ঢাকা ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ এপ্রিল ২০২৫, ১৯ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গুজরাটে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ১৮ জনের মৃত্যু Logo চীনে সেভেন সিস্টার্স নিয়ে যা বলেছিলেন ড. ইউনূস? যেজন্য হতভম্ব ভারত Logo জামায়াতের ঈদ উপলক্ষে প্রীতি ভোজের ঘটনায় বিএনপি – যুবলীগের হামলা Logo শহীদ নাসিব হাসান রিহান-এর পরিবারের সদস্যদের সাথে আমীরে জামায়াতের ঈদ কুশল বিনিময় Logo ড. ইউনূসকে শেহবাজের ফোন, পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ Logo মিয়ানমারে ভূমিকম্প: ২ হাজার ছাড়াল নিহতের সংখ্যা Logo গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: খালেদা জিয়া Logo ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের পদত্যাগ Logo ঈদের নামাজ শেষে ‘জয় বাংলা’স্লোগান, বিএনপির সাথে সংঘর্ষ গুলিবিদ্ধ ১ Logo আইপিএলসহ টিভিতে যা দেকবেন আজ

বাগেরহাটে গণধর্ষণ গ্রেফতার -৫

বাগেরহাটের মোংলায় এক নারীকে গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত ৫জনকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল  (৪ জুন) মঙ্গলবার দিবাগত রাতে এ গণধর্ষণের ঘটনায় বুধবার (৫জুন) দুপুরে আসামিদের আদালতের মাধ্যমে বাগেরহাট জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়। এর আগে এদিন সকালে মোংলা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন ভুক্তভোগীর বোন।

মোংলা থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) কে.এম. আজিজুল ইসলাম জানান, এ ধর্ষণ মামলার আসামিরা হচ্ছেন – মোংলা উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের বাঁশতলা গ্রামের মনিরুল ফকিরের ছেলে রুমান ফকির (২৫), ওলি শেখের ছেলে রানা শেখ (২৪), তায়জিদ খানের ছেলে মো. সুমন (২৯), বাশার মোছাল্লীর ছেলে মিজানুর মোছাল্লী (৩৬), মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে মো. জামাল (৪৫), মো. লুৎফরের ছেলে মো. আওয়াল (৩৫) ও চিলা ইউনিয়নের হলদিবুনিয়া পঙ্গুর মোড় এলাকার মৃত চানমিয়া শেখের ছেলে রাসেল শেখ (২২) এর মধ্য থেকে  রুমান, রানা, সুমন, মিজান ও রাসেল কে আটক করলেও পলাতক রয়েছে জামাল ও আওয়াল।

মোংলা থানায় দায়ের হওয়া মামলার বরাত দিয়ে ওসি কে.এম. আজিজুল ইসলাম বলেন, গনধর্ষণের শিকার ওই নারী এর সাথে ১০/১২ দিন আগে মামলার আসামি সুন্দরবন ইউনিয়নের বাঁশতলা গ্রামের রুমান ফকির ও রানা শেখের মোবাইলে পরিচয় হয়। পরিচয়ের এক পর্যায়ে গত সোমবার তারা ওই নারীর সাথে মোংলা সরকারি কলেজের সামনে দেখা করে। পরে ওই নারীকে রাত ১০টার দিকে মোটর সাইকেলে করে সুন্দরবন ইউনিয়নের উত্তর বাঁশতলা গ্রামের একটি মৎস্য ঘেরে ঢুকিয়ে চোখ ও মুখ বেঁধে জোরপূর্বক তাকে একাধিক লোক পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করে। পরে সে অচেতন হয়ে জ্ঞান হারালে ওইদিন রাত ৩টায় পাশ্ববর্তী চাঁদপাই ইউনিয়নের মৌখালী ব্রীজের রাস্তার পাশে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায় আসামিরা।

পরে এই পথ দিয়ে যাওয়া হুমায়ুন নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী ওই নারীর চোখ ও মুখের বাঁধন খুলে দিলে কিছুক্ষণ পরে সে সুস্থ হয়। পরে ওই নারী তার বোন আসমা আক্তারকে ফোন দিলে তাকে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এদিকে এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার ওই নারীর বোন আসমা আক্তার বাদী হয়ে ৭জনকে আসামি করে মোংলা থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার করে। পরে বুধবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে বাগেরহাট জেল হাজতে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছেন তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

গুজরাটে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ১৮ জনের মৃত্যু

বাগেরহাটে গণধর্ষণ গ্রেফতার -৫

আপডেট সময় ১০:২৫:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ জুন ২০২৪

বাগেরহাটের মোংলায় এক নারীকে গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত ৫জনকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল  (৪ জুন) মঙ্গলবার দিবাগত রাতে এ গণধর্ষণের ঘটনায় বুধবার (৫জুন) দুপুরে আসামিদের আদালতের মাধ্যমে বাগেরহাট জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়। এর আগে এদিন সকালে মোংলা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন ভুক্তভোগীর বোন।

মোংলা থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) কে.এম. আজিজুল ইসলাম জানান, এ ধর্ষণ মামলার আসামিরা হচ্ছেন – মোংলা উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের বাঁশতলা গ্রামের মনিরুল ফকিরের ছেলে রুমান ফকির (২৫), ওলি শেখের ছেলে রানা শেখ (২৪), তায়জিদ খানের ছেলে মো. সুমন (২৯), বাশার মোছাল্লীর ছেলে মিজানুর মোছাল্লী (৩৬), মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে মো. জামাল (৪৫), মো. লুৎফরের ছেলে মো. আওয়াল (৩৫) ও চিলা ইউনিয়নের হলদিবুনিয়া পঙ্গুর মোড় এলাকার মৃত চানমিয়া শেখের ছেলে রাসেল শেখ (২২) এর মধ্য থেকে  রুমান, রানা, সুমন, মিজান ও রাসেল কে আটক করলেও পলাতক রয়েছে জামাল ও আওয়াল।

মোংলা থানায় দায়ের হওয়া মামলার বরাত দিয়ে ওসি কে.এম. আজিজুল ইসলাম বলেন, গনধর্ষণের শিকার ওই নারী এর সাথে ১০/১২ দিন আগে মামলার আসামি সুন্দরবন ইউনিয়নের বাঁশতলা গ্রামের রুমান ফকির ও রানা শেখের মোবাইলে পরিচয় হয়। পরিচয়ের এক পর্যায়ে গত সোমবার তারা ওই নারীর সাথে মোংলা সরকারি কলেজের সামনে দেখা করে। পরে ওই নারীকে রাত ১০টার দিকে মোটর সাইকেলে করে সুন্দরবন ইউনিয়নের উত্তর বাঁশতলা গ্রামের একটি মৎস্য ঘেরে ঢুকিয়ে চোখ ও মুখ বেঁধে জোরপূর্বক তাকে একাধিক লোক পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করে। পরে সে অচেতন হয়ে জ্ঞান হারালে ওইদিন রাত ৩টায় পাশ্ববর্তী চাঁদপাই ইউনিয়নের মৌখালী ব্রীজের রাস্তার পাশে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায় আসামিরা।

পরে এই পথ দিয়ে যাওয়া হুমায়ুন নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী ওই নারীর চোখ ও মুখের বাঁধন খুলে দিলে কিছুক্ষণ পরে সে সুস্থ হয়। পরে ওই নারী তার বোন আসমা আক্তারকে ফোন দিলে তাকে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এদিকে এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার ওই নারীর বোন আসমা আক্তার বাদী হয়ে ৭জনকে আসামি করে মোংলা থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার করে। পরে বুধবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে বাগেরহাট জেল হাজতে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছেন তিনি।