ঢাকা ০২:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সাতক্ষীরা মহিলা জামায়াতের লিফলেট বিতরণে যুবদলের বাঁধা, সভানেত্রীকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ Logo কুমারখালীতে আইবিডব্লিউএফ’র দ্বি-বার্ষিকী ব্যাবসায়ীক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত Logo জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিক্ষার খাতা দেখন হোস্টেলের গার্ড Logo জামায়াতে যোগ দিলেন বিএনপির ২৪ নেতাকর্মী Logo বগুড়ায় নিজ বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার Logo লাগামহীনভাবে বাড়ছে সবজির দাম Logo নিজ বাড়ির উঠানে গলা কেটে গরু ব্যবসায়িকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা Logo গাজায় ইসরায়েলের ভয়াবহ বোমাবর্ষণ , নিহত কমপক্ষে ৬১ Logo ‘ডাকসু নির্বাচনে ডিজিটাল মোবাইল জার্নালিজম পুরো নির্বাচনের পরিবেশকে নষ্ট করছে’-উমামা ফাতেমা Logo শুক্রবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ থাকে

ইসরায়েরি হামলায় লেবাননে এক রাতে নিহত ৫২

  • লিমন হোসেন
  • আপডেট সময় ০৯:৩০:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ নভেম্বর ২০২৪
  • 193

ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর অভিযানে লেবাননের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় শহর বালবেক এবং তার সংলগ্ন গ্রামগুলোতে নিহত হয়েছেন ৫২ জন এবং আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৭২ জন।

শুক্রবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা এনএনএ জানিয়েছে এ তথ্য।

এছাড়া একই সময় লেবাননের রাজধানীয় বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরতলি এলাকা দাহিয়েহতে বোমা বর্ষণ করেছে বিমান বাহিনী। তাদের নিক্ষিপ্ত বোমায় দাহিয়েহর কয়েক ডজন ভবন ধ্বংসও হয়েছে। তবে হতাহতের কোনো ঘটনা সেখানে ঘটেনি। অভিযান শুরুর আগে দাহিয়েহর বাসিন্দাদের বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন ইসরায়েলি সেনারা।

এক প্রতিবেদনে লেবাননের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা এনএনএ জানায়, বৃহস্পতিবার-শুক্রবারের হামলায় নিহতদের সবাই উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় শহর বালবেক ও মাকনেহ শহর এবং এ দু’শহরের সংলগ্ন গ্রাম বুদায়, দৌরিস, আমহাজ, তারায়াহ এবং কামাতিয়েহর বাসিন্দা।

লেবানন এবং ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের দুই প্রতিবেশী দেশ। ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তের অপর পাশেই লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল। দেশটিতে ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানের মূল উদ্দেশ্য সশস্ত্র ইসলামি রাজনৈতিক গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে ধ্বংস করা। ইরানের প্রত্যক্ষ মদত ও সহায়তায় ১৯৮৫ সালে গঠিত এই গোষ্ঠীটি তার জন্মলগ্ন থেকে ইসরায়েলকে ধ্বংসের জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। হিজবুল্লাহর সদর দপ্তর এবং গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাগুলোর প্রায় সবই দক্ষিণ লেবাননে অবস্থিত।

গত ৭ অক্টোবর গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাস ইসরায়েলের ভূখণ্ডে অতর্কিত হামলা চালানোর পর সেখানে অভিযান শুরু করে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। আইডিএফ অভিযান শুরুর পর হামাসের প্রতি সংহতি জানিয়ে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল থেকে উত্তর ইসরায়েলের বিভিন্ন সামরিক-বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে প্রায় প্রতিদিন রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া শুরু করে হিজবুল্লাহ।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

সাতক্ষীরা মহিলা জামায়াতের লিফলেট বিতরণে যুবদলের বাঁধা, সভানেত্রীকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ

ইসরায়েরি হামলায় লেবাননে এক রাতে নিহত ৫২

আপডেট সময় ০৯:৩০:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ নভেম্বর ২০২৪

ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর অভিযানে লেবাননের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় শহর বালবেক এবং তার সংলগ্ন গ্রামগুলোতে নিহত হয়েছেন ৫২ জন এবং আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৭২ জন।

শুক্রবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা এনএনএ জানিয়েছে এ তথ্য।

এছাড়া একই সময় লেবাননের রাজধানীয় বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরতলি এলাকা দাহিয়েহতে বোমা বর্ষণ করেছে বিমান বাহিনী। তাদের নিক্ষিপ্ত বোমায় দাহিয়েহর কয়েক ডজন ভবন ধ্বংসও হয়েছে। তবে হতাহতের কোনো ঘটনা সেখানে ঘটেনি। অভিযান শুরুর আগে দাহিয়েহর বাসিন্দাদের বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন ইসরায়েলি সেনারা।

এক প্রতিবেদনে লেবাননের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা এনএনএ জানায়, বৃহস্পতিবার-শুক্রবারের হামলায় নিহতদের সবাই উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় শহর বালবেক ও মাকনেহ শহর এবং এ দু’শহরের সংলগ্ন গ্রাম বুদায়, দৌরিস, আমহাজ, তারায়াহ এবং কামাতিয়েহর বাসিন্দা।

লেবানন এবং ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের দুই প্রতিবেশী দেশ। ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তের অপর পাশেই লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল। দেশটিতে ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানের মূল উদ্দেশ্য সশস্ত্র ইসলামি রাজনৈতিক গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে ধ্বংস করা। ইরানের প্রত্যক্ষ মদত ও সহায়তায় ১৯৮৫ সালে গঠিত এই গোষ্ঠীটি তার জন্মলগ্ন থেকে ইসরায়েলকে ধ্বংসের জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। হিজবুল্লাহর সদর দপ্তর এবং গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাগুলোর প্রায় সবই দক্ষিণ লেবাননে অবস্থিত।

গত ৭ অক্টোবর গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাস ইসরায়েলের ভূখণ্ডে অতর্কিত হামলা চালানোর পর সেখানে অভিযান শুরু করে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। আইডিএফ অভিযান শুরুর পর হামাসের প্রতি সংহতি জানিয়ে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল থেকে উত্তর ইসরায়েলের বিভিন্ন সামরিক-বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে প্রায় প্রতিদিন রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া শুরু করে হিজবুল্লাহ।