ঢাকা ০৭:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার স্ত্রী

স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার স্ত্রী

রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে ধর্ষণের শিকারের ঘটনায় করা মামলায় ৭ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রোববার (৩০ জুন) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খিলক্ষেত থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) এনামুল হক খন্দকার আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা হকের আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন-আবুল কাশেম সুমন, পার্থ বিশ্বাস, নূর মোহাম্মদ, হাসিবুল হাসান হিমেল, রবিন হোসেন দেওয়ান, মীর আজিজুল ইসলাম টুটুল ও মেহেদী হাসান হৃদয়। খিলক্ষেত থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার সাব-ইন্সপেক্টর উত্তম কুমার এ তথ্য জানান।

জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী নারী তার স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে বের হন। তারা খিলক্ষেত থানা এলাকার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বনরূপা এলাকায় গেলে সেখানে আবুল কাশেম ওরফে সুমন নামে পূর্বপরিচিত এক ব্যক্তির নেতৃত্বে ৭ জনের দল তাদের অপহরণ করে। পরে ভুক্তভোগী নারী ও তার স্বামীকে বনরূপা এলাকার ঝোপঝাড়ের ভেতরে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় স্বামীর কাছে ৭০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে তারা। মুক্তিপণের টাকা আনার জন্য স্বামীকে ছেড়ে দিলে তিনি বেরিয়ে এসে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেন।

পুলিশ খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্বৃত্তরা ঝোপঝাড়ের ভেতরে বারবার তাদের অবস্থান পরিবর্তন করতে থাকে। ভোর চারটার দিকে পুলিশ সেখান থেকে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে মামলা হওয়ার পর খিলক্ষেতের আশপাশ থেকে শনিবার ৭ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার স্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:৩৮:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুন ২০২৪

রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে ধর্ষণের শিকারের ঘটনায় করা মামলায় ৭ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রোববার (৩০ জুন) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খিলক্ষেত থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) এনামুল হক খন্দকার আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা হকের আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন-আবুল কাশেম সুমন, পার্থ বিশ্বাস, নূর মোহাম্মদ, হাসিবুল হাসান হিমেল, রবিন হোসেন দেওয়ান, মীর আজিজুল ইসলাম টুটুল ও মেহেদী হাসান হৃদয়। খিলক্ষেত থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার সাব-ইন্সপেক্টর উত্তম কুমার এ তথ্য জানান।

জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী নারী তার স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে বের হন। তারা খিলক্ষেত থানা এলাকার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বনরূপা এলাকায় গেলে সেখানে আবুল কাশেম ওরফে সুমন নামে পূর্বপরিচিত এক ব্যক্তির নেতৃত্বে ৭ জনের দল তাদের অপহরণ করে। পরে ভুক্তভোগী নারী ও তার স্বামীকে বনরূপা এলাকার ঝোপঝাড়ের ভেতরে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় স্বামীর কাছে ৭০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে তারা। মুক্তিপণের টাকা আনার জন্য স্বামীকে ছেড়ে দিলে তিনি বেরিয়ে এসে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেন।

পুলিশ খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্বৃত্তরা ঝোপঝাড়ের ভেতরে বারবার তাদের অবস্থান পরিবর্তন করতে থাকে। ভোর চারটার দিকে পুলিশ সেখান থেকে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে মামলা হওয়ার পর খিলক্ষেতের আশপাশ থেকে শনিবার ৭ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।