ঢাকা ০১:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গুজরাটে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ১৮ জনের মৃত্যু Logo চীনে সেভেন সিস্টার্স নিয়ে যা বলেছিলেন ড. ইউনূস? যেজন্য হতভম্ব ভারত Logo জামায়াতের ঈদ উপলক্ষে প্রীতি ভোজের ঘটনায় বিএনপি – যুবলীগের হামলা Logo শহীদ নাসিব হাসান রিহান-এর পরিবারের সদস্যদের সাথে আমীরে জামায়াতের ঈদ কুশল বিনিময় Logo ড. ইউনূসকে শেহবাজের ফোন, পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ Logo মিয়ানমারে ভূমিকম্প: ২ হাজার ছাড়াল নিহতের সংখ্যা Logo গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: খালেদা জিয়া Logo ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের পদত্যাগ Logo ঈদের নামাজ শেষে ‘জয় বাংলা’স্লোগান, বিএনপির সাথে সংঘর্ষ গুলিবিদ্ধ ১ Logo আইপিএলসহ টিভিতে যা দেকবেন আজ

পাবিপ্রবিতে কর্মকর্তাদের অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ঘোষণা

১৫ দফা দাবি বাস্তবায়ন নিয়ে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করছেন কর্মকর্তাদের কর্মকর্তা পরিষদের সদস্যরা।

রবিবার (৯ জুন) সকাল দশটা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে তারা অবস্থান নেন। কর্মবিরতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ দপ্তরের কর্মকর্তাদের এই কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ করতে দেখা গিয়েছে। তবে কর্মকর্তাদের অন্য অংশ পাস্ট ডিরেক্ট রিক্রুটেড অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তাদের অফিস করতে দেখা গিয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২১ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর ৪% গৃহ ঋণ বাস্তবায়ন, কর্মকর্তাদের পদন্নোতি নীতিমালা সংশোধন, কর্মকর্তাদের নিয়োগবিধি সংশোধনসহ ১৫ দফা দাবি জানিয়ে রেজিস্ট্রার বরাবর একটি স্মারকলিপি দেন কর্মকর্তা পরিষদ। ঐ স্মারক লিপিতে ২৮ মে’র মধ্যে তাদের দাবিগুলো বাস্তবায়নের জন্য সময় দেওয়া হয়। কিন্তু ২৮ তারিখের মধ্যে প্রশাসন দাবিগুলো পূরণ না করলে ৪ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রাকে ৮ জুন থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি ঘোষণা দিয়ে একটি চিঠি দেন।

কর্মকর্তাদের দাবি দাওয়া নিয়ে ৫ জুন (বুধবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কর্মকর্তা পরিষদের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে বৈঠক করেন। উপাচার্যের সাথে ঐ বৈঠকে দাবিগুলোর কোন সমাধান হয়নি বলে জানান কর্মকর্তা পরিষদের নেতৃবৃন্দ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এবিএম আতিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা আমাদের ন্যায্য অধিকারের জন্য আন্দোলন করছি। প্রশাসন কিছু সুবিধাভোগী কর্মকর্তাকে দিনের পর দিন সুযোগ সুবিধা দিয়ে যাচ্ছেন। এর ফলে সাধারণ কর্মকর্তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। কর্মকর্তাদের অধিকার আদায়ের জন্যই কর্মসূচি।’

কর্মকর্তা পরিষদের সভাপতি হারুনুর রশিদ বলেন, ১৫ দফার প্রত্যেকটি দাবি ন্যায্য। কিন্তু প্রশাসন সেগুলো বাস্তবায়ন করতে রাজি নয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে এখন সিন্ডিকেট তৈরী হয়েছে, কেউ সুবিধা পায় কেউ সুবিধা পায়না। আমরা দাবি দাওয়ার জন্য আন্দোলন শুরু করেছি, দাবি দাওয়া পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা অফিসে যাবোনা।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বিজন কুমার ব্রহ্ম বলেন, ‘গত বুধবার উপাচার্য কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। সেখানে সমস্যা সমাধান হয়েছে শুনলাম। এখন ওরা আন্দোলন করলে আমার কিছু করার নেই। আমি এই বিষয়ে আর কোন কথা বলতে রাজি নয়।’

জনপ্রিয় সংবাদ

গুজরাটে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ১৮ জনের মৃত্যু

পাবিপ্রবিতে কর্মকর্তাদের অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ঘোষণা

আপডেট সময় ০৩:৫৫:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ জুন ২০২৪

১৫ দফা দাবি বাস্তবায়ন নিয়ে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করছেন কর্মকর্তাদের কর্মকর্তা পরিষদের সদস্যরা।

রবিবার (৯ জুন) সকাল দশটা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে তারা অবস্থান নেন। কর্মবিরতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ দপ্তরের কর্মকর্তাদের এই কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ করতে দেখা গিয়েছে। তবে কর্মকর্তাদের অন্য অংশ পাস্ট ডিরেক্ট রিক্রুটেড অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তাদের অফিস করতে দেখা গিয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২১ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর ৪% গৃহ ঋণ বাস্তবায়ন, কর্মকর্তাদের পদন্নোতি নীতিমালা সংশোধন, কর্মকর্তাদের নিয়োগবিধি সংশোধনসহ ১৫ দফা দাবি জানিয়ে রেজিস্ট্রার বরাবর একটি স্মারকলিপি দেন কর্মকর্তা পরিষদ। ঐ স্মারক লিপিতে ২৮ মে’র মধ্যে তাদের দাবিগুলো বাস্তবায়নের জন্য সময় দেওয়া হয়। কিন্তু ২৮ তারিখের মধ্যে প্রশাসন দাবিগুলো পূরণ না করলে ৪ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রাকে ৮ জুন থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি ঘোষণা দিয়ে একটি চিঠি দেন।

কর্মকর্তাদের দাবি দাওয়া নিয়ে ৫ জুন (বুধবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কর্মকর্তা পরিষদের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে বৈঠক করেন। উপাচার্যের সাথে ঐ বৈঠকে দাবিগুলোর কোন সমাধান হয়নি বলে জানান কর্মকর্তা পরিষদের নেতৃবৃন্দ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এবিএম আতিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা আমাদের ন্যায্য অধিকারের জন্য আন্দোলন করছি। প্রশাসন কিছু সুবিধাভোগী কর্মকর্তাকে দিনের পর দিন সুযোগ সুবিধা দিয়ে যাচ্ছেন। এর ফলে সাধারণ কর্মকর্তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। কর্মকর্তাদের অধিকার আদায়ের জন্যই কর্মসূচি।’

কর্মকর্তা পরিষদের সভাপতি হারুনুর রশিদ বলেন, ১৫ দফার প্রত্যেকটি দাবি ন্যায্য। কিন্তু প্রশাসন সেগুলো বাস্তবায়ন করতে রাজি নয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে এখন সিন্ডিকেট তৈরী হয়েছে, কেউ সুবিধা পায় কেউ সুবিধা পায়না। আমরা দাবি দাওয়ার জন্য আন্দোলন শুরু করেছি, দাবি দাওয়া পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা অফিসে যাবোনা।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বিজন কুমার ব্রহ্ম বলেন, ‘গত বুধবার উপাচার্য কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। সেখানে সমস্যা সমাধান হয়েছে শুনলাম। এখন ওরা আন্দোলন করলে আমার কিছু করার নেই। আমি এই বিষয়ে আর কোন কথা বলতে রাজি নয়।’