ঢাকা ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ৯ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইইউ দল না পাঠালে সার্কভুক্ত দেশগুলোকে আমন্ত্রণ জানাবে ইসি

নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইইউ দল না পাঠালে সার্কভুক্ত দেশগুলোকে আমন্ত্রণ জানাবে ইসি

নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেছেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ২০২৪ সালের ২৯ জানুয়ারির মধ্যে অনুষ্ঠিত না হলে সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরি হবে। ওই নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) পূর্ণাঙ্গ দল না পাঠালেও আরও অনেক দেশ আছে। তিনি বলেন, সার্কভুক্ত দেশগুলোকে (আফগানিস্তান, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা) আমন্ত্রণ জানাবে নির্বাচন কমিশন।মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন ভবনের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

মো. আলমগীর বলেন, ‘নীতিমালা অনুযায়ী যেকোনো দেশের যেকোনো সংস্থা আবেদন করতে পারে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ফেম্বোসার সদস্যদের দেশ বিশেষ করে আমাদের আশপাশের যেসব দেশ আছে তাদের আমরা ইনভাইট করি। আমরা শিগগিরই তাদের ইনভাইট জানাব। সার্কভুক্ত দেশগুলো আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামী মাসে তাদের আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হবে।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিদেশি পর্যবেক্ষকদের পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকলে ভালো হয়। আমরা চাই দেশি-বিদেশি বেশি সংখ্যক পর্যবেক্ষক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করুক। ভোটের আগে বিদেশি পর্যবেক্ষকেরা আসবেন কি না জানতে চাইলে মো. আলমগীর বলেন, ‘আমরা তো আশা করি আসবেন।’

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন তো একটি সংস্থা। পৃথিবীতে তো আরও অনেক দেশ আছে। এশিয়া, অস্ট্রেলিয়ায় অনেক দেশ আছে, সার্কভুক্ত দেশ আছে। এসব দেশ থেকে আসতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বলেছে পূর্ণাঙ্গ না, ছোট পরিসরে আসতে পারে। পরবর্তীতে হয়তো তারা মনেও করতে পারে বড় পরিসরে আসব। এটা তো চূড়ান্ত কোনো কথা না। আপনারা তো ভোটের জন্য শতভাগ প্রস্তুত কিন্তু রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে নির্বাচনমুখী মনে করছেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যেভাবেই হোক সংবিধান অনুযায়ী জানুয়ারির ২৯ তারিখের মধ্যে নির্বাচন হতে হবে। সেটি না হলে সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরি হবে। এতে দেশে একটা অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে। সেটা তো নির্বাচন কমিশন হতে দিতে পারে না।’

তিনি বলেন, ‘আমরা কিন্তু সরকারি বা কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী না। আমরা সংবিধান অনুযায়ী শপথ নিয়েছি। সেই শপথ আমাদের পূরণ করতে হবে। সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমেরিকা আসবে না সেটা তো বলেনি। আমেরিকা আসলে আমরা তো খুশি। আমরা তো বলেছি সবাই আসেন। যে সমস্ত যোগ্যতার প্রয়োজন, যে সমস্ত শর্ত আছে সেগুলো পূরণ করলে সবাই আসতে পারবে।’

রাজনৈতিক দলগুলো কি ভোটের পথে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংকট আছে। নির্বাচন চায় না এমনটা কেউ বলছে না। আমাদের নিবন্ধিত যে রাজনৈতিক দল আছে কোনো দলই নির্বাচন চায় না এটা বলেনি। আমরা কেন নির্বাচনের প্রস্তুতি নেব না। নির্বাচনের পরিবেশ প্রসঙ্গে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে হয়তো অনেকে কথা বলছেন। পরিবেশ যাতে সুন্দর করা যায় তার জন্য আমরা চেষ্টা করব। পরিবেশের সবটা সুন্দর করার দায়িত্ব তো আমাদের না। পরিবেশ সুন্দর করতে আমাদের যেটুকু দায়িত্ব সেটুকু আমরা করে যাচ্ছি।

