ঢাকা ০২:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গুজরাটে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ১৮ জনের মৃত্যু Logo চীনে সেভেন সিস্টার্স নিয়ে যা বলেছিলেন ড. ইউনূস? যেজন্য হতভম্ব ভারত Logo জামায়াতের ঈদ উপলক্ষে প্রীতি ভোজের ঘটনায় বিএনপি – যুবলীগের হামলা Logo শহীদ নাসিব হাসান রিহান-এর পরিবারের সদস্যদের সাথে আমীরে জামায়াতের ঈদ কুশল বিনিময় Logo ড. ইউনূসকে শেহবাজের ফোন, পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ Logo মিয়ানমারে ভূমিকম্প: ২ হাজার ছাড়াল নিহতের সংখ্যা Logo গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: খালেদা জিয়া Logo ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের পদত্যাগ Logo ঈদের নামাজ শেষে ‘জয় বাংলা’স্লোগান, বিএনপির সাথে সংঘর্ষ গুলিবিদ্ধ ১ Logo আইপিএলসহ টিভিতে যা দেকবেন আজ

হাসপাতালে ভর্তি অভিনেত্রী সুজাতা

হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বাংলা চলচ্চিত্রের ষাট ও সত্তর দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুজাতাকে। রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গাজীপুরে ‘অপারেশন জ্যাকপট’ সিনেমার শুটিং করেন সুজাতা। সন্ধ্যার পর বাসায় ফিরে সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট অনুভব করলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

গত কয়েক বছর ধরে হৃদরোগে ভুগছেন ৭২ বছর বয়সী সুজাতা। এর আগেও একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এই অভিনেত্রী। ষাটের দশকে চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা সুজাতা। তিনি উপহার দিয়েছেন অসংখ্য সুপারহিট সিনেমা। চলচ্চিত্র তারকা সুজাতা অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনা ও প্রযোজনাও করেছেন।

তার অভিনীত চলচ্চিত্রের সংখ্যা প্রায় তিন শতাধিক। এর মধ্যে ৫০টিরও বেশি সিনেমা ফোক ঘরানার। ১৯৬৫ সালে তার অভিনীত ‘রূপবান’ চলচ্চিত্র ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। মাত্র ১২ বছর বয়সী নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। তার আসল নাম তন্দ্রা মজুমদার। পরিচালক সালাহউদ্দিন তন্দ্রা মজুমদারের নাম রাখেন সুজাতা। আজও যিনি ‘রূপবান’ হয়েই আছেন দর্শকের হৃদয়ে। চলচ্চিত্র তার অভিষেক ১৯৬৩ সালে সালাউদ্দিন পরিচালিত ‘ধারাপাত’র মাধ্যমে। ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত অসংখ্য হিট চলচ্চিত্রের নায়িকা সুজাতা। মাঝে এক যুগেরও বেশি সময় দূরে ছিলেন বড় পর্দা থেকে।

সুজাতা অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে— ‘রূপবান’, ‘ডাক বাবু’, ‘জরিনা সুন্দরী’, ‘অপরাজেয়’, ‘আগুন নিয়ে খেলা’, ‘কাঞ্চনমালা’, ‘আলিবাবা’, ‘বেঈমান’, ‘অনেক প্রেম অনেক জ্বালা’, ‘প্রতিনিধি’ ইত্যাদি।

চলচ্চিত্রে অবদান রাখার জন্য বিভিন্ন পুরস্কারের পাশাপাশি আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন সুজাতা। চলচ্চিত্রশিল্পে তার অবদানের জন্য ৪২তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে তাকে আজীবন সম্মাননা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। শিল্পকলায় চলচ্চিত্র শাখায় অবদানের জন্য তিনি ২০২১ সালে একুশে পদক পান তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

গুজরাটে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ১৮ জনের মৃত্যু

হাসপাতালে ভর্তি অভিনেত্রী সুজাতা

আপডেট সময় ১০:৫০:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বাংলা চলচ্চিত্রের ষাট ও সত্তর দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুজাতাকে। রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গাজীপুরে ‘অপারেশন জ্যাকপট’ সিনেমার শুটিং করেন সুজাতা। সন্ধ্যার পর বাসায় ফিরে সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট অনুভব করলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

গত কয়েক বছর ধরে হৃদরোগে ভুগছেন ৭২ বছর বয়সী সুজাতা। এর আগেও একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এই অভিনেত্রী। ষাটের দশকে চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা সুজাতা। তিনি উপহার দিয়েছেন অসংখ্য সুপারহিট সিনেমা। চলচ্চিত্র তারকা সুজাতা অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনা ও প্রযোজনাও করেছেন।

তার অভিনীত চলচ্চিত্রের সংখ্যা প্রায় তিন শতাধিক। এর মধ্যে ৫০টিরও বেশি সিনেমা ফোক ঘরানার। ১৯৬৫ সালে তার অভিনীত ‘রূপবান’ চলচ্চিত্র ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। মাত্র ১২ বছর বয়সী নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। তার আসল নাম তন্দ্রা মজুমদার। পরিচালক সালাহউদ্দিন তন্দ্রা মজুমদারের নাম রাখেন সুজাতা। আজও যিনি ‘রূপবান’ হয়েই আছেন দর্শকের হৃদয়ে। চলচ্চিত্র তার অভিষেক ১৯৬৩ সালে সালাউদ্দিন পরিচালিত ‘ধারাপাত’র মাধ্যমে। ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত অসংখ্য হিট চলচ্চিত্রের নায়িকা সুজাতা। মাঝে এক যুগেরও বেশি সময় দূরে ছিলেন বড় পর্দা থেকে।

সুজাতা অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে— ‘রূপবান’, ‘ডাক বাবু’, ‘জরিনা সুন্দরী’, ‘অপরাজেয়’, ‘আগুন নিয়ে খেলা’, ‘কাঞ্চনমালা’, ‘আলিবাবা’, ‘বেঈমান’, ‘অনেক প্রেম অনেক জ্বালা’, ‘প্রতিনিধি’ ইত্যাদি।

চলচ্চিত্রে অবদান রাখার জন্য বিভিন্ন পুরস্কারের পাশাপাশি আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন সুজাতা। চলচ্চিত্রশিল্পে তার অবদানের জন্য ৪২তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে তাকে আজীবন সম্মাননা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। শিল্পকলায় চলচ্চিত্র শাখায় অবদানের জন্য তিনি ২০২১ সালে একুশে পদক পান তিনি।