ঢাকা ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গুজরাটে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ১৮ জনের মৃত্যু Logo চীনে সেভেন সিস্টার্স নিয়ে যা বলেছিলেন ড. ইউনূস? যেজন্য হতভম্ব ভারত Logo জামায়াতের ঈদ উপলক্ষে প্রীতি ভোজের ঘটনায় বিএনপি – যুবলীগের হামলা Logo শহীদ নাসিব হাসান রিহান-এর পরিবারের সদস্যদের সাথে আমীরে জামায়াতের ঈদ কুশল বিনিময় Logo ড. ইউনূসকে শেহবাজের ফোন, পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ Logo মিয়ানমারে ভূমিকম্প: ২ হাজার ছাড়াল নিহতের সংখ্যা Logo গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: খালেদা জিয়া Logo ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের পদত্যাগ Logo ঈদের নামাজ শেষে ‘জয় বাংলা’স্লোগান, বিএনপির সাথে সংঘর্ষ গুলিবিদ্ধ ১ Logo আইপিএলসহ টিভিতে যা দেকবেন আজ

যে কাজে ভালো কাটবে আপনার দিন

দিনের শুরুটা দেখেই নাকি বলে দেয়া যায়, সারাদিন কেমন যাবে! ঘুম ভাঙার পরে আপনি যদি একটি হাসিখুশি মন নিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন, তবে দিনের বাকি সময়টুকুও আনন্দেই কাটবে। দিনের শুরুতে কিছু কাজ আপনাকে সারাদিন চলার শক্তি জোগাবে।

সকালের সময়টুকু আপনি কীভাবে কাটাবেন, তার ওপরেই নির্ভর করে বাকি দিনটা আপনার কীভাবে কাটবে। জেনে দিনের শুরুটা দারুণভাবে করার সহজ সাতটি কাজ-

ঘুম থেকে উঠে প্রথমে যে কাজটি করবেন তা হলো নিজের বিছানা পরিপাটি করে গুছিয়ে রাখা। দিনের শুরুটা সুন্দর করার এটিই প্রথম ধাপ। খুব সাধারণ এই ঘরের কাজ আপনার মনের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। সকালবেলা গুছিয়ে রাখা বিছানা আপনাকে মানসিক পরিতৃপ্তি দেয়। তাই দিনের শুরুতে এটাই হোক আপনার প্রথম কাজ।

এরপর বিছানা ছেড়ে হাত-মুখ ধুয়ে অবশ্যই একগ্লাস পানি খাবেন। সকালে শরীরকে আর্দ্র করা অত্যন্ত জরুরি। ঘুম থেকে উঠে পানি খেলে শরীর শক্তি পাবে, ঘুমিয়ে থাকা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো ঠিকমতো কাজ শুরু করবে। দিনের শুরুতে একগ্লাস পানি আপনার শরীরে সারারাত ধরে জমা টক্সিন বের করতে সাহায্য করবে।

এরপরের কাজটি হলো ব্যায়াম। জিম কিংবা সাঁতার, হাঁটা কিংবা জগিং- সকালে উঠে কিছু সময়ের জন্য হলেও ব্যায়াম করতেই হবে। এর ফলে শুধু আপনার শরীর নয়, শক্তি পাবে আপনার মনও। কাজ করার নতুন উদ্যম পাবেন।

এরপর একটি তালিকা তৈরি করুন। তালিকাটি হবে সারাদিন আপনি কোন কাজগুলো করবেন, তার। জরুরি কাজ যেমন, ডাক্তারের কাছে যাওয়া, ব্যাংকে যাওয়া ইত্যাদি থাকলে পাশাপাশি সময়ও উল্লেখ করে দিন। গুরুত্ব অনুযায়ী কাজগুলো সাজিয়ে ফেলুন। সারাদিনের কাজ সহজ হয়ে যাবে।

অনেকেই আছেন যারা সকালে উঠেই ফোন ঘাঁটতে শুরু করেন। এটি ভীষণ অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস। তাই সকালে উঠেই ফোন ঘাঁটা বন্ধ করুন। জরুরি না হলে সেলফোন থেকে দূরে থাকুন। বরং নিজের জন্য রাখুন সময়টুকু। এরপর তৈরি হয়ে নিন সারাদিনের জন্য। গোসল, কাপড় পরা, তৈরি হওয়া সব ঝটপট সেরে ফেলুন। কোনটার পরে কোনটা করবেন তাও ঠিক করে নিন।