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইইউ দল না পাঠালে সার্কভুক্ত দেশগুলোকে আমন্ত্রণ জানাবে ইসি

আপডেট সময় ০৭:০৩:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩

নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেছেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ২০২৪ সালের ২৯ জানুয়ারির মধ্যে অনুষ্ঠিত না হলে সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরি হবে। ওই নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) পূর্ণাঙ্গ দল না পাঠালেও আরও অনেক দেশ আছে। তিনি বলেন, সার্কভুক্ত দেশগুলোকে (আফগানিস্তান, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা) আমন্ত্রণ জানাবে নির্বাচন কমিশন।মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন ভবনের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

মো. আলমগীর বলেন, ‘নীতিমালা অনুযায়ী যেকোনো দেশের যেকোনো সংস্থা আবেদন করতে পারে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ফেম্বোসার সদস্যদের দেশ বিশেষ করে আমাদের আশপাশের যেসব দেশ আছে তাদের আমরা ইনভাইট করি। আমরা শিগগিরই তাদের ইনভাইট জানাব। সার্কভুক্ত দেশগুলো আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামী মাসে তাদের আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হবে।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিদেশি পর্যবেক্ষকদের পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকলে ভালো হয়। আমরা চাই দেশি-বিদেশি বেশি সংখ্যক পর্যবেক্ষক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করুক। ভোটের আগে বিদেশি পর্যবেক্ষকেরা আসবেন কি না জানতে চাইলে মো. আলমগীর বলেন, ‘আমরা তো আশা করি আসবেন।’

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন তো একটি সংস্থা। পৃথিবীতে তো আরও অনেক দেশ আছে। এশিয়া, অস্ট্রেলিয়ায় অনেক দেশ আছে, সার্কভুক্ত দেশ আছে। এসব দেশ থেকে আসতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বলেছে পূর্ণাঙ্গ না, ছোট পরিসরে আসতে পারে। পরবর্তীতে হয়তো তারা মনেও করতে পারে বড় পরিসরে আসব। এটা তো চূড়ান্ত কোনো কথা না। আপনারা তো ভোটের জন্য শতভাগ প্রস্তুত কিন্তু রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে নির্বাচনমুখী মনে করছেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যেভাবেই হোক সংবিধান অনুযায়ী জানুয়ারির ২৯ তারিখের মধ্যে নির্বাচন হতে হবে। সেটি না হলে সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরি হবে। এতে দেশে একটা অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে। সেটা তো নির্বাচন কমিশন হতে দিতে পারে না।’

তিনি বলেন, ‘আমরা কিন্তু সরকারি বা কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী না। আমরা সংবিধান অনুযায়ী শপথ নিয়েছি। সেই শপথ আমাদের পূরণ করতে হবে। সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমেরিকা আসবে না সেটা তো বলেনি। আমেরিকা আসলে আমরা তো খুশি। আমরা তো বলেছি সবাই আসেন। যে সমস্ত যোগ্যতার প্রয়োজন, যে সমস্ত শর্ত আছে সেগুলো পূরণ করলে সবাই আসতে পারবে।’

রাজনৈতিক দলগুলো কি ভোটের পথে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংকট আছে। নির্বাচন চায় না এমনটা কেউ বলছে না। আমাদের নিবন্ধিত যে রাজনৈতিক দল আছে কোনো দলই নির্বাচন চায় না এটা বলেনি। আমরা কেন নির্বাচনের প্রস্তুতি নেব না। নির্বাচনের পরিবেশ প্রসঙ্গে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে হয়তো অনেকে কথা বলছেন। পরিবেশ যাতে সুন্দর করা যায় তার জন্য আমরা চেষ্টা করব। পরিবেশের সবটা সুন্দর করার দায়িত্ব তো আমাদের না। পরিবেশ সুন্দর করতে আমাদের যেটুকু দায়িত্ব সেটুকু আমরা করে যাচ্ছি।