মোজো সাংবাদিকদের নিয়ে উমামা ফাতেমার মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (এমআরএ)।
ডাকসু ভিপি প্রার্থী উমামা ফাতেমার সাম্প্রতিক ফেসবুক পোস্টে মোবাইল জার্নালিজমকে (মোজো) অবমাননাকরভাবে উপস্থাপন করায় সাংবাদিক সমাজ বিস্ময় প্রকাশ করেছে। এমআরএ বলছে, সাংবাদিকদের কাজকে হেয় করে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে, যা মুক্ত সাংবাদিকতার জন্য হুমকি।
সংগঠনটির মতে, মোবাইল জার্নালিজম আজকের সাংবাদিকতার একটি শক্তিশালী হাতিয়ার, যার মাধ্যমে ঘটনাস্থলেই দ্রুত সংবাদ, ভিডিও ও ছবি জনগণের কাছে পৌঁছে যায়। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ভোটার-প্রার্থীর সম্পর্কের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিহার্য।
এ বিষয়ে এমআরএ-এর সভাপতি ফখরুল ইসলাম বলেন— “মোজো সাংবাদিকদের নিয়ে উমামা ফাতেমার এ মনোভাব মুক্ত সাংবাদিকতা ও তথ্যের স্বাধীনতার পরিপন্থী। সাংবাদিকদের কাজ জনগণের জানার অধিকার নিশ্চিত করা। প্রার্থীরা স্পষ্টভাবে সাংবাদিকদের হেয় করে গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না। মোবাইল জার্নালিজম তথ্যপ্রবাহকে সহজলভ্য করেছে এবং এটি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করছে।”
একই সুরে বক্তব্য রাখেন এমআরএ-এর সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান। তিনি বলেন— “উমামা ফাতেমা ‘ব্যক্তিগত প্রাইভেসি’র অজুহাতে সংবাদকর্মীদের কাজকে বাঁধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছেন। অথচ ডাকসু নির্বাচন একটি পাবলিক ইভেন্ট। প্রার্থী হিসেবে তার বক্তব্য, আচরণ ও পদক্ষেপ গণমাধ্যমে আসবে—এটাই স্বাভাবিক। সাংবাদিকদের দায়মুক্তিহীনভাবে অপমান করা আসলে স্বচ্ছ নির্বাচনকে আড়াল করার কৌশল।”
এমআরএ বলছে, সাংবাদিকদের হেয় করা মানেই জনগণের জানার অধিকার খর্ব করা। তাই অবিলম্বে উমামা ফাতেমাকে তার মন্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।