ঢাকা ০৬:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীতে নির্মাণ হচ্ছে মুজিব কিল্লা

পদ্মা-বড়াল বিধৌত রাজশাহীর চারঘাটে নির্মিত হচ্ছে মুজিব কিল্লা। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় উপজেলার চারঘাট ইউনিয়নের রাওথা কলেজ প্রাঙ্গণে নির্মিত হচ্ছে তিনতলাবিশিষ্ট মূল ভবন ও একতলাবিশিষ্ট একটি ক্যাটেলশেড।

এতে দুর্যোগকালীন বা দুর্যোগপরবর্তী অস্থায়ী সেবাকেন্দ্র হিসেবে সেবা নিতে পারবে উপজেলার প্রায় কয়েক হাজার মানুষ ও গৃহপালিত পশু।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, মুজিব কিল্লার প্রায় ৭ কোটি ৪১ লাখ টাকা ব্যয়ে ৭ হাজার ৬০০ স্কয়ার ফুট একটি ক্যাটলশেড ও ১৩ হাজার স্কয়ার ফুট তিনতলাবিশিষ্ট একটি মূল ভবন নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে, যার নির্মাণকাজ সম্পন্ন হবে ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে। নির্মাণকাজ পরিচালনা করছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স রুমানা এন্টারপ্রাইজ।

নদীতীরবর্তী এলাকাবাসী জানান, বন্যা অথবা নদীভাঙন হলে অন্ততপক্ষে এই মুজিব কিল্লায় আশ্রয় নিতে পারবেন।

উপজেলার পদ্মা বিধৌত নদীতীরবর্তীর বন্যাকবলিত এলাকা পিরোজপুর, চন্দনশহর, গোপালপুর, রাওথা, বাখরাবাদ, মোক্তারপুর, শ্যামপুর, ইউসুফপুর, টাঙনের বন্যাকবলিত এলাকার লোকজন, গবাদিপশুসহ নির্মাণাধীন মুজিব কিল্লা শতভাগ ব্যবহার করবে।

এ ছাড়া স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও জনগণের সমন্বয়ে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজনে ব্যবহার করতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এএসএম শামীম আহম্মেদ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদা খানম বলেন, চলমান মুজিব কিল্লার কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। উপজেলাবাসীর দুর্যোগ থেকে জীবন বাঁচাতে ও গৃহপালিত পশুপাখির আশ্রয়স্থল হিসেবে ভরসা পাবে নির্মাণাধীন এ মুজিব কিল্লা।

রাজশাহীতে নির্মাণ হচ্ছে মুজিব কিল্লা

আপডেট সময় ০১:২৩:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০২৪

পদ্মা-বড়াল বিধৌত রাজশাহীর চারঘাটে নির্মিত হচ্ছে মুজিব কিল্লা। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় উপজেলার চারঘাট ইউনিয়নের রাওথা কলেজ প্রাঙ্গণে নির্মিত হচ্ছে তিনতলাবিশিষ্ট মূল ভবন ও একতলাবিশিষ্ট একটি ক্যাটেলশেড।

এতে দুর্যোগকালীন বা দুর্যোগপরবর্তী অস্থায়ী সেবাকেন্দ্র হিসেবে সেবা নিতে পারবে উপজেলার প্রায় কয়েক হাজার মানুষ ও গৃহপালিত পশু।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, মুজিব কিল্লার প্রায় ৭ কোটি ৪১ লাখ টাকা ব্যয়ে ৭ হাজার ৬০০ স্কয়ার ফুট একটি ক্যাটলশেড ও ১৩ হাজার স্কয়ার ফুট তিনতলাবিশিষ্ট একটি মূল ভবন নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে, যার নির্মাণকাজ সম্পন্ন হবে ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে। নির্মাণকাজ পরিচালনা করছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স রুমানা এন্টারপ্রাইজ।

নদীতীরবর্তী এলাকাবাসী জানান, বন্যা অথবা নদীভাঙন হলে অন্ততপক্ষে এই মুজিব কিল্লায় আশ্রয় নিতে পারবেন।

উপজেলার পদ্মা বিধৌত নদীতীরবর্তীর বন্যাকবলিত এলাকা পিরোজপুর, চন্দনশহর, গোপালপুর, রাওথা, বাখরাবাদ, মোক্তারপুর, শ্যামপুর, ইউসুফপুর, টাঙনের বন্যাকবলিত এলাকার লোকজন, গবাদিপশুসহ নির্মাণাধীন মুজিব কিল্লা শতভাগ ব্যবহার করবে।

এ ছাড়া স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও জনগণের সমন্বয়ে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজনে ব্যবহার করতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এএসএম শামীম আহম্মেদ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদা খানম বলেন, চলমান মুজিব কিল্লার কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। উপজেলাবাসীর দুর্যোগ থেকে জীবন বাঁচাতে ও গৃহপালিত পশুপাখির আশ্রয়স্থল হিসেবে ভরসা পাবে নির্মাণাধীন এ মুজিব কিল্লা।