ঢাকা ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গুজরাটে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ১৮ জনের মৃত্যু Logo চীনে সেভেন সিস্টার্স নিয়ে যা বলেছিলেন ড. ইউনূস? যেজন্য হতভম্ব ভারত Logo জামায়াতের ঈদ উপলক্ষে প্রীতি ভোজের ঘটনায় বিএনপি – যুবলীগের হামলা Logo শহীদ নাসিব হাসান রিহান-এর পরিবারের সদস্যদের সাথে আমীরে জামায়াতের ঈদ কুশল বিনিময় Logo ড. ইউনূসকে শেহবাজের ফোন, পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ Logo মিয়ানমারে ভূমিকম্প: ২ হাজার ছাড়াল নিহতের সংখ্যা Logo গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: খালেদা জিয়া Logo ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের পদত্যাগ Logo ঈদের নামাজ শেষে ‘জয় বাংলা’স্লোগান, বিএনপির সাথে সংঘর্ষ গুলিবিদ্ধ ১ Logo আইপিএলসহ টিভিতে যা দেকবেন আজ

ইসরায়েলি সেনারা মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে : যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর ৫ ইউনিটকে পৃথক ঘটনায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ী করেছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ী করলেও ইসরায়েলের প্রতি মার্কিন প্রশাসন সামরিক সমর্থন অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছে। এসংক্রান্ত সব ঘটনা বর্তমান যুদ্ধের আগে গাজার বাইরে সংঘটিত হয়েছিল। ইসরায়েল অভিযুক্ত চারটি ইউনিটের বিরুদ্ধে সংশোধনমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে।

বাকি একটি ইউনিটের বিষয়ে ‘অতিরিক্ত তথ্য’ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর অর্থ হলো- সব ইউনিট মার্কিন সামরিক সহায়তার জন্য যোগ্য থাকবে। ওয়াশিংটন ইসরায়েলের প্রধান সামরিক সমর্থক। যারা প্রতিবছর ইসরায়েলকে ৩.৮ বিলিয়ন মূল্যের অস্ত্র এবং প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সরবরাহ করে থাকে।

কোনো ইসরায়েলি ইউনিটের বিরুদ্ধে মার্কিন সরকারের এ ধরনের ঘোষণা এটিই প্রথম। স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল বলেছেন, পাঁচটি নিরাপত্তা বাহিনীর ইউনিট মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন করেছে। তিনি বলেন, ‘এই ইউনিটগুলোর মধ্যে চারটি কার্যকরভাবে এই লঙ্ঘনের সংশোধন করেছে, যা আমরা অংশীদাররা আশা করি।’ তিনি আরো বলেছেন, ‘বাকি একটি ইউনিটের জন্য, আমরা ইসরায়েল সরকারের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি।

তারা অতিরিক্ত তথ্য জমা দিয়েছে, কারণ এটি সেই ইউনিটের সঙ্গে সম্পর্কিত। অভিযুক্ত পঞ্চম ইউনিট মার্কিন সহায়তা পাওয়ার যোগ্যতা হারাবে কি না, সে সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। ইউনিটটির নাম ‘নেতজাহ ইয়েহুদা ব্যাটালিয়ন’। ১৯৯৯ সালে শুধু আল্ট্রা–অর্থোডক্স ইহুদি পুরুষ সেনাদের নিয়ে গঠন করা হয়েছিল এটি।

১৯৯৭ সালে সাবেক মার্কিন সিনেটর প্যাট্রিক লেহির নেতৃত্বে ‘লেহি ল’ আইন করা হয়েছিল। এই আইনের অধীনে নির্যাতন, বিচারবহির্ভূত হত্যা, জোরপূর্বক গুম এবং ধর্ষণকে মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মার্কিন সহায়তা পাওয়া কোনো ভিনদেশি সেনা ইউনিট ব্যাপকভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘনে জড়িত থাকলে ওই ইউনিট সামরিক সহায়তা পাওয়ার সুযোগ হারাবে এই আইনের অধীনে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গুজরাটে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ১৮ জনের মৃত্যু

ইসরায়েলি সেনারা মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে : যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় ০৭:৪৯:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৪

মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর ৫ ইউনিটকে পৃথক ঘটনায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ী করেছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ী করলেও ইসরায়েলের প্রতি মার্কিন প্রশাসন সামরিক সমর্থন অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছে। এসংক্রান্ত সব ঘটনা বর্তমান যুদ্ধের আগে গাজার বাইরে সংঘটিত হয়েছিল। ইসরায়েল অভিযুক্ত চারটি ইউনিটের বিরুদ্ধে সংশোধনমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে।

বাকি একটি ইউনিটের বিষয়ে ‘অতিরিক্ত তথ্য’ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর অর্থ হলো- সব ইউনিট মার্কিন সামরিক সহায়তার জন্য যোগ্য থাকবে। ওয়াশিংটন ইসরায়েলের প্রধান সামরিক সমর্থক। যারা প্রতিবছর ইসরায়েলকে ৩.৮ বিলিয়ন মূল্যের অস্ত্র এবং প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সরবরাহ করে থাকে।

কোনো ইসরায়েলি ইউনিটের বিরুদ্ধে মার্কিন সরকারের এ ধরনের ঘোষণা এটিই প্রথম। স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল বলেছেন, পাঁচটি নিরাপত্তা বাহিনীর ইউনিট মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন করেছে। তিনি বলেন, ‘এই ইউনিটগুলোর মধ্যে চারটি কার্যকরভাবে এই লঙ্ঘনের সংশোধন করেছে, যা আমরা অংশীদাররা আশা করি।’ তিনি আরো বলেছেন, ‘বাকি একটি ইউনিটের জন্য, আমরা ইসরায়েল সরকারের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি।

তারা অতিরিক্ত তথ্য জমা দিয়েছে, কারণ এটি সেই ইউনিটের সঙ্গে সম্পর্কিত। অভিযুক্ত পঞ্চম ইউনিট মার্কিন সহায়তা পাওয়ার যোগ্যতা হারাবে কি না, সে সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। ইউনিটটির নাম ‘নেতজাহ ইয়েহুদা ব্যাটালিয়ন’। ১৯৯৯ সালে শুধু আল্ট্রা–অর্থোডক্স ইহুদি পুরুষ সেনাদের নিয়ে গঠন করা হয়েছিল এটি।

১৯৯৭ সালে সাবেক মার্কিন সিনেটর প্যাট্রিক লেহির নেতৃত্বে ‘লেহি ল’ আইন করা হয়েছিল। এই আইনের অধীনে নির্যাতন, বিচারবহির্ভূত হত্যা, জোরপূর্বক গুম এবং ধর্ষণকে মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মার্কিন সহায়তা পাওয়া কোনো ভিনদেশি সেনা ইউনিট ব্যাপকভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘনে জড়িত থাকলে ওই ইউনিট সামরিক সহায়তা পাওয়ার সুযোগ হারাবে এই আইনের অধীনে।