ঢাকা ০২:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গুজরাটে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ১৮ জনের মৃত্যু Logo চীনে সেভেন সিস্টার্স নিয়ে যা বলেছিলেন ড. ইউনূস? যেজন্য হতভম্ব ভারত Logo জামায়াতের ঈদ উপলক্ষে প্রীতি ভোজের ঘটনায় বিএনপি – যুবলীগের হামলা Logo শহীদ নাসিব হাসান রিহান-এর পরিবারের সদস্যদের সাথে আমীরে জামায়াতের ঈদ কুশল বিনিময় Logo ড. ইউনূসকে শেহবাজের ফোন, পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ Logo মিয়ানমারে ভূমিকম্প: ২ হাজার ছাড়াল নিহতের সংখ্যা Logo গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: খালেদা জিয়া Logo ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের পদত্যাগ Logo ঈদের নামাজ শেষে ‘জয় বাংলা’স্লোগান, বিএনপির সাথে সংঘর্ষ গুলিবিদ্ধ ১ Logo আইপিএলসহ টিভিতে যা দেকবেন আজ

প্রবাসীর কাছ থেকে সোনা ছিনতাইকালে পুলিশকে গণধোলাই দিলো জনতা

চট্টগ্রামে সৌদিফেরত এক প্রবাসীর কাছ থেকে ১৬ ভরি সোনা ছিনতাই করতে গিয়ে আটক হয়েছেন এক পুলিশ কর্মকর্তাসহ দুজন। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার নাম আমিনুল ইসলাম। তিনি চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী থানার উপপরিদর্শক (এসআই)।

রোববার (১৯ মে) বিকেলে নগরের খুলশী থানা এলাকার আখতারুজ্জামান চৌধুরী উড়ালসড়কে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) মোখলেছুর রহমান বলেন, মোহাম্মদ খালেক নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে সোনার বার ছিনতাইয়ের অভিযোগে খুলশী থানার এক এসআইসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে। ওই এসআইকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা হচ্ছে।

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ নেয়ামত উল্লাহ বলেন, এসআই আমিনুল দায়িত্বরত (ডিউটিতে) ছিলেন না। এ ফাঁকে দুই সহযোগীকে নিয়ে তিনি বিদেশফেরত এক ব্যক্তির কাছ থেকে ১৬ ভরি সোনা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন তাদের আটক করার পর পুলিশ দুজনকে থানায় নিয়ে আসে। তৃতীয় ব্যক্তি পালিয়ে যান।

গ্রেপ্তার এসআই আমিনুলের সহযোগীর নাম শহীদুল ইসলাম জাহেদ (৪৫)। তিনি চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া থানার রাহাত্তার পুলের কেবি আমান আলী সড়কের বাসিন্দা।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সন্তোষ কুমার চাকমা বলেন, বেলা তিনটার দিকে ঘটনাটি ঘটেছে। সৌদিপ্রবাসী আবদুল খালেক চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফিরছিলেন। তাকে বহনকারী গাড়ি খুলশী টাইগার পাস এলাকায় পৌঁছালে তার গতি রোধ করেন এসআই আমিনুল ইসলাম। দুই সহযোগীকে নিয়ে তিনি প্রবাসী আবদুল খালেকের কাছ থেকে ১৬ ভরি সোনা ছিনিয়ে নেন। এরপর ওই গাড়িসহ প্রবাসীকে নিয়ে নগরের কয়েকটি জায়গায় ঘোরেন।

একপর্যায়ে আখতারুজ্জামান চৌধুরী উড়ালসড়কে নিয়ে প্রবাসীকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিতে চেষ্টা করেন এসআই আমিনুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা। গাড়ি থেকে নামিয়ে দেওয়ার সময় প্রবাসী আবদুল খালেক পুলিশ কর্মকর্তার কাপড় ধরে রাখেন। কিছুক্ষণ ধস্তাধস্তি হয়। এরই মধ্যে সেখানে লোকজন ভিড় জমান। খবর পেয়ে সেখানে হাজির হয় পাঁচলাইশ থানা-পুলিশ। তারা খুলশী থানার এসআই আমিনুল ইসলাম ও তার সহযোগী শহীদুলকে আটক করেন। দ্বিতীয় সহযোগী পালিয়ে যান।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

গুজরাটে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ১৮ জনের মৃত্যু

প্রবাসীর কাছ থেকে সোনা ছিনতাইকালে পুলিশকে গণধোলাই দিলো জনতা

আপডেট সময় ০৭:১৭:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০২৪

চট্টগ্রামে সৌদিফেরত এক প্রবাসীর কাছ থেকে ১৬ ভরি সোনা ছিনতাই করতে গিয়ে আটক হয়েছেন এক পুলিশ কর্মকর্তাসহ দুজন। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার নাম আমিনুল ইসলাম। তিনি চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী থানার উপপরিদর্শক (এসআই)।

রোববার (১৯ মে) বিকেলে নগরের খুলশী থানা এলাকার আখতারুজ্জামান চৌধুরী উড়ালসড়কে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) মোখলেছুর রহমান বলেন, মোহাম্মদ খালেক নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে সোনার বার ছিনতাইয়ের অভিযোগে খুলশী থানার এক এসআইসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে। ওই এসআইকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা হচ্ছে।

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ নেয়ামত উল্লাহ বলেন, এসআই আমিনুল দায়িত্বরত (ডিউটিতে) ছিলেন না। এ ফাঁকে দুই সহযোগীকে নিয়ে তিনি বিদেশফেরত এক ব্যক্তির কাছ থেকে ১৬ ভরি সোনা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন তাদের আটক করার পর পুলিশ দুজনকে থানায় নিয়ে আসে। তৃতীয় ব্যক্তি পালিয়ে যান।

গ্রেপ্তার এসআই আমিনুলের সহযোগীর নাম শহীদুল ইসলাম জাহেদ (৪৫)। তিনি চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া থানার রাহাত্তার পুলের কেবি আমান আলী সড়কের বাসিন্দা।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সন্তোষ কুমার চাকমা বলেন, বেলা তিনটার দিকে ঘটনাটি ঘটেছে। সৌদিপ্রবাসী আবদুল খালেক চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফিরছিলেন। তাকে বহনকারী গাড়ি খুলশী টাইগার পাস এলাকায় পৌঁছালে তার গতি রোধ করেন এসআই আমিনুল ইসলাম। দুই সহযোগীকে নিয়ে তিনি প্রবাসী আবদুল খালেকের কাছ থেকে ১৬ ভরি সোনা ছিনিয়ে নেন। এরপর ওই গাড়িসহ প্রবাসীকে নিয়ে নগরের কয়েকটি জায়গায় ঘোরেন।

একপর্যায়ে আখতারুজ্জামান চৌধুরী উড়ালসড়কে নিয়ে প্রবাসীকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিতে চেষ্টা করেন এসআই আমিনুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা। গাড়ি থেকে নামিয়ে দেওয়ার সময় প্রবাসী আবদুল খালেক পুলিশ কর্মকর্তার কাপড় ধরে রাখেন। কিছুক্ষণ ধস্তাধস্তি হয়। এরই মধ্যে সেখানে লোকজন ভিড় জমান। খবর পেয়ে সেখানে হাজির হয় পাঁচলাইশ থানা-পুলিশ। তারা খুলশী থানার এসআই আমিনুল ইসলাম ও তার সহযোগী শহীদুলকে আটক করেন। দ্বিতীয় সহযোগী পালিয়ে যান।