ঢাকা ০৩:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo জরুরি বৈঠকে বসেছে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা Logo জাতীয় বিতর্ক উৎসবে রানার্সআপ জগন্নাথ ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি Logo নুরের উপরে হামলা চালানো মেরুন রঙের পোশাক পড়া যুবক ডিবির কেউ নয়: ডিবিপ্রধান Logo ভিপি নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা Logo পাগলা মসজিদে সাড়ে ৪ ঘণ্টার গণনায় মিলল সাড়ে ৮ কোটি টাকা, এখনো চলছে গণনা Logo লক্ষ্মীপুরে অভিযানের ভিডিও করায় হেনস্তার শিকার সংবাদকর্মী Logo ৩ দফা দাবিতে প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ চলছে Logo দু-গ্রুপের সংঘর্ষে স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মীসভা বন্ধ: ক্ষোভে তালা দিলেন পদবঞ্চিতরা Logo আইসিইউতে চিকিৎসাধীন নুরের সর্বশেষ অবস্থা জানালো চিকিৎসকরা Logo ইসরায়েলের সাথে সব ধরনের বাণিজ্য বন্ধ করে দিয়েছে তুরস্ক

ছাত্র রাজনীতিতে অছাত্রদের প্রবেশ নিষিদ্ধের দাবি শিক্ষার্থীদের

ছাত্র রাজনীতিতে অছাত্রদের প্রবেশ নিষিদ্ধের দাবি শিক্ষার্থীদের

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অছাত্রদের প্রবেশ নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা। জবির দুই শিক্ষক ও বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) তিন নেতার ওপর ছাত্রদল নেতাকর্মীদের হামলার পরই এ দাবি জানাল তারা।

রোববার (১৩ জুলাই) জবির ভিসি ভবনের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

এ সময় শিক্ষার্থীরা অবিলম্বে শিক্ষকের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত ছাত্রদের আজীবনের জন্য বহিষ্কারের দাবি জানান। এছাড়া রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অছাত্রদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিষিদ্ধ ও হামলায় জড়িত অছাত্রদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। অন্যতায় আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন তারা।

ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মারুফ বলেন, ‘এ ক্যাম্পাসে কোনোদিন শিক্ষকের গায়ে হাত তোলার সাহস কেউ করেনি। ৫ আগস্টের আগেও আমাদের শিক্ষকের গায়ে কেউ হাত দেয়নি। ৫ আগস্টের পরে এসে শিক্ষকের গায়ে হাত তোলার সাহস তারা কোথায় পেল?’

তোফায়েল ইসলাম নাম আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আগে শিক্ষার্থীদের ট্যাগ দিয়ে ক্যাম্পাসে আসতে দিতো না। ট্যাগের রাজনীতি আবার শুরু হয়েছে। আগে দেওয়া হত শিবির ট্যাগ। এখন ছাত্রলীগ ট্যাগ দেওয়া হচ্ছে। যারা জুলাইয়ে আহত হয়েছে, তাদের ট্যাগ দিয়ে ক্যাম্পাসে আসতে দেওয়া হচ্ছে না।’

এর আগে, গত ১০ জুলাই বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রফিক বিন সাদেক রেসাদের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে বিভাগে আটকে রাখে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরে তাকে মারধর শুরু করে। এসময় একই বিভাগের শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা ড. এ কে এম রিফাত হাসান এবং সহযোগী অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম তাকে রক্ষায় এগিয়ে এলে তাদেরকেও গালিগালাজ ও হামলা করে ছাত্রদলের নেতকর্মীরা।

একই সঙ্গে শাখা বাগছাস সভাপতি মো. ফয়সাল মুরাদ, মুখ্য সংগঠক ফেরদৌস হাসান ও যুগ্ম-আহবায়ক ফারুককেও ছাত্রলীগ ট্যাগ দিয়ে মারধর করা হয়। এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

জনপ্রিয় সংবাদ

জরুরি বৈঠকে বসেছে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা

ছাত্র রাজনীতিতে অছাত্রদের প্রবেশ নিষিদ্ধের দাবি শিক্ষার্থীদের

আপডেট সময় ০৭:৫৩:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অছাত্রদের প্রবেশ নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা। জবির দুই শিক্ষক ও বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) তিন নেতার ওপর ছাত্রদল নেতাকর্মীদের হামলার পরই এ দাবি জানাল তারা।

রোববার (১৩ জুলাই) জবির ভিসি ভবনের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

এ সময় শিক্ষার্থীরা অবিলম্বে শিক্ষকের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত ছাত্রদের আজীবনের জন্য বহিষ্কারের দাবি জানান। এছাড়া রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অছাত্রদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিষিদ্ধ ও হামলায় জড়িত অছাত্রদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। অন্যতায় আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন তারা।

ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মারুফ বলেন, ‘এ ক্যাম্পাসে কোনোদিন শিক্ষকের গায়ে হাত তোলার সাহস কেউ করেনি। ৫ আগস্টের আগেও আমাদের শিক্ষকের গায়ে কেউ হাত দেয়নি। ৫ আগস্টের পরে এসে শিক্ষকের গায়ে হাত তোলার সাহস তারা কোথায় পেল?’

তোফায়েল ইসলাম নাম আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আগে শিক্ষার্থীদের ট্যাগ দিয়ে ক্যাম্পাসে আসতে দিতো না। ট্যাগের রাজনীতি আবার শুরু হয়েছে। আগে দেওয়া হত শিবির ট্যাগ। এখন ছাত্রলীগ ট্যাগ দেওয়া হচ্ছে। যারা জুলাইয়ে আহত হয়েছে, তাদের ট্যাগ দিয়ে ক্যাম্পাসে আসতে দেওয়া হচ্ছে না।’

এর আগে, গত ১০ জুলাই বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রফিক বিন সাদেক রেসাদের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে বিভাগে আটকে রাখে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরে তাকে মারধর শুরু করে। এসময় একই বিভাগের শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা ড. এ কে এম রিফাত হাসান এবং সহযোগী অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম তাকে রক্ষায় এগিয়ে এলে তাদেরকেও গালিগালাজ ও হামলা করে ছাত্রদলের নেতকর্মীরা।

একই সঙ্গে শাখা বাগছাস সভাপতি মো. ফয়সাল মুরাদ, মুখ্য সংগঠক ফেরদৌস হাসান ও যুগ্ম-আহবায়ক ফারুককেও ছাত্রলীগ ট্যাগ দিয়ে মারধর করা হয়। এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।