ঢাকা ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুলাই ২০২৪, ২৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মিয়ানমারে ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশও

মিয়ানমারে ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশও

মিয়ানমারে মাঝারি মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়েছে। যা অনুভূত হয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলাতেও। মিয়ানমারের মাওলাইক এলাকায় উৎপত্তি হওয়া এ ভূমিকম্পের মাত্রা রিখটার স্কেলে ৫ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র। রোববার (২ জুন) দুপুর ২টা ৪৪ মিনিট ৫৯ সেকেন্ডে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয় বলে জানিয়েছেন ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা।

তিনি জানান, মিয়ানমারে ৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে, যা অনুভূত হয়েছে রাঙামাটি জেলায়। খাগড়াছড়ির দিঘীনালাতেও বেশ অনুভূত হয়েছে। এছাড়া ঢাকা, কুমিল্লা ও কক্সবাজারেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ঢাকা থেকে ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ৪৪২ কিলোমিটার দূরে ছিল বলেও জানান তিনি।

এর আগে, গত ২৯ মে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.৪। এছাড়া এ বছর আরও অন্তত ৩টি ভূমিকম্প অনুভূত হয় বাংলাদেশে। গত ২৮ এপ্রিল (রোববার) বাংলাদেশের রাজশাহী অঞ্চল এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ভূমিকম্প সংঘটিত হয়। রাত ৮টা ৫ মিনিটে এ ভূমিকম্প হয়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তমপুরে ভূমিকম্পটির উৎপত্তি হয়। এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৪।

গত ২০ এপ্রিল চট্টগ্রামে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ৩.৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি বন্দরনগরী থেকে ৪৩ কিলোমিটার দূরে আঘাত হানে। মৃদু ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভারত সীমান্ত থেকে ৩৪ কিলোমিটার ও মিয়ানমার থেকে ৬৬ কিলোমিটার দূরে। ভূমিকম্পের কেন্দ্রে এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টা ৭ মিনিটে মৃদু ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে চুয়াডাঙ্গা। চুয়াডাঙ্গার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান ওই সময় জানান, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৩.৬। এর উৎপত্তিস্থল ছিল পাবনা জেলার আটঘরিয়া।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

মিয়ানমারে ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশও

আপডেট সময় ০৯:৩৪:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ জুন ২০২৪

মিয়ানমারে মাঝারি মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়েছে। যা অনুভূত হয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলাতেও। মিয়ানমারের মাওলাইক এলাকায় উৎপত্তি হওয়া এ ভূমিকম্পের মাত্রা রিখটার স্কেলে ৫ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র। রোববার (২ জুন) দুপুর ২টা ৪৪ মিনিট ৫৯ সেকেন্ডে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয় বলে জানিয়েছেন ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা।

তিনি জানান, মিয়ানমারে ৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে, যা অনুভূত হয়েছে রাঙামাটি জেলায়। খাগড়াছড়ির দিঘীনালাতেও বেশ অনুভূত হয়েছে। এছাড়া ঢাকা, কুমিল্লা ও কক্সবাজারেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ঢাকা থেকে ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ৪৪২ কিলোমিটার দূরে ছিল বলেও জানান তিনি।

এর আগে, গত ২৯ মে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.৪। এছাড়া এ বছর আরও অন্তত ৩টি ভূমিকম্প অনুভূত হয় বাংলাদেশে। গত ২৮ এপ্রিল (রোববার) বাংলাদেশের রাজশাহী অঞ্চল এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ভূমিকম্প সংঘটিত হয়। রাত ৮টা ৫ মিনিটে এ ভূমিকম্প হয়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তমপুরে ভূমিকম্পটির উৎপত্তি হয়। এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৪।

গত ২০ এপ্রিল চট্টগ্রামে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ৩.৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি বন্দরনগরী থেকে ৪৩ কিলোমিটার দূরে আঘাত হানে। মৃদু ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভারত সীমান্ত থেকে ৩৪ কিলোমিটার ও মিয়ানমার থেকে ৬৬ কিলোমিটার দূরে। ভূমিকম্পের কেন্দ্রে এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টা ৭ মিনিটে মৃদু ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে চুয়াডাঙ্গা। চুয়াডাঙ্গার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান ওই সময় জানান, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৩.৬। এর উৎপত্তিস্থল ছিল পাবনা জেলার আটঘরিয়া।