ঢাকা ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মুন্সিগঞ্জে সেপ্টিকট্যাংকে কাজ করতে গিয়ে তিন শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু   Logo আমরা দুইটা ভুল করেছি, একটা স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়ে : ফাতিমা তাসনীম Logo জামায়াতের অমুসলিম শাখায় যোগ দিলেন ১১ হিন্দু ধর্মাবলম্বী Logo আমি যে ছাত্রীসংস্থা নই, এটা প্রমাণে কি ঘন ঘন হিজাব ছাড়া ছবি আপলোড দিতে হবে? Logo চবিতে আবারও উত্তেজনা, দফায় দফায় ধাওয়া-পালটা ধাওয়া চলছে Logo হাসনাতকে উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা Logo সকাল থেকে থমথমে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় Logo রাকসু কোষাধ্যক্ষের কার্যালয়ে ছাত্রদলের ভাঙচুর ও তালা Logo নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সবুজ এখন ছাত্রদল নেতা Logo তা’মীরুল মিল্লাত টঙ্গীতে আন্দোলনের জের: শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ওপর প্রতিশোধের অভিযোগ

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে হিজবুল্লাহ প্রধানের বৈঠক

  • ফখরুল ইসলাম
  • আপডেট সময় ০৮:০৩:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৩
  • 330

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে হিজবুল্লাহ প্রধানের বৈঠক

হিজবুল্লাহর প্রধান হাসান নাসরুল্লাহর সঙ্গে দেখা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির-আব্দুল্লাহিয়ান। লেবানিজ সামরিক গোষ্ঠীটি বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে। গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে গোষ্ঠীটি ইসরায়েলের সঙ্গে মারাত্মক আন্তঃসীমান্ত সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে।

এক বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ বলেছে, আমির-আব্দুল্লাহিয়ান ও নাসরুল্লাহ ‘ফিলিস্তিন, লেবানন ও অঞ্চলের সর্বশেষ অগ্রগতি এবং…গাজা উপত্যকার বিরুদ্ধে ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধের প্রচেষ্টা পর্যালোচনা করেছেন’। ইরানের বার্তা সংস্থা নুর জানিয়েছে, আমির-আব্দুল্লাহিয়ান বুধবার সতর্ক করেছেন, যুদ্ধ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।

এ ছাড়া হিজবুল্লাহ বৃহস্পতিবার সকালে বলেছে, তারা সীমান্ত থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে উত্তর ইসরায়েলের সাফেদ শহরের কাছে এইন জেইটিমে সামরিক ঘাঁটিতে ৪৮টি কাতিউশা রকেট নিক্ষেপ করেছে। সীমান্তের কাছাকাছি ইসরায়েলি অবস্থানগুলোতে কমপক্ষে ১০টি হামলা চালানোর এবং এতে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলেও দাবি করেছে গোষ্ঠীটি। এসব হামলার জবাবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন স্থানে গোলাবর্ষণ করেছে বলে লেবাননের ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে।

হিজবুল্লাহ বলছে, ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ইসরায়েলে হামলা করার পর থেকে তারা গোষ্ঠীটির সমর্থনে কাজ করছে। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা বলেছে, সেই হামলায় প্রায় এক হাজার ২০০ জন নিহত হয়েছে এবং প্রায় ২৪০ জন জিম্মি হয়েছে। হামলার পর ইসরায়েল হামাসকে ধ্বংস করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং গাজা উপত্যকায় প্রতিশোধমূলক বিমান ও স্থল আক্রমণ শুরু করেছে। গাজা শাসনকারী হামাস সরকারের হিসাবে, ইসরায়েলি আক্রমণে ১৪ হাজারেরও বেশি মানুষ হয়েছে, যাদের মধ্যে হাজার হাজার শিশুও রয়েছে।

ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সহিংসতায় লেবাননে কমপক্ষে ১০৮ জন নিহত হয়েছে, যাদের অধিকাংশই হিজবুল্লাহ যোদ্ধা। তবে তিন সাংবাদিকসহ কমপক্ষে ১৪ জন বেসামরিক লোকও মারা গেছে। ইসরায়েলি পক্ষের ছয় সেনা ও তিন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মুন্সিগঞ্জে সেপ্টিকট্যাংকে কাজ করতে গিয়ে তিন শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু  

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে হিজবুল্লাহ প্রধানের বৈঠক

আপডেট সময় ০৮:০৩:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৩

হিজবুল্লাহর প্রধান হাসান নাসরুল্লাহর সঙ্গে দেখা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির-আব্দুল্লাহিয়ান। লেবানিজ সামরিক গোষ্ঠীটি বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে। গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে গোষ্ঠীটি ইসরায়েলের সঙ্গে মারাত্মক আন্তঃসীমান্ত সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে।

এক বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ বলেছে, আমির-আব্দুল্লাহিয়ান ও নাসরুল্লাহ ‘ফিলিস্তিন, লেবানন ও অঞ্চলের সর্বশেষ অগ্রগতি এবং…গাজা উপত্যকার বিরুদ্ধে ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধের প্রচেষ্টা পর্যালোচনা করেছেন’। ইরানের বার্তা সংস্থা নুর জানিয়েছে, আমির-আব্দুল্লাহিয়ান বুধবার সতর্ক করেছেন, যুদ্ধ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।

এ ছাড়া হিজবুল্লাহ বৃহস্পতিবার সকালে বলেছে, তারা সীমান্ত থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে উত্তর ইসরায়েলের সাফেদ শহরের কাছে এইন জেইটিমে সামরিক ঘাঁটিতে ৪৮টি কাতিউশা রকেট নিক্ষেপ করেছে। সীমান্তের কাছাকাছি ইসরায়েলি অবস্থানগুলোতে কমপক্ষে ১০টি হামলা চালানোর এবং এতে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলেও দাবি করেছে গোষ্ঠীটি। এসব হামলার জবাবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন স্থানে গোলাবর্ষণ করেছে বলে লেবাননের ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে।

হিজবুল্লাহ বলছে, ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ইসরায়েলে হামলা করার পর থেকে তারা গোষ্ঠীটির সমর্থনে কাজ করছে। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা বলেছে, সেই হামলায় প্রায় এক হাজার ২০০ জন নিহত হয়েছে এবং প্রায় ২৪০ জন জিম্মি হয়েছে। হামলার পর ইসরায়েল হামাসকে ধ্বংস করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং গাজা উপত্যকায় প্রতিশোধমূলক বিমান ও স্থল আক্রমণ শুরু করেছে। গাজা শাসনকারী হামাস সরকারের হিসাবে, ইসরায়েলি আক্রমণে ১৪ হাজারেরও বেশি মানুষ হয়েছে, যাদের মধ্যে হাজার হাজার শিশুও রয়েছে।

ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সহিংসতায় লেবাননে কমপক্ষে ১০৮ জন নিহত হয়েছে, যাদের অধিকাংশই হিজবুল্লাহ যোদ্ধা। তবে তিন সাংবাদিকসহ কমপক্ষে ১৪ জন বেসামরিক লোকও মারা গেছে। ইসরায়েলি পক্ষের ছয় সেনা ও তিন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।