সকালের রুটিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সকালের নাস্তা। সকালের খাবার হতে হবে স্বাস্থ্যকর ও পেটভর্তি। সামনে যা পান তাই খেয়ে বের হয়ে যাবেন না। দরকার হলে আগের দিন ঠিক করে রাখুন, পরের দিন সকালের নাস্তায় কী খাবেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

গুজরাটে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ১৮ জনের মৃত্যু

যে কাজে ভালো কাটবে আপনার দিন

আপডেট সময় ০৫:৪১:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪

দিনের শুরুটা দেখেই নাকি বলে দেয়া যায়, সারাদিন কেমন যাবে! ঘুম ভাঙার পরে আপনি যদি একটি হাসিখুশি মন নিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন, তবে দিনের বাকি সময়টুকুও আনন্দেই কাটবে। দিনের শুরুতে কিছু কাজ আপনাকে সারাদিন চলার শক্তি জোগাবে।

সকালের সময়টুকু আপনি কীভাবে কাটাবেন, তার ওপরেই নির্ভর করে বাকি দিনটা আপনার কীভাবে কাটবে। জেনে দিনের শুরুটা দারুণভাবে করার সহজ সাতটি কাজ-

ঘুম থেকে উঠে প্রথমে যে কাজটি করবেন তা হলো নিজের বিছানা পরিপাটি করে গুছিয়ে রাখা। দিনের শুরুটা সুন্দর করার এটিই প্রথম ধাপ। খুব সাধারণ এই ঘরের কাজ আপনার মনের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। সকালবেলা গুছিয়ে রাখা বিছানা আপনাকে মানসিক পরিতৃপ্তি দেয়। তাই দিনের শুরুতে এটাই হোক আপনার প্রথম কাজ।

এরপর বিছানা ছেড়ে হাত-মুখ ধুয়ে অবশ্যই একগ্লাস পানি খাবেন। সকালে শরীরকে আর্দ্র করা অত্যন্ত জরুরি। ঘুম থেকে উঠে পানি খেলে শরীর শক্তি পাবে, ঘুমিয়ে থাকা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো ঠিকমতো কাজ শুরু করবে। দিনের শুরুতে একগ্লাস পানি আপনার শরীরে সারারাত ধরে জমা টক্সিন বের করতে সাহায্য করবে।

এরপরের কাজটি হলো ব্যায়াম। জিম কিংবা সাঁতার, হাঁটা কিংবা জগিং- সকালে উঠে কিছু সময়ের জন্য হলেও ব্যায়াম করতেই হবে। এর ফলে শুধু আপনার শরীর নয়, শক্তি পাবে আপনার মনও। কাজ করার নতুন উদ্যম পাবেন।

এরপর একটি তালিকা তৈরি করুন। তালিকাটি হবে সারাদিন আপনি কোন কাজগুলো করবেন, তার। জরুরি কাজ যেমন, ডাক্তারের কাছে যাওয়া, ব্যাংকে যাওয়া ইত্যাদি থাকলে পাশাপাশি সময়ও উল্লেখ করে দিন। গুরুত্ব অনুযায়ী কাজগুলো সাজিয়ে ফেলুন। সারাদিনের কাজ সহজ হয়ে যাবে।

অনেকেই আছেন যারা সকালে উঠেই ফোন ঘাঁটতে শুরু করেন। এটি ভীষণ অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস। তাই সকালে উঠেই ফোন ঘাঁটা বন্ধ করুন। জরুরি না হলে সেলফোন থেকে দূরে থাকুন। বরং নিজের জন্য রাখুন সময়টুকু। এরপর তৈরি হয়ে নিন সারাদিনের জন্য। গোসল, কাপড় পরা, তৈরি হওয়া সব ঝটপট সেরে ফেলুন। কোনটার পরে কোনটা করবেন তাও ঠিক করে নিন।

সকালের রুটিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সকালের নাস্তা। সকালের খাবার হতে হবে স্বাস্থ্যকর ও পেটভর্তি। সামনে যা পান তাই খেয়ে বের হয়ে যাবেন না। দরকার হলে আগের দিন ঠিক করে রাখুন, পরের দিন সকালের নাস্তায় কী খাবেন।