাই করিনি অস্ট্রেলিয়া সেমিফাইনাল খেলবে না। যেভাবে গ্রুপিং করা আছে তাতে যে কেউ ধরেই নিয়েছে যে, অস্ট্রেলিয়া সেমিফাইনাল খেলবে।’

এরপরেই পাপন শোনালেন গ্রুপপর্বের ফল নিয়ে সন্তুষ্টির কথা, ‘মনের মধ্যে আমাদের সবসময় বাংলাদেশ। কিন্তু মুখে না বললেও এটা ধরাই যায়, এখান থেকে সেমিফাইনাল খেলবে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া। সেই জায়গা থেকে প্রথম পর্বে বাংলাদেশ ভালো খেলেছে।’

বিশ্বকাপের পারফরম্যান্স নিয়ে পাপনের মন্তব্য, ‘শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তো ভালো খেলেছে, সবচেয়ে ভালো খেলেছে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। আমার সবসময় মনে হয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশ জেতার মতো খেলেছে, এই ম্যাচটা কোনোভাবেই হারার কথা না। বরং যে দলটা নিয়ে চিন্তা করার কথাই না, সেই নেপাল আমার বুকের ব্যথা উঠিয়ে দিয়েছিল। নেপালের বিপক্ষের ম্যাচটা দেখতে গিয়ে আমার বুকে ব্যথা শুরু হয়ে গিয়েছিল, আরে কী মুশকিল!’

সবশেষ বিশ্বকাপে টাইগারদের নিয়ে ঝুঁকি নিয়েছিল বিসিবি। দলে ৫ তরুণের সংযুক্তি ঝুঁকির ছিল উল্লেখ করে পাপন বলেন, ‘এবারের বিশ্বকাপটা অন্য যেকোনো বারের থেকে আলাদা ছিল। এবারই প্রথম আমরা বড় ধরনের একটা ঝুঁকি নিয়েছিলাম। ঝুঁকিটা হলো এবারই প্রথম আমরা প্রায় পাঁচজন নতুন ক্রিকেটার পাঠিয়েছি। সেখানে চারজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার পাঠিয়েছি। বিশ্বকাপের মতো একটা টুর্নামেন্ট তাও আবার টি-টোয়েন্টি যেখানে আমরা খুব পিছিয়ে আছি, সেখানে এরকম একটা দলকে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে পাঠিয়েছি যেখানে পাঁচজন নতুন খেলোয়াড়।’

‘আমাদের বিশ্বাস ছিল অভিজ্ঞ যে ক্রিকেটারগুলো পাঠিয়েছি সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত- তারা সবকিছু ম্যানেজ করে নেবে। একটা জিনিস আমরা আগে থেকেই জানতাম, রিশাদকে খেলাবে। আর সে সুযোগ পেয়ে বিশ্বকাপের মতো জায়গায় কী করতে পারবে, এটা কোনো ধারণাই ছিল না।’